শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৭:৫২

শেরপুরে গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশনের সাধারণ সভা

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশনের সাধারণ সভা

শেরপুরের শ্রীবরদীতে গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশের ১২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার শেষ হয়েছে। উপজেলার হাড়িয়াকোনা ব্যাপ্টিস্ট মন্ডলীতে চার দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হলো। ‘বিশ্বাসই জীবনের বৈশিষ্ট্য’ মূল সুরের মধ্য দিয়ে এ সভার মূল বচন ছিলো ‘অবশেষে, হে ভ্রাতৃগণ, যা যা সত্য, যা যা আদরণীয়, যা যা ন্যায্য, যা যা বিশুদ্ধ, যা যা প্রীতিজনক, যা যা সুখ্যাতিযুক্ত, যে কোনো সৎ গুণ ও যে কোনো কীর্তি হোক, তা সব কিছু আলোচনা কর’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশের জিবিসির সভাপতি পাস্টার পংকজ চাম্বু গং, জেনারেল সেক্রেটারি পাস্টর অভয় চিসিম, শ্রীবরদী উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমাসহ জিবিসির নেতৃবৃন্দ।

সভায় হিসাব-নিকাশ, প্রতিযোগিতা, কনভেনশন ভবিষ্যতে কিভাবে চলবে তা পরিকল্পনা করা হয়।  তৈরি করা হয় নতুন নতুন অবগাহিত খ্রিষ্টান। কনভেনশন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পালক মনোনীত করে অভিষেক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে কয়েক হাজার খ্রিষ্ট ভক্ত অংশগ্রহণ করেন। চার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে গারোদের ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী উপজেলার ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা বলেন, গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশ ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর এই ধর্মীয় আয়োজন হয়ে থাকে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট আটটি জেলা এবং ১১টি আঞ্চলিক বিভাগের অধীনে ১৫৭টি চার্চ আছে, গীর্জা ঘর আছে, যা সেটারের সমন্বয়ে গঠিত। ৩৫ হাজার জনসংখ্যা আছে এখানে। প্রতি বছর ধর্মীয় হিসাব-নিকাশ, প্রতিযোগিতা, কনভেনশন ভবিষ্যতে কিভাবে চলবে তা পরিকল্পনা, নতুন নতুন অবগাহিত খ্রিষ্টান তৈরি করা হয়, কনভেনশন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পালক মনোনীত করে অভিষেক দেওয়াসহ বিভিন্ন স্থানে এই সভা হয়ে থাকে পালাক্রমে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য