শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৮

খবর আনন্দবাজারের

হুইলচেয়ার না পেয়ে ধর্ষণের শিকার মেয়েকে কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে বাবা

অনলাইন ডেস্ক

হুইলচেয়ার না পেয়ে ধর্ষণের শিকার মেয়েকে কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে বাবা

না, একটাও স্ট্রেচার ছিল না হাসপাতালে। ছিল না একটাও হুইলচেয়ার। পা ভাঙা ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে  কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতে হলো বাবাকে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে গিয়ে তারা জানতে পারেন সেখানকার এক্স-রে যন্ত্র নষ্ট। তখন কিশোরীকে নিয়ে বাবাকে ছুটতে হয় আলিগড় হাসপাতালে।

কল্পকাহিনী নয়। গত মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতালে। ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে ঢোকার ভিডিও তুলেছিলেন অন্য কোনও রোগীর আত্মীয়-স্বজন। সেই ছবি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা ও নেতিবাচক মন্তব্য করছেন ভারতীয় নেটিজেনরা। 

জানা যায়, ১৯ বছরের এক প্রতিবেশীর কাছে ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। এক পর্যায়ে ওই কিশোরীর হাত ভেঙে দেয়া হয়। পরে অন্যরা এগিয়ে আসলে ওই ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে আহত মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বাবা।

স্থানীয় মারহেরা থানার কর্মকর্তা জিতেন্দ্র ভাদৌরিয়া বলেন, কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৪ ডিসেম্বর একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত অঙ্কিত যাদবকে পরের দিন গ্রেফতারও করে জেলে পাঠানো হয়েছে। ওই কিশোরীকে পাঠানো হয়েছে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য।

তবে এই গাফিলতির ঘটনা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তো বটেই প্রশাসনিক স্তরেও কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। এটা জেলার চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. অজয় অগ্রবাল বলেন, 'হাসপাতালে কোনও স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার নেই, আমার জানা ছিল না। খবরটা পেয়ে আমি ওই হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তাকে স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করে দিতে বলেছিলাম।'

এদিকে, এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা ও নেতিবাচক মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর