শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫১, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২

শব্দের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি গতিতে ছুটে চলে যে যাত্রীবাহী বিমান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
শব্দের চেয়ে প্রায় সাত গুণ বেশি গতিতে ছুটে চলে যে যাত্রীবাহী বিমান

হাওয়ার গতিতে নয়, তার থেকেও বহু গুণ বেশি জোরে ছুটতে পারত। চিরাচরিত বিমানের মতো দেখতে নয়। বরং অনেকটা বুলেটের আকারে তৈরি এ যান আদতে একটি রকেট। যার সঙ্গে লাগানো ককপিট। তাতে বসেই উড়ে যেত নর্থ আমেরিকান এক্স-১৫। দক্ষ চালকের হাতে পড়ে যার গতি ছাড়াতে পারত শব্দের থেকে প্রায় সাত গুণ বেশি গণ্ডির সীমানা।

সাধারণ মানুষদের জন্য তৈরি নয়। নর্থ আমেরিকান এক্স-১৫ বিমানটি আসলে রকেটচালিত সুপারসনিক বিমান। এক্স-প্লেন সিরিজের অঙ্গ হিসেবে যেটি গড়ে তুলেছিল আমেরিকার বিমান বাহিনী এবং ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)।

প্রথমবার ৬০ বছরের বেশি আগে আকাশ ছুঁয়েছিল নর্থ আমেরিকান এক্স-১৫। তবে মানবচালিত বিমানের মধ্যে এখনও এটিই সবচেয়ে দ্রুতগামী বলে পরিচিত।

১৯৫৯ সালে প্রথম যাত্রা শুরু করেছিল এই সুপারসনিক। তার পর থেকে ন’বছরে ১৯৯টি টেস্ট ফ্লাইটের সাক্ষী থেকেছে। এক্স-১৫ ওড়ানোর জন্য ১২ জনের একটি দলই তৈরি করেছে আমেরিকার বিমান বাহিনী। তাদের মধ্যে ছিলেন এককালে চাঁদে পা রাখা নীল আর্মস্ট্রং-ও।

শব্দের সঙ্গে কথা বলা এক্স-১৫ চালিয়ে কেমন অনুভূতি হয়েছিল? বিল ডানা নামে এক চালকের কথায়, ‘‘এটাই হল ‘আসল’ বিমান যা ওড়ে।”

নাসার আর্মস্ট্রং রিসার্চ ফ্লাইট সেন্টারের প্রধান ইতিহাসবিদ ক্রিস্টিয়ান গেলজার আবার অন্য অনুভূতির আভাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘সবচেয়ে বেশি স্পিড, সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা এবং সবচেয়ে বেশি ভয়— এ বিমান ওড়ালে এই সবেরই অনুভতি একসঙ্গে হয়েছিল।”

মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে পরীক্ষা-নিরীক্ষামূলকভাবে ৬০টি বিমান তৈরি করেছিল আমেরিকার বিমান বাহিনী এবং নাসা। তাদের মধ্যে ‘এক্স’ সিরিজের এই বিমানগুলোও রয়েছে। ১৯৫২ সাল থেকে এর উৎপাদন শুরুর সময় এক্স-১৫ সুপারসনিকের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০ মাইল। তবে লক্ষ্য ছিল আরও উঁচু। শব্দের চেয়েও পাঁচ গুণ বেশি গতি। অর্থাৎ ম্যাক ৫ বা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪ হাজার মাইল।

গেলজার জানিয়েছেন, গতির লক্ষ্যে পৌঁছতে ঝুঁকিও কম ছিল না। তাঁর কথায়, “এ ধরনের বিমানকে সাধারণ বিমানের তুলনায় আরও উঁচুতে উড়াতে হবে। ভূপৃষ্ট থেকে আড়াই লাখ ফুট উঁচুতে ওড়ানোই লক্ষ্য ছিল আমাদের। আর সেটি যে বড়সড় ঝুঁকি নেওয়া, তা বলার নয়।”

গেলজার জানিয়েছে, রাশিরায় সঙ্গে আমেরিকার ঠান্ডা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটেই এই বিমান তৈরির জন্য গবেষণা শুরু হয়ে গিয়েছিল।

বিমানের গতির মতোই এর উড়ানোর পদ্ধতিও আলাদা। অন্যান্য বিমানের মতো এটি রানওয়েতে দৌড়ে আকাশে রওনা দিত না। বরং একটি মোটরযান করে উঁচুতে নিয়ে গিয়ে কার্যত আকাশের বুকে ছুড়ে দেওয়া হত। ওই মোটরযানটি হল বি-৫২ বম্বার।

কীভাবে আকাশে উড়ত এক্স-১৫? গেলজার জানিয়েছেন, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার এডওয়ার্ড বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে নেভাদা বা ইউটা-র দিকে ঘণ্টায় ৬০০ মাইলেরও বেশি গতিবেগে উড়ে যেত বি-৫২ বম্বার। তবে একা নয়, পেটে থাকত এক্স-১৫। এর পর ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৫ হাজার ফুট উঁচুতে নিয়ে গিয়ে এক্স-১৫’কে আকাশে ছেড়ে দিত। সে সময় আকাশে যেন গ্লাইডারের মতো ভাসতে থাকত ৫০ ফুট লম্বা সুপারসনিক। এরপরই ইঞ্জিন চালু করতেন সুপারসনিকের চালক।

বিমানের উড়ানের মতোই অভিনব এর জ্বালানিও। এর জ্বালানি হিসেবে তরল অক্সিজেনের সঙ্গে অ্যামোনিয়ার মিশ্রণ ব্যবহার করা হত।

আর পাঁচটা বিমানের থেকে যে এটি কতটা আলাদা, তা বোঝা যায় মিল্ট টমসন নামে এক চালকের কথায়। তিনি বলেন, “এটা অন্য বিমানগুলোর মতই আকাশে ভাসত। তবে যখন উপরে উঠতে শুরু করত, তখন মনে হত যেন কারও পরোয়া করে না।”

মিল্ট আরও বলেন, ‘‘যে ক’টা বিমান উড়িয়েছি, তার মধ্যে একমাত্র এই বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে স্বস্তি পেতাম।”

আকাশে ওড়ার মতোই নীচে নামার ক্ষেত্রে ভিন্ন চরিত্র দেখা গিয়েছিল এ সুপারসনিকের। রানওয়ে ছোঁয়ার জন্য বেশির ভাগ বিমান ঘণ্টায় ২০০ মাইল গতিতে প্রস্তুতি নেয়। তবে এক্স-১৫ তা শুরু করত ২০ হাজার ফুট উঁচুতে। সে সময় তার গতি ঘণ্টায় দেড় হাজার ফুট।

এত গতিসম্পন্ন বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি? এখনও পর্যন্ত ২০০টি উড়ানে মাত্র দু’বার জরুরি অবতরণ করতে হয়েছে এই সুপারসনিককে। তার মধ্যে ১৯৬৭ সালে মাইকেল অ্যাডামস নামে এক চালকের প্রাণও কেড়ে নিয়েছে।

তবে ওই দু’টি দুর্ঘটনাকে বাদ দিলে এক্স-১৫’এর নয় বছরের জীবদ্দশায় বিশেয় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে আকাশের পথ ছেড়ে দেয় নর্থ আমেরিকান এক্স-১৫।

অবসর নেওয়ার আগের বছর একটি রেকর্ড গড়ে নেয় সেটি। ’৬৭-এ এই সুপারসনিকের ককপিটে বসে পিট নাইট একে উড়িয়েছিলেন ঘণ্টায় ৪ হাজার ৫২০ মাইল বেগে। অর্থাৎ শব্দের থেকে ৬ থেকে ৭ গুণ বেশি জোরে আকাশে ছুটেছিল নর্থ আমেরিকান এক্স-১৫! সূত্র: আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গড়তে একসঙ্গে কাজ করার চুক্তি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গড়তে একসঙ্গে কাজ করার চুক্তি
এআই কি সত্যি কেনাকাটা ও ভ্রমণের বুকিং করতে পারে?
এআই কি সত্যি কেনাকাটা ও ভ্রমণের বুকিং করতে পারে?
শেয়ার বাজারে আসতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে ওপেনএআই
শেয়ার বাজারে আসতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে ওপেনএআই
সুপার কম্পিউটারে চীনের বাজিমাত
সুপার কম্পিউটারে চীনের বাজিমাত
ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের দাম বাড়াল অ্যাপল
ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের দাম বাড়াল অ্যাপল
বিশ্বকাপ ঘিরে সক্রিয় সাইবার প্রতারকরা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
বিশ্বকাপ ঘিরে সক্রিয় সাইবার প্রতারকরা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ফিনিক্স সামিট ২০২৬'
সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'ফিনিক্স সামিট ২০২৬'
অচেনা নম্বরের মেসেজ চেনা সহজ করবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
অচেনা নম্বরের মেসেজ চেনা সহজ করবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
মানুষের কাছ থেকে বর্ণবাদ ও লিঙ্গবৈষম্য শিখছে এআই: জাতিসংঘের প্রতিবেদন
মানুষের কাছ থেকে বর্ণবাদ ও লিঙ্গবৈষম্য শিখছে এআই: জাতিসংঘের প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট! পরে স্বাভাবিক
হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট! পরে স্বাভাবিক
সর্বশেষ খবর
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

৩০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

৩৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক