শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

এনামুল কবির শিশির
অনলাইন ভার্সন
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

ইতিহাসের চাকা কখনো উল্টো ঘুরে না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে শুধু সময় পাল্টায়, কিন্তু ঘটনা বা পরিস্থিতি প্রায় একই রকম থাকে। সহজভাবে দেখলে মনে হবে, আমরা সবাই একই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি, শুধু সময়ের ব্যবধান ভিন্ন। যুগে যুগে বিপ্লব ঘটেছে, বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের ফলে একসময় সাধারণ স্থান ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠে অসাধারণ রূপে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, বিপ্লব কেন সংঘটিত হয় ?

প্রতিটি বিপ্লবের পেছনে অসংখ্য কারণ থাকতে পারে, তবে একটি কারণ সর্বদা সাধারণ—তা হলো নিপীড়ন। মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন; তার সহজাত প্রবৃত্তি হলো, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা। বাংলাদেশও এক অনন্য বিপ্লব দেখল ২০২৪ সালে, যখন ৫ আগস্ট দীর্ঘ দুই দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে। আমরা সবাই জানি, এই বিপ্লব সহজে আসেনি—কোটি মানুষের নিপীড়িত আত্মা, ক্ষোভ, কষ্ট, যন্ত্রণা, গ্লানি এবং একঝাঁক অদম্য সাহসী তরুণের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই স্বাধীনতার নতুন সূর্যোদয়।  সেই বিকেলে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে উল্লাসে, ভয়হীন পরিবেশে, স্বৈরাচারের আতঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে। 

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিপ্লব জনগণকে কীভাবে উপকৃত করবে? যারা এত বছর নির্যাতিত ছিল, তারা কীভাবে বিপ্লব-পরবর্তী সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হবে? আমরা স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেখি, যেখানে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষার পাশাপাশি মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত থাকবে। তারা নিজেদের জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে পারবে, যারা তাদের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারে। 
সংস্কার নাকি নির্বাচন ?

বর্তমানে বাংলাদেশে বিপ্লব-পরবর্তী নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হলো—সংস্কার নাকি নির্বাচন? সুকৌশলে এই দুটি বিষয়কে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী বানিয়ে তোলা হচ্ছে, যা একপ্রকার কৃত্রিম প্রতিযোগিতা। সহজভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সময়ের সাথে সাথে জনগণের ইচ্ছা ও মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

তাহলে কেন আমরা সংস্কারকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমায় বেঁধে দিচ্ছি? সংস্কার কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। 

পৃথিবী তার নিজস্ব নিয়মে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আজকের বিশ্বে উষ্ণায়ন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আমাদের সামনে নতুন বাস্তবতা হাজির করেছে। প্রতিটি পরিবর্তন সময়ের প্রয়োজনে এবং মানুষের কল্যাণের স্বার্থে হয়েছে। তাহলে একটি দেশ কেন সময় ও মানুষের ঊর্ধ্বে থাকবে? সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া উচিত। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। যেকোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই যৌক্তিকভাবে হওয়া উচিত। 

কেন সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না ?

বাংলাদেশে সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না, তার পেছনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:
১. রাজনৈতিক মতানৈক্য ও বিভাজন—বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে । সংস্কার নিয়ে একমত না হয়ে, তারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। 
২. প্রশাসনিক জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক বাধা—দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের ফলে প্রশাসনের ভেতরে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে।  সংস্কার কার্যকর করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন, যা সহজ কাজ নয়। 
৩. স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বাধা—দীর্ঘদিনের সুবিধাভোগী কিছু শক্তিশালী গোষ্ঠী সংস্কারের বিরুদ্ধে কাজ করছে, কারণ এতে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব কমে যেতে পারে। তারা কৌশলে সংস্কারের অগ্রগতি ধীর করে দিচ্ছে। 
৪. আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সাথেও গভীরভাবে সংযুক্ত। বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে যাদের বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে, তারা সংস্কারের গতিপথ নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করছে। 
৫. জনগণের হতাশা ও অস্থিরতা—জনগণ বিপ্লবের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে একটি সুস্পষ্ট পরিবর্তন আশা করেছিল। কিন্তু ধীর সংস্কার প্রক্রিয়া, মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও বাজারের অস্থিতিশীলতা তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে। 
৬. নেতৃত্বের দ্বিধা—মধ্যবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বারবার বলেছেন, সংস্কার করতে হলে সময় লাগবে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও গণমুখী করা প্রয়োজন ছিল, যা এখনও হয়নি। 
৭. সংস্কার নীতির স্বচ্ছতা ও গণশুনানি নেই—একটি বড় সমস্যা হলো, সংস্কার নীতিগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সে সম্পর্কে জনগণকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে না। যদি মাসিক সংস্কারপত্র প্রকাশ করা হতো, তাহলে জনগণ পরিবর্তনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারত এবং সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে পারত। 

ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানো যাক:
ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯-১৭৯৯) আমাদের শেখায়, কীভাবে বিপ্লব পরবর্তী শাসন কাঠামো গঠিত হয়।  ষোড়শ লুইসকে গ্রেফতার করার পর এক বছরের মধ্যেই ফ্রান্সে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে নতুন শাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। একইভাবে, ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব, ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব, ১৯৮৯ সালের রোমানিয়ান বিপ্লব এবং সাম্প্রতিক আরব বসন্তের ঘটনাগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, স্বৈরাচার পতনের পর নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এক বছর সময়ের বেশি লাগেনি। 
এই ইতিহাস প্রমাণ করে, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো দেশ সত্যিকারের উন্নতি করতে পারে না।  জনগণের মতামত ও কল্যাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র বৈধ পথ হলো নির্বাচন। অনির্বাচিত সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকে না, কারণ তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না। 

তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?

উইনস্টন চার্চিল খুব মারাত্মক একটি উক্তি করেছিলেন—“রাজনীতি প্রায় যুদ্ধের মতোই উত্তেজনাপূর্ণ, এবং বেশ বিপজ্জনক। যুদ্ধে, আপনি কেবল একবার হত্যা করতে পারেন। তবে রাজনীতিতে অনেকবার।” এদেশের মানুষের স্বপ্ন বারবার নিহত হচ্ছে রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে। কী চাই, কীভাবে চাই এবং কেন চাই এই বিষয়টা আমরা জাতিগতভাবে বুঝতে বেশ দেরি করি। শত আশা ভঙ্গের কারণ থাকার পরেও আমরা অত্যন্ত আশাবাদী একটি জাতি। সেই অপার আশা নিয়েই যাত্রা শুরু করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার এবং জনগণের এই আশা তারা কীভাবে পূরণ করবে তা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সরকার গঠনের আট মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু জনগণ এখনো সংস্কারের দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে পাচ্ছে না। 

কেন এই মধ্যবর্তী সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন হয়ে যাবে তার কারণ হলো—বিপ্লব পরবর্তী সময়ে দেশের যে অস্থিতিশীল অবস্থা বর্তমানে বিরাজ করছে সেখানে সরকার তার আস্থার জায়গা পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। শুরুতেই সরকারের বর্তমান প্রধানের উপদেষ্টা ঘোষণা দিলেন তার প্রাথমিক নিয়োগকর্তা ছাত্ররা যা পরবর্তীতে সর্ব মহলে বেশ সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উনি তাহলে নিজের অবস্থাকে চিহ্নিত করেননি অথবা ছাত্রজনতা যে বিশাল অসাধ্যকে সাধ্য করেছেন তার মাহাত্ম্য তারা পরবর্তীতে এখন আর বুঝতে পারছেন না। যদি সংস্কারই মূল এজেন্ডা হয়ে থাকে, তাহলে সরকারের উচিত ছিল প্রতিমাসে একটি সংস্কারপত্র প্রকাশ করা, যাতে জনগণ নিয়মিত আপডেট পায়। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পরিবর্তে, সংস্কারের নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠিত হচ্ছে, ক্ষমতার জন্য সকল পক্ষ ছুটছে অবাধে।

জুলাই বিপ্লবের অগ্রণী নেতারা এখন পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন, নিম্ন আয়ের জনগণের দুশ্চিন্তা প্রতিনিয়ত বাজারের উচ্চমূল্যের ব্যাগে হারিয়ে যাচ্ছে। এই সকল বিষয়ের বাইরে যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো বর্তমান দায়িত্বশীলরা কতটুকু অভিজ্ঞতা রাখেন এমন একটি বিশাল পরিবর্তন অথবা সংস্কার করার জন্য, ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এটি অকপটে স্বীকার করেছেন যা অন্যরা করছেন না। যদি আপনার জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা না থাকে তাহলে আপনি কীভাবে তাদের চাহিদাগুলো বুঝবেন।  দেখুন সংস্কারের আরও একটি অন্যতম ব্যাপার হতে পারত সাধারণ মানুষের কোন কোন বিষয়গুলোতে আগ্রহ আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সেখানে সংস্কার প্রয়োজন আছে কিনা তার উপর জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা।

তবুও এই সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে সেই ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। হয়তো বিগত ১৫ বছরের এত এত ঝামেলা, দুর্নীতি ছয় মাস কিংবা এক বছরে সমাধান করা সম্ভব না এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী কার্যকলাপ। সেই সাথে বিভিন্ন গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং সবাই একটি সমূহ সম্ভাবনা দেখছে ক্ষমতা আস্বাদনের জন্য অথচ কেউ পরিষ্কারভাবে বলছে না আগামীতে তারা দেশে এবং জনগণের জন্য কি করবে? তার ফলস্বরূপ এই সরকারকে ব্যর্থ করারও চেষ্টা অব্যাহত আছে। সেই সূত্রে ধরেই দেশের আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হয়েছে এখন, স্বেচ্ছাচারিতা, নিরাপত্তাহীনতা, নারীর উপর হামলা, গণপিটুনি এই সমস্ত কিছুর প্রভাব বেড়ে গেছে। কারণ কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি কাজ করছে না। সবার একই ধারণা এই মধ্যবর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ যেহেতু বেশি নয় তাহলে নির্বাচনী সরকারের সাথেই তারা পুরোদস্তুর কাজ করতে চায় যা বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন অবস্থার তৈরি করেছে।

অতএব, প্রশ্ন থেকেই যায়—আমরা কি সত্যিই স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এগোচ্ছি, নাকি সংস্কারের নামে এক নতুন বিভ্রান্তির বেড়াজালে আটকে যাচ্ছি? বিশাল স্বাধীনতা ডুবে যাচ্ছে কারো পুকুরের ঘাটে। বাংলাদেশে প্রধান দুইটি বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেহেতু একটি দল তার রাজনীতি করার সকল নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে তার নিজের কর্মের কারণে সুতরাং জনগণের পাশে গত সতের বছর যে দলটি ছিল তা হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাই সবাই বোধহয় তাদের উপর ভরসা করছে অনেকাংশে বর্তমানে।  সেই সূত্র ধরে সামাজিক মাধ্যমে বিএনপি এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের একটি কথা নজর কেড়েছে তা হলো—“সংসদের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে যে সরকার বাধ্য থাকবে, একমাত্র সেই সরকারের পক্ষেই সম্ভব মানুষের জন্য ভালো কিছু করা, দেশের জন্য ভালো কিছু করা।”

এই উক্তির মতো অবস্থান যদি তৈরি করা সম্ভব হয় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে দায়বদ্ধতা এবং সমৃদ্ধির। এই সংকটময় মুহূর্তে, জনগণের সজাগ দৃষ্টি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণই পারে স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে। আসুন, আমরা সবাই মিলে সজাগ থাকি, যেন আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সংস্কারের নামে কোনো পুকুরে ডুবে না যায়। 

লেখক:  এনামুল কবির শিশির, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্ট্র্যাটেজিস্ট

বিডি প্রতিদিন/মুসা
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৩৭ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়