শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:২৪

ইটভাটায় ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ইটভাটায় ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি
ইটভাটার জন্য কাটা হচ্ছে ফসলি জমির মাটি -বাংলাদেশ প্রতিদিন

ফসলি জমির মাঝখানে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। পাশের জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে এ ভাটায়। জমি উঁচু-নিচু হয়ে যাওয়ায় অন্যরাও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ চিত্র পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার। বিলের ওপর ইটের আধলা ও মাটি ফেলে তৈরি করা হয়েছে ইট-মাটি পরিবহনের রাস্তা। ১০-১২টি ট্রাক্টর দিনরাত মাটি টানছে। সড়কের ধুলায় নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকান্ডসিলেট মহাসড়কের পাশে সরাইলের রাজাবাড়িয়াকান্দি এলাকায় শাহবাজপুর মৌজায় ৩-৪টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে। এক ভাটা মালিক ১২ কানি ফসলি জমির মাটি কিনেছেন ১৮ লাখ টাকায়। শর্ত হচ্ছে ৫ ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি কেটে আনবেন। এতে হারিয়ে যাচ্ছে জমির উর্বরা শক্তি। মাটি কেটে নেওয়া জমির গভীরতা বেড়ে পাশের জমির চেয়ে নিচু হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে পাশের ফসলি জমির মাটি নিচ্ছেন আরেক ভাটা মালিক। একাধিক কৃষক বলেন, সারা দিন মাটি নিয়ে ট্রাক্টর চলছে। ধুলা উড়ে জমিতে স্তূপ আকারে পড়ছে। ধান গাছ নষ্ট হয়ে যাবে। ভাটা মালিকরা প্রভাবশালী-আমাদের কথা শোনেন না। দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। ইটভাটা মালিক বাবুল মিয়া বলেন, আইন জেনেই কৃষকরা বিক্রি করছেন। আমরা ক্রয় করছি। সরাইলের ইউএনও আরিফুল হক মৃদুল বলেন, ফসলি জমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী কাজ। স্বেচ্ছায় কেউ মাটি দিলে কিছুই করার থাকে না। ট্রাক্টরের ধুলায় ফসল নষ্ট হওয়ার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, সরাইল উপজেলায় ৩৪টি ইটভাটায় চলছে উৎপাদন। এর মধ্যে ১১টিই অবৈধ।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর