শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০২১ ১৮:৩৯
আপডেট : ২০ জুন, ২০২১ ১৮:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

করোনা ঝুঁকিতে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছেন শ্রমিকরা

ভ্যাকসিনের আওতায় আনা না হলে হুমকিতে পড়বে বন্দর

বেনাপোল প্রতিনিধি

করোনা ঝুঁকিতে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছেন শ্রমিকরা
প্রতীকী ছবি
Google News

করোনাকালীন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছে হাজার হাজার শ্রমিক। এজন্য কর্মরত শ্রমিকসহ বন্দর ব্যবহারকারী প্রায় ৭ হাজার সদস্যকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা না হলে হুমকির মুখে পড়বে বেনাপোল বন্দর। 

বন্দরের পণ্য আমদানি-রফতানির সাথে বন্দরের শ্রমিক ছাড়াও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিএন্ডএফ এজেন্ট মালিক কর্মচারী, ট্রান্সপোর্ট মালিক শ্রমিক, ট্রাকের চালক ও সহকারীসহ প্রায় ৭/৮ হাজার বিভিন্ন পেশাজীবি।

সরকার বছরে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে বেনাপোল থেকে। কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা এবং করোনা ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ভারতীয় ট্রাক চালকদের পাশে থেকে কাজ করতে হয় শ্রমিকসহ বন্দর ব্যবহারকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭ হাজার জনকে। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

ফলে আক্রান্তের হার ক্রমশ বাড়ছে। এজন্য বন্দরের প্রতিটি শ্রমিকসহ সকল সদস্যদের সরকারিভাবে টেস্ট এবং একই সঙ্গে ভ্যাকসিনের আওতায় নেওয়া খুবই জরুরি। বেনাপোল বন্দরে করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দুই দেশের পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক ও হেলপারদের মধ্যে নেই কোনো স্বাস্থ্য সচেতনতা।

এতে বেনাপোলে বেড়ে গেছে সংক্রমণ ঝুঁকি। ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাক চালকরা সরাসরি প্রবেশ করছেন বেনাপোল বন্দরে। এ কারণে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর করা জরুরি। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন তরফদার বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনা ভ্যারিয়েন্ট বেড়ে যাওয়ার কারণে বেনাপোল বন্দর এলাকায় সংক্রমণ ঠেকাতে অবিলম্বে টিকা প্রদান কর্মসূচি চালু করা দরকার।

বিডি প্রতিদিন/এমআই