শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

ঈদ জমবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজে

জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
ঈদ জমবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজে
শহর তো বটেই, গ্রামের সচ্ছল ও মধ্যবিত্তরা বাড়িতে খাবার সংরক্ষণে ফ্রিজ কিনছেন অনেক আগে থেকেই। কিন্তু এক দশক আগেও প্রত্যন্ত গ্রামের অনেক বাড়িতেই খাবার সংরক্ষণের বিশেষ এ যন্ত্র ছিল না। দেশি ফ্রিজ কোম্পানিগুলো এ দৃশ্য অনেকটা বদলে দিয়েছে। তাদের উৎপাদিত সাশ্রয়ী মূল্যের ফ্রিজ ও কিস্তি সুবিধায় শহর এবং গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষও এখন ফ্রিজ কিনছেন।...

এবার কোরবানির ঈদ গরমে পড়ায় ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বাজার তুঙ্গে। ক্রেতারা এরই মধ্যে সাধ ও সাধ্যের মিল রেখে নিজেদের পছন্দের ফ্রিজ কিনতে শুরু করেছেন। অনেকেই ঈদের ঠিক আগে কিনবেন, এখন বাজার ঘুরে ফ্রিজ যাচাইবাছাই করছেন। ফ্রিজের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশি ফ্রিজ কোম্পানিগুলোও নতুন নতুন প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ফ্রিজ দিয়ে সাজিয়েছে তাদের শোরুম। ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য আছে বিশেষ অফারও। শহর তো বটেই, গ্রামের সচ্ছল ও মধ্যবিত্তরা বাড়িতে খাবার সংরক্ষণে ফ্রিজ কিনছেন অনেক আগে থেকেই। কিন্তু এক দশক আগেও প্রত্যন্ত গ্রামের অনেক বাড়িতেই খাবার সংরক্ষণের বিশেষ এ যন্ত্র ছিল না। দেশি ফ্রিজ কোম্পানিগুলো এ দৃশ্য অনেকটা বদলে দিয়েছে। তাদের উৎপাদিত সাশ্রয়ী মূল্যের ফ্রিজ ও কিস্তি সুবিধায় শহর ও গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষও এখন ফ্রিজ কিনছেন। দাম অনেকটা হাতের নাগালে চলে আসায় এবং বিদ্যুতায়নের কারণে গ্রামের অনেক বাড়িতেই এখন ফ্রিজ দেখা যায়। কাঁচা মাছ-মাংস সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় সে সময় গ্রামের মানুষ প্রতিদিনই বাজার করতেন। মাঝেমধ্যে যাদের বাড়িতে ফ্রিজ ছিল তাদের ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংস রেখে আসতেন। আশার কথা এ দৃশ্য এখন পুরোনো। ঘরে ঘরে ফ্রিজ থাকায় গ্রামীণ জনপদের জীবনযাপন এখন আগের চেয়ে অনেকটাই সহজ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও বিভিন্ন দেশি ফ্রিজ কোম্পানির দেওয়া তথ্যে, বর্তমানে দেশে ফ্রিজের বাজার ১০ থেকে ১১ হাজার কোটি টাকার ওপরে। প্রতি বছর দেশে ফ্রিজের বাজার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন শহর ও গ্রামাঞ্চলে ছোট পরিবারের কারণে ক্রেতাদের ফ্রিজ কেনার পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে ফ্রিজের বার্ষিক চাহিদা ৩০ লাখ ইউনিটের বেশি। আর ফ্রিজের চাহিদার ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বর্তমানে পূরণ হয় দেশি কোম্পানির রেফ্রিজারেটর দিয়ে।

বিভিন্ন ফ্রিজ কোম্পানির দায়িত্বশীলরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, বর্তমানে কর্মব্যস্ত জীবনে গ্রাম ও শহর সব জায়গাতেই জীবণন সহজ করে তুলেছে ফ্রিজ। শহরে নিউক্লিয়ার বা একক পরিবারগুলোতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই কর্মজীবনে ব্যস্ত থাকায় মাসের বা সপ্তাহের বাজার ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন। রেফ্রিজারেটরের মাধ্যমে রান্না করা বা কাঁচা খাবার দীর্ঘ সময় তাজা রাখা সম্ভব হয়। এতে প্রতিদিন বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন কমে এবং সময় বাঁচে। কর্মজীবী মানুষ একবারে বেশি রান্না করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন, যা সময় ও পরিশ্রম দুটোই সাশ্রয় করে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সারা বছরের মোট বিক্রির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ফ্রিজ শুধু দুই ঈদেই বিক্রি হয়। এ কারণে এ সময়ে ফ্রিজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের ফ্রিজে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করে। আবার ক্রেতা আকর্ষণে তারা বিভিন্ন ঈদ অফারও দেয়। ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিভিন্ন দেশি ফ্রিজ কোম্পানি আইওটি, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিশ্বের সর্বাধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ও ফিচারসমৃদ্ধ নতুন মডেলের ফ্রিজ এনেছে। আর এ ফ্রিজগুলোর দামও যৌক্তিক ও সহনশীল। আছে ফ্রিজ কেনায় বিশেষ ইএমআই সুবিধা। এ ছাড়া ঈদের বিশেষ অফার হিসেবে পণ্য কেনায় ফ্রিজ কোম্পানিগুলো স্ক্র্যাচ কার্ড ঘষলেই চমকপ্রদ পুরস্কার জিতে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এর মধ্যে আছে সোনার অলংকার, কোরবানি পশু, ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাকসহ পণ্য কেনায় বিশাল ছাড়ের সুযোগ।

রাজধানীর বাড্ডার বাসিন্দা শফিকুর রহমান গুলশান-১ নম্বরে অবস্থিত ইলেক্ট্রো মার্টের শোরুমে সম্প্রতি ফ্রিজ দেখতে আসেন। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার বাসার ফ্রিজটা পুরান হয়ে গেছে। সামনেই কোরবানির ঈদ। এজন্য নতুন ফ্রিজ কিনতে এসেছি। এখনকার ফ্রিজগুলোতে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যে কোনটা ছেড়ে কোনটা কিনব তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েছি। তবে দামে সাশ্রয়ী এবং মানে ভালো এমন ফ্রিজই কিনব। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশি ফ্রিজ কোম্পানিগুলো ফ্রিজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে; যা ক্রেতাদের এসব পণ্য কেনায় আরও আকৃষ্ট করছে। ফ্রিজে অ্যান্ড্রয়েড ডিসপ্লে এবং স্টেরিও সাউন্ড সিস্টেম, এমএসও (ম্যাট্রিকস স্পিড অপটিমাইজেশন) প্লাস ইনভার্টার টেকনোলজি, এআই ডক্টর ফিচার, ইন্টেলিজেন্ট জার্ম টার্মিনেটর টেকনোলজি, ডোর অ্যালার্ম সিস্টেম, গার্ডেন ফ্রেশ টেকনোলজি, অ্যাকটিভ কার্বন প্রযুক্তিসহ আরও সব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল লাইনিং, ক্রেতাবান্ধব মূল্যনীতি, বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করায় দেশের ফ্রিজের বাজার দিনদিন বাড়ছে। পাশাপাশি গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিতে ফ্রিজ কোম্পানিগুলো গড়ে তুলেছ দক্ষ টেকনিশিয়ান টিম। এজন্য কোম্পানিগুলো দেশব্যাপী বিস্তৃত সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করেছে। পণ্যে কোনো অসুবিধা হলেই আছে সুনির্দিষ্ট হটলাইনে অভিযোগ জানানোর সুযোগ।

দেশি ফ্রিজের বাজার সম্পর্কে জানতে চাইলে দেশের বিভিন্ন ফ্রিজ কোম্পানির দায়িত্বশীলরা বলেন, তাঁরা ফ্রিজের বাজার সম্প্রসারণসহ রপ্তানি বাজার বৃদ্ধির জন্য অন্তর্বর্তী সরকার থেকে নীতিসহায়তা আশা করছেন। একই সঙ্গে এটি দীর্ঘমেয়াদি করার পাশাপাশি রপ্তানির জন্য নীতিমালা তৈরি করা গেলে দেশে উৎপাদিত ফ্রিজেরও পোশাক খাতের মতো বিকাশের সুযোগ আছে। এভাবে সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করা হলে পুরোনো বিনিয়োগকারীরাও তাঁদের ব্যবসা সম্প্রসারণে যেতে পারবেন। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। অর্থনীতি লাভবান হবে।

এ উদ্যোক্তারা আরও বলেন, দেশি ফ্রিজের বাজার সম্প্রসারণে তাঁরা এ খাতের অটোমেশন, পণ্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও ফিচারের পণ্য উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনেও প্রতিনিয়ত বিনিয়োগ করছেন।

দেশি ফ্রিজ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িতরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ফ্রিজ রপ্তানির ভবিষ্যৎ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশে ইলেকট্রনিকস খাত, বিশেষ করে ফ্রিজ উৎপাদন শিল্প, গত এক দশকে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি এবং সরকারের সহায়ক নীতির ফলে দেশি ফ্রিজ স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বহির্বিশ্বেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এরই মধ্যে দেশি ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ওয়ালটন ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, ইরাক, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, অস্ট্রিয়াসহ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের ৪০টির বেশি দেশে রেফ্রিজারেটরসহ ফ্রিজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ রপ্তানি করছে। গত অর্থবছরে কোম্পানিটি প্রায় ২ লাখ ইউনিট ফ্রিজ রপ্তানি করেছে। ২০২৬ সালের মধ্যে ৫ লাখ ইউনিট ফ্রিজ রপ্তানির টার্গেট রয়েছে ওয়ালটনের। এজন্য ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কোম্পানিটি কাজ করছে। গঠন করেছে সুদক্ষ এবং চৌকশ গ্লোবাল বিজনেস টিম। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ইলেক্ট্রো মার্ট কোম্পানি অল্প সময়ের মধ্যে ফ্রিজ রপ্তানির জন্য প্রস্তুত বলে জানা যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যেহেতু ফ্রিজ একটি ইলেকট্রনিকস পণ্য তাই এটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করার জন্য তারা গ্রাহকদের বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। ফ্রিজের চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখতে হবে যাতে বাতাস ভালোভাবে চলাচল করতে পারে। এটি ফ্রিজের কুলিং সিস্টেমের কার্যকারিতা বাড়াবে। ফ্রিজের দরজা সঠিকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। ফ্রিজ অতিরিক্ত ওভারলোড হতে দেওয়া যাবে না। খাবারের জন্য প্রতিদিন বেশি সময়ের জন্য ফ্রিজ খুলে রাখা যাবে না। এতে ফ্রিজের কার্যক্ষমতা কমে যায়। দীর্ঘদিন ফ্রিজ ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীকে নিয়মিত পরিষ্কার (ডিপ ক্লিনিং) করতে হবে। গ্যাস্কেট পরীক্ষা করতে হবে। তাপমাত্রা সেটিং ঠিক রাখতে হবে। খাবার ঢেকে রাখতে হবে। বছরে একবার ফ্রিজ সার্ভিসিং করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্লাস্টিক বোতলজাত পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি
প্লাস্টিক বোতলজাত পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি
মানসম্পন্ন চিকিৎসা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি
মানসম্পন্ন চিকিৎসা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি
স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
আলো ছড়াচ্ছে রোগীর সেবায়
আলো ছড়াচ্ছে রোগীর সেবায়
এক নীরব ব্যথার গল্প হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস
এক নীরব ব্যথার গল্প হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
সেবা দিয়ে মানুষের পাশে আছি
সেবা দিয়ে মানুষের পাশে আছি
আধুনিক চিকিৎসাসেবাই মূল লক্ষ্য
আধুনিক চিকিৎসাসেবাই মূল লক্ষ্য
মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য
মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য
বেসরকারি হাসপাতালকে প্রণোদনা দিতে হবে
বেসরকারি হাসপাতালকে প্রণোদনা দিতে হবে
হৃদ্‌রোগ চিকিৎসায় অত্যাধুনিক সেবা
হৃদ্‌রোগ চিকিৎসায় অত্যাধুনিক সেবা
মশার বিরুদ্ধে কার্যকর একটি আধুনিক সমাধান
মশার বিরুদ্ধে কার্যকর একটি আধুনিক সমাধান
সর্বশেষ খবর
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন