শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ আগস্ট, ২০২১ ২৩:৪৪

অজ্ঞাত ২১ জনের খোঁজ আজও নেয়নি কেউ

পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবির সাত বছর

মাদারীপুর প্রতিনিধি

Google News

আজ পিনাক-৬ লঞ্চডুবির সাত বছর। ২০১৪ সালের আজকের এই দিনে পদ্মায় স্মরণকালের ভয়াবহ নৌ দুর্ঘটনায় আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় পিনাক-৬ নামের একটি লঞ্চ। সরকারি হিসাবে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ থাকে ৬৪ জন। উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে ২১ জনকে মাদারীপুরের শিবচর পৌর কবরস্থানে অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন করা হয়। সাত বছরেও অজ্ঞতনামা ২১ জনের পরিচয় চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। আজও পিনাক-৬ ট্র্যাজেডির কথা মনে পড়লে আঁতকে উঠে যাত্রীরা। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে পদ্মায় ডুবে যায় পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি। ৪৯ জনের লাশ বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করে শিবচরের পাঁচ্চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে আসা হয়। নিখোঁজ হন ৬৪ জন। উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে ২১ জনকে শিবচরের পৌর কবরস্থানে অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন করা হয়। রেখে দেওয়া হয় ২১ জনের ডিএনএ টেস্টের নমুনা। তবে এই সাত বছরেও কেউ শনাক্ত করতে আসেনি লাশগুলোর। পিনাক ট্র্যাজেডির কথা মনে পড়লে আজও ভয়ে গা শিউরে ওঠে। আর যেন পিনাক-৬-এর মতো দুর্ঘটনা না ঘটে এমনটাই কাম্য সাধারণ যাত্রীদের। শিবচর পৌরমেয়র আওলাদ হোসেন খান জানান, ‘পিনাক-৬ লঞ্চডুবিতে উদ্ধার করা যেসব লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি তা পৌর কবরস্থানে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে দাফন করা হয়। তবে এ পর্যন্ত লাশের খোঁজে কেউ আসেনি।’ শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘পিনাক-৬ লঞ্চডুবিতে অনেকেই মারা গেছেন। লঞ্চডুবিতে নিখোঁজও হয়েছেন প্রায় অর্ধশত মানুষ। যে লাশগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি তাদের ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচলে কঠোর রয়েছে প্রশাসন।

আমরা সব সময়ই লঞ্চ মালিক ও শ্রমিকদের নির্দেশ দিয়েছি অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে যাত্রী পারাপার না করতে। নিয়মিত লঞ্চে জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামসহ লাইফ জ্যাকেট বয়া লঞ্চে রয়েছে কি না সে ব্যাপারে নিয়মিত মনিটরিং করছি।

ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারণে পদ্মায় প্রাণ হারান দুই শতাধিক যাত্রী। যাতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে লঞ্চ চলাচল না করে এমনটাই দাবি সাধারণ যাত্রীদের।

এই বিভাগের আরও খবর