শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:৩৫
আপডেট : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ২১:৫৮

সেন্টমার্টিন থেকে মালয়েশিয়াগামী ১২২ রোহিঙ্গা উদ্ধার

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সেন্টমার্টিন থেকে মালয়েশিয়াগামী ১২২ রোহিঙ্গা উদ্ধার

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের অদূরে সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে চার মাঝিমাল্লাকে ১২২ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এসময় একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে শিশু ১৫, নারী ৫৯ ও পুরুষ ৪৪ জন রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফের সেন্টমার্টিন থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। 

এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এম সোহেল রানা। তিনি জানান, দুপুরে স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এসময় ১৫ শিশু, ৫৯ নারী ও ৪৪ জন পুরুষসহ ১১৮জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় একটি মিনি কার্গো ট্রলারসহ চার মাঝিমাল্লাকে আটক করা হয়েছে।

মাঝিমাল্লারা হলেন, বালুখালী ক্যাম্পের আমান উল্লাহ (৪৩), একই ক্যাম্পের জাহাঙ্গীর আলম (৩৬), একই ক্যাম্পের আতাউল্লাহ (২৬) ও থাইংখালী ক্যাম্পের মো. ইসলাম (৩২)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া যাত্রীরা উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন। 
তাদের টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

উদ্ধার যাত্রীরা জানান, দালাল মালয়েশিয়া অবস্থানরত রোহিঙ্গা হামিদ, ক্যাম্পের দালাল কেফায়েত উল্লাহ, সদর রাজারছড়া এলাকার আরব আলী ও নুরুল আমিনের মাধ্যমে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বাহির করে আনা হয়। তাদের টেকনাফের বাহারছড়া নোয়াখালী বাঘঘোনাসহ বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ট্রলারে তুলে দেওয়া হয়। মালয়েশিয়া অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে স্থানীয় দালাল চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ট্রলারে তুলে দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। বাকি টাকা মালয়েশিয়া পৌঁছানোর পর তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, সেন্টমাটিন থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা ১১৮জন মালয়েশিয়াগামী রোহিঙ্গাসহ চার মাঝিমাল্লাকে আটক করেছেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক স্থানীয় দালালের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য জড়ো করে। তাদের পুলিশে সোর্পদ করা হলে তাদের স্ব-স্ব রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য