শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:১৬

রাঙামাটির পাহাড় আমের সোনালি মুকুলে সয়লাব

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

রাঙামাটির পাহাড় আমের সোনালি মুকুলে সয়লাব

রাঙামাটির পাহাড়গুলো এখন আমের সোনালি মুকুলে সয়লাব হয়ে আছে। জনপদজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে ভাসছে মৌ মৌ গন্ধ। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারের মতো এবারও রাঙামাটির বিভিন্ন পাহাড়ে আমের বাম্পার মুকুল এসেছে। বরকল, বিলাইছড়ি, লংগদু, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বালুখালী, বন্দুভাঙা, সুবলং, কুতুকছড়ি, মৈত্রীনগর, সাপছড়ি, মগবান, জীবতলীসহ বিভিন্ন পাহাড়ি গ্রামে এবার আমের মুকুল এসেছে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে। জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে পাহাড়ে আমের প্রচুর ফলন হওয়ায় আম চাষের দিকে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের। তারা বলছেন, প্রতি বছর রাঙামাটির পাহাড়ে উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাজারজাত হয় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় কৃষকরা পাহাড়ে বিস্তর আম্রপালির ফলন পেয়েছেন। ফলে পাহাড়িরা দারুণভাবে লাভবান হয়েছেন। এ কারণে আম উৎপাদনে তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। বালুখালী ইউনিয়নের কান্দেবছড়া গ্রামের বাসিন্দা কনা চাকমা জানান, বিগত বছরগুলোতে তিনি তার বাগান থেকে ২ লাখ টাকার আম্রপালি বিক্রি করেছেন।

তিনি পাঁচ বছর আগে মাত্র ১০০টি আম্রপালি চারা লাগিয়ে এ বাগান করেন। এ বছর তিনি লাখোপতি হয়ে যাবেন বলে আশা করছেন।

 খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাহাড়ে আমের আবাদ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন শত শত আম বাগান। কৃষি বিভাগ বলছে, রাঙামাটিতে এ বছর আমের চাষ হয়েছে ২ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে। এদিকে প্রতি বছরের মতো এ বছরও কৃষকদের অভিযোগ, রাঙামাটি জেলায় প্রতি বছর উৎপাদিত প্রচুর ফলমূল সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে কোল্ডস্টোরেজ ও আড়ত না থাকায় কৃষকদের বাধ্য হয়ে কষ্টে উৎপাদিত পণ্য পানির দরে বিক্রি করতে হয়। তাই মৌসুমি ফল উৎপাদনের আগেই পার্বত্যাঞ্চলে হিমাগার স্থাপন করা জরুরি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর