শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জুন, ২০১৯ ২১:০৮
আপডেট : ২৪ জুন, ২০১৯ ২২:৩৫

পুলিশের চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই, পরে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পুলিশের চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই, পরে উদ্ধার

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ১০ রাউন্ড গুলিসহ পুলিশের একটি পিস্তল খোয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনার পর বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীর বাড়ির একটি নারকেল গাছ থেকে গুলিসহ ওই পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই সংঘর্ষে তিন পুলিশ সহ উভয় পক্ষের ১৯ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৪ জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যান্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বড় ডালিমা গ্রামের হাকিম হাওলাদারের সাথে একই বাড়ির কামাল হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সোমবার সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে কামাল হোসেন তার লোকজন নিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করতে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষ হাকিম হাওলাদার বাধা দেয়। এ ঘটনা হাকিম হাওলাদার বাউফল থানাকে জানালে ৩জন পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর কামাল হোসেনের পক্ষের ফারুক হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয় এবং ফিরোজ হাওলাদার মাঈনুদ্দিন নামে এক এএসআই’র কোমর থেকে ১০ রাউন্ড গুলি সহ পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। এ খবর পেয়ে বাউফল থানার ওসি খন্দোকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালায়। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ফিরোজের বাড়ির একটি নারকেল গাছ থেকে লুণ্ঠিত গুলি ও পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন, সেরাজ হাওলাদার (৬০), আবু বকর (২৫), মাকসুদা বেগম (৩৫), সহিদুল
(১৮), বিউটি বেগম (৪৫), হালিম হাওলাদার (২০), অলিল (১৫), মনোয়ারা (৭০), নাজমা (৩৫), ইমরান (২০), কামাল (৪৫), আলম (৫২), মকবুল (৬০), দুলাল (৩৫), নিলুফা (৪০) এবং নূরভানু (৫৫)। 

বাউফল থানার ওসি খন্দোকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় একপক্ষ পুলিশের চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে অস্ত্র নিয়ে যায়। অভিযান চালিয়ে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন ওসি।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য