Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:৪২

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রবিবার

রাশেদ হোসাইন, জবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রবিবার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল রবিবার। ২০০৫ সালে ২০ অক্টোবর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে শতবর্ষী জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করে সরকার। ২০০৯ সাল থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে ১৬১ বছরের পুরনো এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা, প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, প্রকাশনা উৎসব ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভ উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্যের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রাটি শহীদ মিনার চত্বর হতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে রায় সাহেব বাজার মোড় ঘুরে, বাংলাবাজার ওভারব্রিজ পরিক্রমণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় গেট দিয়ে প্রবেশ করে শেষ হবে। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নিচতলায় চারুকলা বিভাগের উদ্যোগে ‘বার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী’, বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাড়ে ১১টায় নাট্যকলা বিভাগের উদ্যোগে ‘লাল জমিন’ নাটক পরিবেশনা, বেলা সাড়ে ১২টায় সামাজিক বিজ্ঞান ভবন চত্বরে সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ এবং ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচতলায় দিনব্যাপী ‘প্রকাশনা উৎসব’ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিষ্ঠার এই ১৪ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও সামনের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জগন্নাথ কলেজের কালচার পরিবর্তন করা। কলেজ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে থাকে। আর বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান আহরণ এবং পাঠদান দুটি কাজেই করে থাকে। আমারা এটি করতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মেধাবীরা ভর্তি হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও মেধাবী। শিক্ষকদের অনেকে বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে এসেছে। ইউজিসি এবং সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষকরা বিভিন্ন গবেষণায় ব্যস্ত। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারুকলা, সংগীত, নাট্যকলার মত বিষয় খোলার মাধ্যমে সুকুমার বৃত্তির সংস্কৃতির উন্নয়ন ঘটেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় সমস্যা ছিল একাডেমিক সমস্যা ও আবাসন সমস্যা। সরকার আমাদের কেরাণীগঞ্জে ২০০ একর জমি প্রদান করেছে। এখানে মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়েল একাডেমিক ভবন ও আবাসন ব্যবস্থা স্থাপন করা হলে এ বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতাকি মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরিত করা হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের কাজে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ৮৯৯ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা জমা দেয়া হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের কাজ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে; যাতে করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন কার্যক্রম এগিয়ে যায়, যোগ করেন উপাচার্য।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য