২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৬:০৯

রংপুরে করোনা শনাক্তের হার ২৮ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরে করোনা শনাক্তের হার ২৮ শতাংশ

রংপুর বিভাগে করোনা শনাক্তের হার একদিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে। গতকাল বুধবার রংপুর বিভাগে করোনা শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশে। তা বেড়ে বৃহস্পতিবার হয়েছে ২৮ শতাংশ। এক লাফে শনাক্তের হার দ্বিগুণ হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ চিন্তিত। স্বাস্থ্য বিভাগ মনে করছে করোনা পরীক্ষা জনগণকে বেশি করে সম্পৃক্ত করতে পারলে শনাক্তের হার আরও বাড়বে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের কেউ মারা যাননি। 

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের আট জেলার ২৫ জনের দেহের নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৮ শতাংশ। শনাক্তের মধ্যে রংপুরে ২, নীলফামারীতে ২ জন, দিনাজপুরে ২ এবং গাইবান্ধায় ১ জন রয়েছেন। 
বিভাগের অন্য ৪ জেলা পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কারও দেহে করোনা শনাক্ত না হলেও শতকরা হারে শঙ্কিত স্বাস্থ্য বিভাগ। এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৪ হাজার ৮৩৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৩২ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৮০ জনের। 

রংপুর বিভাগে করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে। এ জেলায় সর্বোচ্চ ৩৪১ জন মারা গেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে রংপুর জেলায়। পঞ্চগড়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৮৪ জন, নীলফামারীতে ৯২ জন, লালমনিরহাটে মারা গেছেন ৭৫ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে মারা গেছেন ২৫৯ জন, গাইবান্ধা জেলায় ৬৫ জন ও কুড়িগ্রামে মারা গেছেন ৬৯ জন। 

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, অনেকে জ্বর-সর্দি জনিত কারণে মারা যাচ্ছেন। তাদের অনেকেই হয়তো করোনা আক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু পরীক্ষা না করার কারণে তাদের করোনা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সতর্ক না হলে এভাবেই করোনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। জ্বর-সর্দি হয়েছে এমন মনে করে অনেক রোগী করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না। এটি ভাল লক্ষণ নয়।   

বিগত কয়েকদিন করোনা সংক্রমণের হার কম দেখা দেয়ায় বাজার, রাস্তা-ঘাটে চলাচলরত মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কোনো প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি। মাস্ক ছাড়াই সর্বত্র মানুষজন চলাচল করছে। এতে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ছে। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম লেলিন বলেন, করোনা সংক্রমণের হার ২৮ শতাংশ উঠেছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিকল্প নেই।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর