শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জুন, ২০২১ ১৭:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

রংপুরে কোরবানিযোগ্য পশু ১৩ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

রংপুরে কোরবানিযোগ্য পশু ১৩ লাখ
ফাইল ছবি
Google News

রংপুর বিভাগে আসন্ন কোরবানি ঈদে চাহিদা মিটিয়ে আড়াই লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। উদ্বৃত্ত এসব পশু দেশের অন্যান্য স্থানের চাহিদা মিটাতে পারবে। এবছর কোরবানি যোগ্য গরু-খাসি রয়েছে প্রায় ১৩ লাখের ওপর। ভারত থেকে গরু না এলে এবার এই বিভাগের খামারিরা লাভবান হবেন। 

রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে ,কোরবানির পশু বিক্রির উদ্দেশ্যে এই বিভাগের আট জেলায় দেড় লাখের বেশি খামারি সাড়ে ৪ লাখের বেশি গরু বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন। এছাড়া ২ লাখের ওপর গৃহস্থ প্রায় ৯ লাখ গরু-খাসি বাজারে বিক্রি করার জন্য তৈরি করেছেন। এর মধ্যে রংপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৩ হাজার খামারে প্রায় দুই লাখের ওপর গরু রয়েছে। 

প্রাণি সম্পদ বিভাগের তথ্য মতে রংপুর বিভাগের আট জেলায় গত বছর পশু কোরবানি হয়েছে ১০ লাখের কিছু ওপরে। এবছর এই বিভাগে কোরবানির উপযুক্ত গরু খসি প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ। এর মধ্যে ছাগল ও ভেড়া রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ। এসব পশু এই বিভাগের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্যস্থানে সরবরাহ করা হবে। কোরবানিতে দেশি জাতের ও শংকর জাতের গরু চাহিদা বেশি থাকায় খামারিরা এ ধরনের গরু স্বাস্থ্য সম্মতভাবে মোটা তাজাকরণ শুরু করেছেন কয়েক মাস আগে থেকে।

এদিকে কোরবানিকে সামনে রেখে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বেপারিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশুর দরদাম করছেন। তবে পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় পশু লালন পালন করতে এবার খরচও হয়েছে অনেক বেশি। সেই কারণে গত বারের তুলনায় এবার পশুর দামও  বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছেন খামারীরা। 
রংপুর নগরীর রবাটসনগঞ্জ মন্ডলপাড়ার শফি মিয়া ৮টি গরু প্রস্তুত করেছে কোরবানি হাটে বিক্রি করার জন্য। তিনি আশা প্রকাশ করে ভারতীয় গরু প্রবেশ না করলে তিনি এবার ভাল দাম পাবেন। 

রংপুর প্রাণিসম্পদ বিভাগীয় অফিসের উপ-পরিচালক  ডা. সিরাজুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে এবার রংপুর বিভাগে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানোর পরেও আড়াই লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। তিনি বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার অনেক বেশি কোরবানি যোগ্য গরু-খাসি রয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর