শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৬
প্রিন্ট করুন printer

জমজমাট বগুড়ার পোড়াদহ মেলা, লাখ টাকায় বিক্রি হলো বাঘাইড়

আব্দুর রহমান টুলু, বগুড়া

জমজমাট বগুড়ার পোড়াদহ মেলা, লাখ টাকায় বিক্রি হলো বাঘাইড়

বগুড়ায় বিভিন্ন প্রজাতির বিশাল আকৃতির মাছ নিয়ে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে পোড়াদহ মেলা শেষ হলো। দিনব্যাপী এ মেলায় ৬টি উপজেলার অধিকাংশ মানুষের একটি উৎসবের দিন হিসেবে কেটে যায়। মেলা শেষ হলেও পরের দিন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বউমেলা। 

মেলায় এবার ৭৬ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ বিক্রি হয় ১ লাখ ৫ হাজার টাকায়। এছাড়া আরেকটি বাঘাইড় মাছ বিক্রি হয়েছে ৬০ কেজি ওজনের।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা সাকাত হোসেনের ৭৬ কেজির বাঘাইড় মাছটি দেখতে ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুয়। তিনি ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেছেন বলে জানান। ৎ

অন্যদিকে, মেলায় নজর কেড়েছে ৬০ কেজি ওজনের যমুনা নদীর বিশাল বাঘাইড় মাছটিও। ব্যবসায়ী শুকুর আলী মাছটির দাম হাঁকিয়েছেন ৯০ হাজার টাকা। হরেক রকমের মাছের মধ্যে মেলায় এবার স্থান পেয়েছে তিন কেজির মিষ্টি মাছ। 

মিষ্টি বিক্রেতারা জানান, তিনি মাছ আকৃতির ৩ কেজি মিষ্টি তৈরি করেছেন। এছাড়া তিনি আধা কেজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আকারের মাছ আকৃতির মিষ্টি বিক্রি করছেন। মেলায় প্রচার পেয়েছে যে মিষ্টি মাছ হিসেবে। মিষ্টি তিনি বিক্রি করছেন ৩০০ টাকা কেজি। 

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা সাকাত হোসেনের ৭৬ কেজির বাঘাইড় মাছটি দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে। তিনি ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেছেন।

বগুড়ার পোড়াদহ মেলা কমিটির সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ৪০০ বছর পূর্ব থেকে স্থানীয় সন্ন্যাসী পূজা উপলক্ষে গাবতলীর মহিষাবান ইউনিয়নের গোলাবাড়ী বন্দরের ঐতিহ্যবাহী এই পোড়াদহ মেলা বসে। প্রতি বছর বাংলা সনের মাঘ মাসের শেষ বুধবার মেলাটি হয়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার পূর্বে ইছামতি নদীর তীরে পোড়াদহ এলাকায় এ মেলা বসে। ফলে মেলাটি সবার কাছে পোড়াদহ মেলা নামেই পরিচিত। 

কথিত আছে, প্রায় ৪০০ বছর আগে থেকে এই মেলা হয়ে আসছে। মেলাস্থলে ইছামতি নদীর তীরে একটি বিশাল বটবৃক্ষ ছিল। সেখানে একদিন হঠাৎ এক সন্ন্যাসীর আবির্ভাব ঘটে। পরে সেখানে আশ্রম তৈরি করেন সন্ন্যাসীরা। এক পর্যায়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে স্থানটি পূণ্যস্থানে পরিণত হয়। প্রতি বছর মাঘের শেষ বুধবার ওই স্থানে সন্ন্যাসী পূজার আয়োজন করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। সমাগত হন দূর-দূরাস্তের ভক্তরা। কালের আবর্তে স্থানটিতে লোকজনের উপস্থিতি বাড়তেই থাকে। 

বগুড়া সদর, গাবতলী, ধুনট, সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলাসহ ৬ উপজেলার মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে। উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে লক্ষাধিক মানুষের পদচারনায় মুখরিত এ মেলা। মেলার আশপাশে অবস্থিত গ্রামগুলোতে প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয় স্বজনরা আসেন এই মেলা দেখতে। বগুড়ার গাবতলীর গোলাবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলাকে ঘিরে মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। এলাকার মানুষের ঘরে ঘরে যেন উৎসব বয়ে যায়। মেয়ে জামাইয়ের সাথে আত্মীয় স্বজন এসে ভিড় করে। 

শফিকুল ইসলাম, ইমান আলীসহ একাধিক মাছ বিক্রেতা জানান, প্রতি কেজি গাঙচিতল ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, চিতল ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা, বোয়াল ৭৫০ থেকে ১৫০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, কাতলা ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৮০০ টাকা, হাঙড়ি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, গ্রাসকার্প ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, সিলভার কার্প ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, ব্রিগহেড ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, কালবাউশ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঙ্গাস ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা।

মেলার আয়োজক কমিটির সদস্য গাবতলীর মহিষাবান ইউপি সদস্য সুলতান মাহমুদ জানান, ২০ একর জায়গার উপর ৩ শতাধিক মাছের দোকান, দেড় শতাধিক মিষ্টির দোকানসহ ছোট বড় মিলে ১ হাজার দোকান এখানে বসেছে। 

এদিকে মেলা উপলক্ষে বগুড়া শহরের চাষীবাজার, গাবতলীর অদ্দিরগোলা, ৫ মাইলসহ বিভিন্ন স্থানে মাছের দোকান বসেছে। মেলায় পুরুষদের প্রচণ্ড ভিড় থাকে বলে এলাকার গৃহবধূরা মেলা ঠিকভাবে দেখতে পারেন না। এ কারণে পোড়াদহ মেলার পরের দিন বৃহস্পতিবার এলাকার গৃহবধূ ও বিভিন্ন বয়সের নারীদের জন্য আয়োজন করা হয় বউমেলার। এই মেলায় নারীরাই কেনাকাটা করবেন। 

বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আলী আশরাফ ভূঞা জানান, মেলায় সকল প্রকার নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা। বিশাল আকৃতির মাছের মেলা এই পোড়াদহ মেলা, যা বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে লালন করে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০২:০৩
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

কালিয়াকৈরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি

কালিয়াকৈরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’
প্রতীকী ছবি

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আফসানা আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার মৌচাক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত আফসানা মৌচাক এলাকার আলী আহাম্মদের স্ত্রী।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মৌচাক এলাকায় স্বামীর সাথে অভিমান করে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আফসানা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার এসআই রনি কুমার সাহা জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:৫২
প্রিন্ট করুন printer

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন কিশোর হত্যায় ১২ জন অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন কিশোর হত্যায় ১২ জন অভিযুক্ত
ফাইল ছবি

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিন ‘বন্দি’ কিশোর হত্যা মামলায় কেন্দ্রের চার কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। একইসাথে এ ঘটনায় জড়িত অপ্রাপ্তবয়স্ক অপর চার শিশুর বিরুদ্ধে ‘দোষীপত্র’ দাখিল করা হয়েছে।

শুক্রবার যশোর আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর শহরের চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রকিবুজ্জামান।

চার্জশিটে অভিযুক্ত চার কর্মকর্তা হলেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (সহকারী পরিচালক) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ,  সহকারী তত্ত্বাবধায়ক (প্রবেশন অফিসার) মাসুম বিল্লাহ, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর একেএম শাহানুর আলম ও সাইকো সোশ্যাল কাউন্সিলর মুশফিকুর রহমান।

এছাড়া যে বন্দি চার কিশোরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা হলো গাইবান্ধার খালিদুর রহমান তুহিন, নাটোরের হুমাুন হোসেন, মোহাম্মদ আলী ও পাবনার ইমরান হোসেন। অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তরা হলো- চুয়াডাঙ্গার আনিস, কুড়িগ্রামের রিফাত হোসেন, রাজশাহীর পলাশ ওরফে শিমুল ও পাবনার মনোয়ার হোসেন।

তুচ্ছ ঘটনায় গত বছর ১৩ আগস্ট যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ১৮ বন্দি কিশোরকে কর্মকর্তাদের নির্দেশে নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় তিন কিশোর। আহত হয় ১৫ জন। এ ঘটনায় নিহত পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা রোকা মিয়া বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মো. রকিবুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় ১২ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। চার বন্দি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে কারিগরি প্রশিক্ষক ওমর ফারুকের জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় তার অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০৩
প্রিন্ট করুন printer

বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও এক বন্ধু আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়ারছড়ার মহেশখালী রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেজামউদ্দিনের ছেলে মো. ছোটন (২২) ও রামু উপজেলার গর্জানিয়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে শামসুল আলম (২০)।

আর আহত ব্যক্তির নাম মো. ফারুক। তিনি রামুর গর্জানিয়ার মো. হোসেনের ছেলে। হতাহতরা সবাই বানিয়ারছড়ার একটি গ্রীল ওয়ার্কশপের দোকানে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলের দিকে তিন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে হারবাংয়ের দিকে বেড়াতে যাচ্ছিল। তাদের মোটরসাইকেল বানিয়ারছড়ার আমতলী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ (মিনি ট্রাক) জোরে ধাক্কা দেয়। এসময় ঘটনাস্থলে ছোটন মারা যায়।

পরে মোটরসাইকেল আরোহী শামসুল আলম ও ফারুককে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে শামসুল মারা যান। এসময় গুরুতর আহত ফারুককে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা মহাসড়কের চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে সাতটার দিকে পিকআপের ধাক্কায় তিনজন মোটরসাইকেল আরোহী যুবক গুরুতর আহত হয়। তার মধ্যে দুজন মারা গেছেন।

আরেকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক পিকআপটি পালিয়ে যাওয়ায় জব্দ করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

বাঘের মতো মরতে চাই : কাদের মির্জা

অনলাইন ডেস্ক

বাঘের মতো মরতে চাই : কাদের মির্জা
বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। ফাইল ছবি

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডের ন্যায় বিচারের স্বার্থে জুডিশিয়াল তদন্তের দাবি জানিয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, শিয়ালের মতো মৃত্যু চাই না। সিংহের গর্জন করে বাঘের মতো মরতে চাই।

শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে জনসচেতনতামূলক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা বলেন, সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার ন্যায়বিচার না হলে, বিচারের নামে জজ মিয়া নাটক করা হলে, আমার কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে এবং আমার আটক চার নেতাকর্মীকে মুক্তি দেওয়া না হলে কোম্পানীগঞ্জে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

আর এর দায়ভার নোয়াখালী জেলার ডিসি, এসপি, কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিকে নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পেয়ে দলীয় কর্মকাণ্ড স্থগিত থাকায় করোনা ভ্যাকসিন জনসচেতনতামূলক সমাবেশ করছি। 

তিনি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন। আর আমি যে যে ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিয়েছি সেসব প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইবেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৯
প্রিন্ট করুন printer

নেত্রকোনায় বিসিক শিল্প মেলার উদ্বোধন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনায় বিসিক শিল্প মেলার উদ্বোধন

নেত্রকোনায় ১৫ দিনব্যাপী বিসিক শিল্পমেলা ২০২১ শুরু হয়েছে। সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় বিসিক শিল্প নগরীতে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিসিক জেলা কার্যালয়।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মেলা উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিসিকের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. মোশতাক হাসান।

জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী,  শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মোস্তাক আহমেদ ও নেত্রকোনা বিসিকের ম্যানেজার আক্রাম হোসেন। 

শিল্প মেলা হলেও মেলায় প্রথম দিনেই শিশুদের খেলনা সামগ্রীর স্টলই ছিলো লক্ষ্যনীয়। 

মেলায় মোট একশত স্টল বসানোর কথা রয়েছে। মোট ৫১ টি দোকানের প্যান্ডেল রয়েছে। মেলা চলবে আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিসিকের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. মোশতাক হাসান বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলার চেয়ে নেত্রকোনা বিসিক পিছিয়ে রয়েছে। যে কারণে এই এলাকাকে শিল্পে উন্নত করতে হবে। মূলত মার্কেটিং করার জন্য এই মেলার আয়োজন। 


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর