শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:৪৪

নীলফামারী সদর হাসপাতাল

অধিকাংশ বেড ফাঁকা সুনসান পরিবেশ

নীলফামারী প্রতিনিধি

অধিকাংশ বেড ফাঁকা সুনসান পরিবেশ

গত কয়েক দিনে একেবারে বদলে গেছে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের দৃশ্য। নেই শোরগোল কিংবা রোগীর চাপ। পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। কিছুদিন আগে হাসপাতালে শয্যা সংকুলান না হওয়ায় মেঝে এমনকি বারান্দায় থেকেও চিকিৎসা নিতে হতো। এখন তেমনটি চোখে পড়ে না। ২৫০ শয্যার হাসপাতালের অনেক বেডই পড়ে আছে ফাঁকা।

ওয়ার্ডবয় জাকির হোসেন বলেন, এরকম চিত্র সাধারণত আমাদের চোখে পড়ে না। করোনা প্রভাবের কারণে এমনটি হয়েছে। সিনিয়র স্টাফ নার্স আফরোজা খাতুন বলেন, রোগীর চাপ আগে সামলানো যেত না। সেরকম পরিবেশ এখন নেই। তিনি বলেন, হাসপাতালের ওষুধ নিয়ে বাড়িতে থেকে সুস্থ হওয়ার মতো রোগীরা এখানে থাকছেন না। যাদের থাকতেই হবে তারাই শুধু থাকছেন। এ হাসপাতালে গত সোমবার ৮৫, রবিবার ৬৯ এবং শনিবার ১০৭ জন ভর্তি ছিলেন। হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, করোনা সন্দেহে আসা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা একটি ইউনিটে কাজ করছেন একজন চিকিৎসক, একজন নার্স এবং একজন ওয়ার্ডবয়। এই ইউনিটের দায়িত্বরতরাই আপাতত ব্যবহার করছেন পিপিই। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মেজবাহুল হাসান চৌধুরী জানান, করোনাভাইরাসের আতঙ্ক অনেকটা প্রভাব ফেলেছে হাসপাতালের রোগীর সংখ্যার তালিকায়। নিতান্তই যাদের এখানে থেকে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন তারাই শুধু থাকছেন। অন্যরা আউটডোরে পরামর্শ এবং ওষুধ নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন। আবার টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে অনেকে বাসায় বসেই চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। মেজবাহুল হাসান জানান, এই হাসপাতালের জন্য ১ হাজার পিপিইর চাহিদা দেওয়া হয়েছিল। পেয়েছি ১০০টি। এর মধ্যে ৭০টি ব্যবহার হয়েছে। আপাতত যারা করোনা সন্দেহের রোগীর চিকিৎসা করবেন তারাই এই পিপিই ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন। নীলফামারীর সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মণ বলেন, জেলায় ১ হাজার ৭টি পিপিই মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ২৭১টি বিতরণ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ জেলায় নতুন করে কেউ হোম কোয়ারেন্টাইনে যাননি। গতকাল পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১৬২ জন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর