শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৩

নান্দনিক বঙ্গবন্ধু স্কয়ার

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

নান্দনিক বঙ্গবন্ধু স্কয়ার

রাজশাহীতে নির্মাণ হচ্ছে নান্দনিক ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’। পুরোদমে চলছে কাজ। আগামী বছরের জুনে নির্মাণকাজ শেষ হবে- আশা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ)। নগরীর প্রবেশপথ তালাইমারী এলাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারটি।

ইতিমধ্যে ৭২০টি পাইলিং সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ম্যাট ঢালাইয়ের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জুনের দিকে শেষ হতে পারে ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ নির্মাণের কাজ, জানিয়েছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) প্রকল্প পরিচালক শেখ কামরুজ্জামান।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে থাকবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, করা হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ। পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন, দর্শন ও সুদূরপ্রসারী ভাবনা সম্পর্কে ধারণা মিলবে। থাকবে চিলেকোঠাও। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করতে রাত-দিন কাজ করছেন শ্রমিকরা।

আরডিএ সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার চেতনা সমুন্নত রাখতে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে। এটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার টাকা। শুধু নির্মাণ কাজের ব্যয় ২৯ কোটি ২৫ লাখ, ৪৫ হাজার ২৪৭ টাকা। বাকি টাকা ব্যয় হয়েছে জমি অধিগ্রহণে। এক দশমিক ৪২ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্কয়ারটির বেজমেন্টের মধ্যে গাড়ি পার্কিং, আর্ট গ্যালারি এবং জলধারা বেষ্টিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। এ ছাড়া ৬ হাজার ৩৩২ দশমিক ৭১ বর্গমিটার বিশিষ্ট গ্রাউন্ড ফ্লোর হবে। যেখানে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, লাইটিং এবং ডিজিটাল স্ক্রিন যুক্ত স্থায়ী আর্ট গ্যালারি এবং মিউজিয়াম থাকবে। ১ হাজার ৫৭৬ দশমিক ৮৬ বর্গমিটার বিশিষ্ট ফার্স্ট ফ্লোরের মধ্যে আধুনিক রেস্তোরাঁ, দৃষ্টিনন্দন ল্যান্ডস্কেপ, উন্মুক্ত স্থানে বসা এবং সুস্থধারার বিনোদনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা থাকবে। 

এ ছাড়া অত্যাধুনিক তিনটি লিফট, জেনারেটর, সোলার প্যানেল এবং ইলেকট্রিসিটি সরবরাহের জন্য সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৫১ মিটার রাস্তারও উন্নয়ন করা হবে। তাছাড়া স্কয়ারের ইন্টিরিয়র ও ল্যান্ডস্কেপিং কাজ হবে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ কেবল রাজশাহী মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধনই করবে না, বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে। এর মধ্য দিয়ে আজ ও আগামী প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে সমুন্নত রাখা হবে।

প্রকল্প পরিচালক শেখ কামরুজ্জামান আরও জানান, এখানে বিভিন্ন জটিলতা ছিল। সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রচেষ্টায় কাজ দ্রুত শুরু করা সম্ভব হয়েছে। তিনি সার্বক্ষণিক দেখভাল করছেন। এখন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।


আপনার মন্তব্য