শিরোনাম
প্রকাশ : ২ মার্চ, ২০২১ ১৫:৫১
প্রিন্ট করুন printer

ঢাবিতে পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাবিতে পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সীমিত আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। আজ মঙ্গলবার কলাভবন সংলগ্ন বটতলায় দিবসটি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্য জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন। এসময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতে উপাচার্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মার্চ মাস আমাদের মহান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও গৌরবের মাস।

১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা এই মার্চ মাসে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাসহ অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। তাই অনেকগুলো ঘটনার সাক্ষী এই ঐতিহাসিক মার্চ মাসের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

উপাচার্য আরও বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ পরিক্রমায় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের ঐতিহাসিক ঘটনাটি আমাদের স্বাধীন ও সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছিলো। জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনন্য অবদান রয়েছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণার উৎস বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, যা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণ যুগ যুগ ধরে সকলকে এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে। উপাচার্য স্বাধীনতার মৌলিক দর্শন ও চেতনা ধারণ করে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর