শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:১৯

জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়লেন মারুফ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়লেন মারুফ
কোচ মারুফুল হক

ম্যাচের তখন ৬০ মিনিট। কোচ মারুফ হঠাত্ মাঠ থেকে উঠিয়ে নেন অধিনায়ক মামুনুলকে। কোচের এমন সিদ্ধান্তে অবাক মাঠে উপস্থিত হাজার আটেক ফুটবলপ্রেমী। বাংলাদেশের ইতিহাসে গত ৭-৮ বছরে এমনটি কখনো দেখা যায়নি। অথচ কাল তাই করেন মারুফ। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপেও ব্যর্থ বাংলাদেশ। ম্যাচ হারের পর ব্যর্থতার দায়ভার নিজের কাঁধে নেন এবং জাতীয় দলকে আর কোচিং করাতে চান না। ফিরে যেতে চান ক্লাব ফুটবলে।

সাফের প্রথম রাউন্ডের বেড়া টপকাতে ব্যর্থ হলে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন মারুফুল। তখন অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন মামুনুলও। অবশ্য দুজনেই বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ফিরেছেন এবং দায়িত্ব নিয়েছেন। আর্ম ব্যান্ড পড়েছেন মামুনুল এবং ডাগ আউটে চলে আসেন মারুফ। কিন্তু দুজনের রসায়ন কোনো কাজে লাগেনি। শ্রীলঙ্কাকে হারালেও ড্র করেছে নেপাল ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে। কাল সেমিফাইনালে হেরে যায় বাহরাইনের কাছে। ফাইনালে উঠতে না পারায় হতাশ বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে শুধু দায়ভার নিলেন, ‘আসরের সব ব্যর্থতা আমার কাঁধে নিলাম।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ- ব্যর্থতার শতভাগ ফল। দুটোরই কোচ মারুফুল। দুটো আসরের ব্যর্থতার দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে কাল স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেন নিজের ইচ্ছার কথা, ‘আমি আর জাতীয় দলকে কোচিং করাতে চাই না। আমি ফিরে যেতে চাই ক্লাব ফুটবলে।’ টানা দুই আসরে ব্যর্থতার পর ভদ্রলোক বলে পরিচিত মারুফ বলেন,‘ আমি আমার কোচিং ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বিগ্ন নই।’ ভুল বলেননি মারুফ। ক্লাবগুলো তাকে নিতে এক পায়ে দাঁড়িয়েই আছে। ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে সরে দাঁড়ানোর দিনে অবশ্য বাংলাদেশ ফুটবলের ভবিষ্যতের কথা বলেন। পরিষ্কার করেই জানান, পরিকল্পনা না নিলে বাংলাদেশের ফুটবল নিচেই নামবে, ‘নেপাল, মালদ্বীপের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, তারা গত ১০-১৫ বছরে যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তার কোনটিই আমরা নেইনি।


আপনার মন্তব্য