Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জুন, ২০১৯ ১৯:১৬

চট্টগ্রামে আউটসোর্সিংয়ে দক্ষতা বৃদ্ধিতে 'ইয়ুথ এনগেজমেন্ট'

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে আউটসোর্সিংয়ে দক্ষতা বৃদ্ধিতে 'ইয়ুথ এনগেজমেন্ট'

দেশে চাহিদা বাড়ছে আউটসোর্সিংয়ের। সঙ্গে বিস্তৃত হচ্ছে এ খাতের নানা শাখা-প্রশাখার। আউটসোর্সিং ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে। তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের দক্ষতা, এ খাতের সাফল্য এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় নানামুখী উদ্যোগ উপস্থাপন করছে। 

বর্তমানে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন ডেভলপিং, ডিজিটাল ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিকস ডিজাইন, প্রোগ্রাম ডিজাইন, ই-কমার্স সাপোর্ট, সফটওয়্যার ডেভলপিং, অ্যাপস তৈরি ও আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করা হচ্ছে। 
         
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখা সূত্রে জানা যায়, তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কল সেন্টার এ্যান্ড আউটসোর্সিং (বিএসিসিও) যৌথ উদ্যোগে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ‘বিসনেস প্রসেস আউটসোর্সিং’ (বিপিও) শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর অংশ হিসাবে দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরে বিপিও ‘সামিট বাংলাদেশ ২০১৯’ শীর্ষক ‘ইউথ এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম’ করে আসছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের অফিসার্স ক্লাবে ‘ইউথ এনগেজমেন্ট’ অনুষ্ঠিত হবে।

বিএসিসিও চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রামে প্রায় পাঁচ হাজার তরুণ-তরুণী আউটসোর্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে আমাদের সংগঠনে নিবন্ধিত আছেন ২০০ জন। প্রতিনিয়ত এ সংখ্যা বাড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘আউটসোসিংয়ে দক্ষতা এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক গ্রাহক থাকলে একজন ফ্রি ল্যান্সার প্রতি মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করার সুযোগ আছে। তাছাড়া সাধারণ একজন ফ্রি ল্যান্সার মাসে অন্তত ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন।’

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখার সহকারি মিশন কান্তি বলেন, ‘চট্টগ্রামের নিবন্ধিত ফ্রি ল্যান্সারগণের উপস্থিতির মাধ্যমে সকাল ১০টায় নগরের অফিসার্স ক্লাবে ইউথ এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে আউটসোর্সিং বিষয়ে অভিজ্ঞরা মতামত দিবেন।’

বিএসিসিও সূত্রে জানা যায়, বিপিও খাতে দেশে বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে সরকার এই খাতে আরো ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের তরুণ অংশকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করে বলে জানা যায়। 

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য