Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০১৯ ১৫:০৯

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, গাইবান্ধার সঙ্গে ৩ উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ

রেল লাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ ট্রেন চলাচল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, গাইবান্ধার সঙ্গে ৩ উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ

গাইবান্ধায় প্রতিনিয়তই বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে কদতমতলী এলাকায় সড়ক বিভাগের ব্রিজ ধসে যাওয়ায় জেলা শহরের সাথে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার  সড়ক যোগাযোগ আজ বুধবার সকাল থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ভরতখালির ভাঙ্গা মোড় এলাকায় ওয়াপদা বাঁধ সংলগ্ন গাইবান্ধা-বাদিয়াখালী  সড়কের ৪০ ফুট রাস্তা ধসে যাওয়ায় মঙ্গলবার রাত থেকে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার সাথে জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে ত্রিমোহনী রেল স্টেশন এলাকায় রেল লাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আজ বুধবার বেলা ১১ টা থেকে গাইবান্ধার সাথে বোনারপাড়া স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে রেলওয়ে বিভাগ।

এছাড়া ঘাঘট নদীর পানির চাপে সাদুল্যাপুর উপজেলার পুরান লক্ষ্মীপুর এলাকায় বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ‘ব্রহ্মপুত্রের পানি রেকর্ড ভেঙ্গে বিপদসীমর ১৪২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে’।  ১৯৯৫ সালের পর গাইবান্ধা শহরে এবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করায় শহরের ১০টি পাড়া-মহল্লা তলিয়ে গেছে। আজ বুধবার সকালে শহরের বাংলা বাজার এলাকায় পুলিশ লাইন্স মাঠ, অস্ত্রাগার, রেশন স্টোর, রিজার্ভ অফিস এবং মসজিদেও পানি উঠে পড়েছে।

জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের বন্যায় সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ৩২টি ইউনিয়নের ২২৪টি গ্রামের ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৬৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৯ হাজার ২৩০টি। বন্যা কবলিত মানুষের আশ্রয়ের জন্য ১১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে আশ্রয় নিয়েছে ৪২ হাজার ১০২ জন। 

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য