শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০২১ ২৩:১৯

নেপালে বাংলাদেশ ফুটবল দল

শিরোপায় চোখ বাংলাদেশের

নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শিরোপায় চোখ বাংলাদেশের

ফুটবলে বাংলাদেশ ও নেপালকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীই বলা যায়। দুই দেশের লড়াইটা মর্যাদার রূপ নিয়েছে। কারা জিতবে বা হারবে বলা যায় না। অথচ আশি দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত নেপাল পাত্তাই পেত না। আর পূর্ব পাকিস্তান আমলে নেপাল জাতীয় দলতো মোহামেডান, ওয়ান্ডারার্স বা ইপিআইডিসির কাছে গোলের বন্যায় ভেসে যেত। সেই নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল।  সাফ গেমসে প্রথম সোনা জয়ের রেকর্ড তাদেরই। এই নেপালে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ গতকাল ঢাকা ছেড়েছে। জেমি ডের শিষ্যরা এখন কাঠমান্ডুতেই অবস্থান করছেন। কোচ বলেছেন শিরোপার চেয়ে তার আসল কাজ হবে দলটাকে গোছানো। সিনিয়র ও জুনিয়র মিলিয়ে দল গড়া হয়েছে। দুই ম্যাচে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে।

জেমি ডে মুখ ফুটে শিরোপার কথা বলছেন না। কেননা তিনি ভালোমতোই জানেন নেপালের মাটিতে নেপালকে হারানোটা বড্ড কঠিন। তাছাড়া কিরগিজস্তান অলিম্পিক দলও কম শক্তিশালী নয়। ১৯৯৯ সালে কাঠমান্ডুতেই ফাইনালে নেপালকে হারিয়ে সাফ গেমসে বাংলাদেশ প্রথম সোনা জিতেছে। তবু পরিসংখ্যান বলে নেপালের মাটিতে বাংলাদেশের হারের সংখ্যা বেশি। কৌশলগত কারণে জেমি টার্গেট হিসেবে শিরোপার কথা বলছেন না। ২০১৭ সালের ট্র্যাজেডির কথা এখনো তিনি ভোলেননি। যে বাংলাদেশের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে খেলার অপেক্ষা করছিল, সেখানে কিনা নেপালের কাছে ০-২ গোলে হেরে ঘরের মাঠেই বিদায়। অবশ্য গত বছর ঢাকায় দুই প্রীতিম্যাচের একটিতে জয়ী হয় বাংলাদেশ। তা তো আর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সঙ্গে তুলনা চলে না। সেই বেদনাটা কিছুটা হলেও ঘুচবে যদি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে।

জাতীয় দল ২০০৩ সালের পর কোনো টুর্নামেন্টে আর চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। যে মানেরই টুর্নামেন্ট হোক না কেন একটা ট্রফি জরুরি হয়ে পড়ে। কোচ না বললেও ঢাকা ছাড়ার আগে অনেক ফুটবলারই স্বীকার করেছেন। গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোতে বলেই ফেললেন ২৩ মার্চের প্রথম ম্যাচটাই আমাদের ফাইনাল। ওদিন কিরগিজস্তানকে হারাতে পারলে ফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে। লাগাতার ভরাডুবিতে অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে এসেছে নেপালের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন হলে তা বড় প্রাপ্তি। এতে সামনে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচগুলোয় উজ্জীবিত হয়ে খেলতে পারবে। তবে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া প্রথম ম্যাচে নাও খেলতে পারেন। ডিফেন্ডার রহমত মিয়া করোনা পজিটিভ হওয়ায় কাঠমান্ডু যেতে পারেনি। সত্যি বলতে কী মিশনটা বাংলাদেশের জন্য কঠিন বলা যায়।

 

২৩ মার্চ, বাংলাদেশ      :               কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩

২৭ মার্চ, নেপাল           :               বাংলাদেশ

২৯ মার্চ ফাইনাল