শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

অপেক্ষার এক রাত

নিশো আল মামুন
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
অপেক্ষার এক রাত

গভীর রাত। দেয়ালঘড়ির কাঁটা টিক টিক করে চলছে। মনে হচ্ছে- হৃদপিণ্ডের শব্দটা প্রতিধ্বনি হয়ে দেয়ালঘড়িতে বাজছে। টিক টিক টিক। কেমন জানি ভয় লাগে। রাত কত হয়েছে? ফরিদ দেয়ালঘড়ির দিকে তাকালেন- দেড়টা বাজে। ছেলেটার জ্বর। এক শ দুই। ডাক্তার বলেছেন সামান্য ইনফ্লুয়েঞ্জা। এক শ চার ডিগ্রি পর্যন্ত তেমন ভয়ের কিছু নেই। ওষুধ দেওয়া হয়েছে। কমে যাবে। জ্বর কমছে না। ফরিদ তাঁর ছেলের কপালে হাত রাখলেন। গা দিয়ে রীতিমতো আগুন বের হচ্ছে। গভীর দৃষ্টিতে মুখের দিকে তাকালেন। দেখলেন- ঠোঁট দুটো নীল হয়ে ফুলে উঠেছে। ঘুমের মধ্যে কোঁকাচ্ছে। ভারী ভারী নিঃশ্বাস ফেলছে। ফরিদের খরাপ লাগাতে শুরু করল। শরীর অস্থির হয়ে উঠলো। আদরমাখা গলায় ছেলেকে ডাকলেন- সোনাবাবা, ও ময়না। ছোটন সাড়া দিলো না। আবার ডাক দিলেন- সোনাবাবা, ও ময়না। লাভ হলো না কোনো! ঘুমাচ্ছে ঘুমাক। অসুখের সময় ঘুমের প্রয়োজন আছে। শরীর সেরে ওঠে। ফরিদ ধীর পায়ে বারান্দায় যেয়ে দাঁড়ালেন। বারান্দা ঘেঁষে ডুমুর গাছ। গাছভর্তি থোকা থোকা ডুমুর ফল ধরেছে। তার পাশে বিশাল এক কদম গাছ। সারা গাছে বলের মতো ফুল ফুটে আছে। বারান্দায় এসে দাঁড়ালেই মন ভালো হয়ে যায়। ফরিদ চেয়ার টেনে বসলেন। সিগারেট ধরালেন। ঠান্ডা বাতাস ছেড়েছে। বৃষ্টি নামতে পারে। সিগারেটে একটা টান দিতেই তার স্ত্রীর কথা মনে পড়তে লাগলো। সে বেঁচে থাকলে ছেলেটার এত অযত্ন হতো না। ঠিকমতো যত্ন হতো। জ্বরের সময় কত রকম সেবা করতো। মাথায় পানি ঢালতো। শরীর মুছে দিতো। ওষুধ খাওয়াতো। সারা রাত জেগে জেগে মাথার কাছে বসে থাকতো। রেবেকা!

এ রকম এক সুন্দর রাত্রিতে রেবেকাকে সে বিয়ে করে ঘরে এনেছিল। চেহারাটা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনের মধ্যে ভেসে উঠল। ডান গালে ছোট্ট একটা তিল ছিল। যখন হাসতো মনে হতো সমস্ত শরীর দিয়ে হাসছে। শরীর দিয়ে হাসির একটা ঝরনা বয়ে যেত।

দিন কীভাবে কীভাবে চলে যায়। ফরিদ ছোট্ট করে নিঃশ্বাস ফেলল। দেখতে দেখতে তাদের বিয়ের এগারোটা বছর পার হয়ে গেলো। তাঁর মনে হলো- এই তো সেদিন সবকিছু ঘটল। অথচ রেবেকার মৃত্যুর পর্যন্ত সাত বছর হয়ে গেলো। মানুষ মারা যায়, তাঁর স্মৃতি চিরকাল রয়ে যায়। ফুল শয্যার রাতের কথা। স্ত্রীর হাত ধরে বলেছিলো- ভালোবাসি তোমায়। জনম জনম ধরে বাসবো। রেবেকা নিঃশব্দে হাসছিল। চোখের কোণে একটু তার জলও ছিল। সেও মিষ্টি করে বলেছিল- তবে বাঁধিয়া রাখিও আমায়।

ডুমুর গাছ থেকে একটা বিশালাকৃতির বাদুড় উড়ে গেল। পাখা ঝাপটার শব্দে ফরিদ চমকে উঠলেন। উঠে দাঁড়ালেন। ঘরের দিকে গেলেন। ছেলেটা ঘুমের মধ্যে এখন আর কোঁকাচ্ছে না। তবে ভারী নিঃশ্বাসটা এখনো ফেলছে। জ্বরের কারণে মুখটা সাদা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। ফরিদ ছেলেকে আদরমাখা গলায় ডাক দিলেন- সোনাবাবা, ও ময়না। ময়না।

ছোটন সাড়া দিলো না। ফরিদ ছেলের কপালে হাত দিয়ে জ্বর দেখলেন। শরীর পুড়ে যাচ্ছে। থার্মোমিটারে মাপলেন। এক শ দুইয়ের একটু ওপরে। জ্বর তো কমছে না। আরও বাড়ছে। শরীর মুছে দিতে হবে।

সোনাবাবা, ও ময়না। ময়না।

ছোটন জেগে উঠলো। হুঁ। ফরিদ বললেন, সোনাবাবা খারাপ লাগছে?

হুঁ।

অনেক জ্বর তাই খারাপ লাগছে।

ফরিদ গামছা ভিজিয়ে ছেলের সমস্ত শরীর মুছে দিলেন। তুলে জোর করে স্যুপ খাওয়ালেন। ওষুধ খাওয়ালেন। ওষুধ খাওয়ার সময় ছোটন বমি করতে ধরলো। ফরিদ সঙ্গে সঙ্গে পানির গ্লাস মুখের সামনে এগিয়ে ধরলেন। ছোটন এক চুমুক পানি খেয়ে শুয়ে পড়ল। ফরিদ শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা দেখলেন। জ্বর একটু কমেছে বোধ হয়। থার্মোমিটার দিয়ে মাপলেন। একটু কমেছে। এক শ দুইয়ের নিচে। ছেলেকে ডাকলেন- সোনাবাবা, ও ময়না। এখন কেমন লাগছে?

একটু ভালো।

ভালো।

জ্বর সেরে গেলে আরও ভালো লাগবে। ঘুমিয়ে পড়ো এখন।

ঘুমাবো না।

ঘুমাবে না?

না। গল্প করবো।

রাত জেগে গল্প করলে শরীর আরও খারাপ করবে। সকালে গল্প করবো। ঘুমাও এখন।

ছোটন চোখ বন্ধ করে থাকল। কিছুক্ষণ পর বাবাকে ডাকল-বাবা।

হুঁ।

আমি মারা যাচ্ছি কখন?

তুমি মারা যাচ্ছ মানে? ফরিদের বুকটা ছ্যাৎ করে উঠল। ছোটন বলল, আমি ডাক্তারকে বলতে শুনেছি, আমার জ্বর একশ দুই ডিগ্রি।

এক শ দুই জ্বরে মানুষ মারা যায় না। তুমি খুব বোকার মতো কথা বলছ।

ছোটন কিছুক্ষণ চুপ থেকে তারপর বলল, মা মারা গেল কেন? মার ও তো এক শ দুই জ্বর ছিল।

ফরিদ তাঁর ছেলেকে আর কোনো জবাব দিতে পারলেন না। শুধু বোকার মতো তাকিয়ে থাকলেন। ছোটন বলল, বাবা আমাকে একটা মা এনে দেওয়া যায় না।

মায়ের আদর পেতে ইচ্ছা করছে এখন?

হ্যাঁ, করছে।

কিন্তু মাকে তো এনে দেওয়া যায় না।

কেন যায় না?

মা একজনই হয়। মায়ের কোনো বিকল্প হয় না।

ছোটন চুপ হয়ে গেল। অনেকক্ষণ চুপ থাকার পর বলল, বাবা মানুষ মারা গেলে কোথায় যায়?

ফরিদ ছোট্ট করে নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, জানি না বাবা।

যদি জানতে তাহলে যেয়ে মাকে ধরে নিয়ে আসতাম।

ফরিদ তার ছেলের কথায় কেঁদে ফেলতে ধরলেন। বললেন, বাবা সোনা ঘুমিয়ে যাও তো এখন। অনেক কথা হয়েছে আর না। ফরিদ ছেলের কপালে, শরীরে হাত দিয়ে জ্বর দেখলেন। শরীর তো আবার গরম হয়ে উঠছে। জ্বর তো বাড়ছে। গা কি মুছে দেয়া বারবার ঠিক হবে? ঠান্ডা চাপ দিয়ে বসতে পারে। নিউমোনিয়া হতে পারে। ফরিদের শরীর দিয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। শরীরের তাপমাত্রা কমেও, কমছে না কেন? কী রকম জ্বর হলো! কাঁপা কাঁপা হাতে থার্মোমিটার নিলেন। জ্বর মাপতে লাগলেন। ছোটন বলল, বাবা তুমি ভয় পাচ্ছ কেন?

ভয়? না তো।

আমি জানি তুমি কেন ভয় পাচ্ছ। আমি মারা যাব সে জন্য।

 ছিঃ! বাজে কথা বলো না তো।

ফরিদ থার্মোমিটারের তাপমাত্রা দেখলেন। জ্বর এক শ দুইয়ের ঘরে। জ্বর তো বাড়ছে। শরীর মুছে দিতে লাগলেন। কপালে জলপট্টি দিলেন। ছোটনের ঘুম পেতে লাগলো। ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে তাঁর বাবাকে বললো, বাবা মৃত্যু কি খুব কঠিন?

ফরিদ চমকে উঠলেন। কিছুক্ষণ ছেলের দিকে তাকিয়ে থাকার পর বললেন, না। আমার মনে হয় খুব সহজ। ছোটন ঘুমিয়ে পড়ল। ফরিদ তাঁর ছেলের মাথার কাছে বসে রইলেন। বাকি রাতটুকু জেগে থাকতে হবে। হঠাৎ জ্বর আরও বাড়তে পারে। খেয়াল রাখতে হবে। জ্বরে কী সব প্রলাপ বকছে। আশ্চর্য! নয় বছর বয়স মাত্র। মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে। ফরিদ খাটের বাতায় হেলান দিয়ে একটু আরাম করে বসলেন।

বসে থাকতে থাকতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়লেন। ঘুমের মধ্যে অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখলেন। স্বপ্নটা তার কাছে খুবই বাস্তব মনে হলো। তিনি দেখলেন- ছোটনের বিয়ে। গায়ে হলুদ দেওয়া হচ্ছে। আত্মীয়-স্বজন সবাই এসেছে। ধুমধাম করছে। সানাই বাজছে। খুব আয়োজন। রেবেকা কি সুন্দর করে সেজেছে। ছেলের পাশে বসে আছে। মিষ্টি মিষ্টি হাসছে। স্বপ্নের ঠিক এই জায়গাতে ফরিদের ঘুম ভেঙে গেল। ঘোর কাটতে একটু সময় লাগলো। ভোর হতে আর বেশি বাকি নেই। কোলাহলে ধরণি জেগে উঠবে। ছোটনের জ্বর কি কমে গেছে? ফরিদ তাঁর ছেলের দিকে তাকালেন। কাঁপা কাঁপা হাতে কপাল স্পর্শ করলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
বৈশাখী
বৈশাখী
চলন্ত সাইকেল
চলন্ত সাইকেল
দোআঁশ মাটির ঘ্রাণ
দোআঁশ মাটির ঘ্রাণ
ধূলি কিংবা ধ্যানমগ্ন
ধূলি কিংবা ধ্যানমগ্ন
বাঙালির নববর্ষ
বাঙালির নববর্ষ
তোমার পরিচয়
তোমার পরিচয়
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
নাট্যদৃশ্য নিরন্তর
নাট্যদৃশ্য নিরন্তর
নীল সিগন্যালের পর
নীল সিগন্যালের পর
বর্ষবরণের বিচিত্র উদযাপন
বর্ষবরণের বিচিত্র উদযাপন
মাংসের হাট
মাংসের হাট
শূন্যতার গান
শূন্যতার গান
সর্বশেষ খবর
দলবদল শেষে কেমন হলো প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ
দলবদল শেষে কেমন হলো প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ

২২ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত
লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক
মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি
সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক
নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে
বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক
মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস
সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান
সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম
হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার
কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়
শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন
বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গরমে শখের বাগান বাঁচাতে মানতে হবে যত্নের নিয়ম
গরমে শখের বাগান বাঁচাতে মানতে হবে যত্নের নিয়ম

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সংসদ সদস্যদের এলাকা ভিত্তিক ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে সাব কমিটি গঠন
সংসদ সদস্যদের এলাকা ভিত্তিক ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে সাব কমিটি গঠন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ছয় ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কলকাতা
ছয় ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কলকাতা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ
স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

৯ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এলপিজির দাম বেড়েছে
এলপিজির দাম বেড়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!
অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ
বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’
‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ
অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা
হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা