শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গল্প

শৈশব

Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
শৈশব

আমি তখন খুব ছোট, তোমাদের মতো। ছিলাম গাঁয়ে, গ্রামে। ছবির মতো দেখতে গ্রাম। হ্যাঁ আমার সেই শ্যামল গ্রাম। আমাদের বাসার পিছনে মস্ত একটা পেয়ারা গাছ ছিল। পাকা পেয়ারার লোভে সমস্ত পাখি এসে ভির করত। পাখির কিচিরমিচির ডাকে কান পাতা দায়। টিয়া পাখিও আসত। সারাদিন টি টি টি করত। এমন একটা রহস্যময় পরিবেশে আমার শৈশব শুরু। দেখতে দেখতে বয়স পৌঁছাল আটে। আমার বন্ধু ছিল জুয়েল। আমার প্রথম বন্ধু। জুয়েল, জুয়েল, জুয়েল। আমার প্রথম বন্ধু। খুব মিষ্টি চেহারা। বড় বড় চোখ, খাড়া নাক, মাথা ভর্তি কালো চুল। অল্প কিছুদিনের মধ্যে জুয়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে গেছি। সারা দিন দুজনে মিলে খেলা। খেলা আর খেলা। একদিন দুজনে মিলে নতুন একটা খেলা বের করেছি। পাখি, পাখি খেলা। দুহাত পাখির ডানার মতো উঁচু করে এক দৌড়ে যেয়ে থেমে যাই। কুয়ার মধ্যে দুজনে উঁকি মেরে দেখি। নীল আকাশ মেঘ দেখা যায়। দুজনে মুগ্ধ হয়ে দেখি। একদিন কুয়ার ভিতর উঁকি দিয়ে দুজনে একসঙ্গে ভয়ে চিৎকার করে উঠলাম। দেখি-আকাশের সূর্যটা কুয়ার ভিতর পড়ে গেছে। একটু হলেই আমাদেরও ধরে ফেলত সূর্য। দুজনে চিৎকার করে দৌড়ে পালালাম। খেলতে খেলতে বিকাল শেষ হয়ে সন্ধ্যা হয়ে যেত। মা কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে হাত মুখ ধুয়ে দিতেন। সেটা কি ছিল পৌষ মাস? পৌষ মাস। চারদিক কুয়াশা পড়ত। যেন নরম মসৃণ সাদা চাঁদর দিয়ে পৃথিবীটা ঢেকে দিত। রাত হলে আরও মজা হতো। মা বিছানা করতেন। তখন আনন্দে লাফঝাঁপ করতাম। খুশির হাসিতে সমস্ত ঘর ভাসিয়ে দিতাম। কী আনন্দ হতো তখন। আনন্দ। মা ঘুম পাড়ানোর কবিতা আবৃত্তি করতেন- ‘ছেলে ঘুমাল, পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে। ধান ফুরুলো পান ফুরুলো খাজনার উপায় কী। আর কিছু কাল সবুর কর রসুন বুনেছি।’ কবিতা শেষ হতেই ভূতের গল্পের বায়না ধরতাম। মা শুরু করতেন গা ছম ছম করা ভূতের গল্প। লেপের ভিতরে মাকে জড়িয়ে ধরে উমে শরীর ভরে যেত। গা ছম, ছম করা ভূতের গল্প শুনতে শুনতে কখন যেন ঘুমিয়ে যেতাম। দুপুর রাত। ঘুম ভাঙত। তখন আরও ভয় করত। মনে পড়ত পরীদের কথা। লাল, নীল, হলুদ পরীদের কথা। আমাদের বাসার পাশে প্রাচীন নীল কুঠির। সুরকি দিয়ে গড়া। নীল কুঠিরের ওপর প্রাচীন এক বট গাছ। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে বড় হচ্ছে। কেবল বড় হচ্ছে। কথিত আছে, এই প্রাচীন কুঠির না-কি প্রতি ঈদে একটু একটু করে ডেবে যায়। লাল নীল হলুদ পরীরা পূর্ণিমাতে নীলকুঠির ছাদে নেমে আসে। গান গায়, নাচে। পরীরা নাচে, গা ছম ছম ভয় নিয়েও তাদের নাচ দেখার অপেক্ষা করি। শুধু অপেক্ষা করি। রাত জেগে থাকি। হঠাৎ আমার ঘুম এসে যায়। ভোর হয়ে আসে। পাখি ডাকে। পাখি গান গায়। ভোরের শুভ্র আলো চারদিক ছড়িয়ে যায়। আমার ঘুম ভাঙে। বিছানা ছেড়ে উঠি। মা কুসুম কুসুম গরম পানিতে হাত মুখ ধুয়ে দেয়। ভোর বেলায় বাড়ির আঙিনায় এসে দাঁড়াই। শিউলি তলায় দাঁড়ায়। শত শত শিউলির ফুল ঝরে পড়ে আছে মাটিতে। কী সুন্দর শিউলি ফুল। কী অদ্ভুত সুন্দর। মিষ্টি গন্ধ। এত শোভা এত সৌন্দর্য। আমি এর আগে কখনোই দেখিনি। কখনোই দেখিনি। বাতাসে ছড়িয়ে গেছে ফুলের গন্ধ। ফুলের মিষ্টি গন্ধ। সাদা পাপড়ি আর কমলা রঙের বোঁটা। খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে।

জুয়েলও এসে পাশে দাঁড়ায়। একদিন দুজনে মিলে ঠিক করি- নীলকুঠির দেখতে যাব।

নীলকুঠিরের ভিতর কি যাওয়া যায়?

যাওয়া যায়।

লাল পরী নীল পরী হলুদ পরী নেই তো?

থাকতে পারে। আবার নাও থাকতে পারে।

কোনো ভয় নেই তো?

না।

পরীরা আমাদের গান শুনাবে? নাচ দেখাবে?

আগে দেখাত। এখন দেখায় না। পরীরা মানুষের সামনে আসে না।

একদিন আমরা ফাগুনের দিনে নীলকুঠিরে রওনা হলাম। হাঁটতে হাঁটতে রওনা হলাম। সব কিছু অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। ওই যে আকাশে শঙ্খচিল ডানা মেলে উড়ছে। কত ওপরে উড়ছে। শঙ্খচিল কী আকাশে ছুঁতে পারে?

আমরা এসে পৌঁছালাম নীলকুঠিরের সামনে। মহা আনন্দে দুজনে ঢুকে গেলাম নীলকুঠিরের ভিতরে। জুয়েল একবার চারদিক তাকিয়ে বলল-মস্ত বিল্ডিং। এত সুন্দর ইটের গাঁথুনি। সে কী আনন্দ। কী আনন্দ। কত বড় বড় ঘর। এই ঘরটাতে বোধ হয় লাল পরী থাকে। আর ওই যে দক্ষিণের ঘরটা দেখা যায় সেখানটাতে নীল পরী। হ্যাঁ নীল পরী। ওই তো গলি পথের মতো পথ। এত সুন্দর ইট গাঁথা। অনেক আনন্দ হাঁটতে। আবার হঠাৎ ভয়ে শির শির করে সমস্ত গা।

বের হওয়ার সময় হয়েছে। কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছি না। যে গলি দিয়েই বের হতে চেষ্টা করি ঘুরে ফিরে আবার ভিতরের দিকে চলে যাই। অনেক সময় লাগল পথ খুঁজে পেতে। কত কষ্ট হলো বের হতে। পথ খুঁজে পেতে। কত কষ্ট। বের হয়েই খুব আনন্দ হলো। ওই তো হাওয়া মিঠাইওয়ালা। হাওয়াই মিঠাই! জুয়েল ফিসফিস করে বলল- চল হাওয়াই মিঠাই কিনি। হাওয়াই মিঠাওয়ালা আমাদের দুজনকে দেখে হঠাৎ নেচে উঠল। তার পায়ে রুপালি নূপুর বাঁধা। তার নাচে পায়ের নূপুর রিন রিন ঝিন ঝিন শব্দে বেজে উঠল। হাওয়াই মিঠাইওয়ালার নূপুরের শব্দে চারদিক কেঁপে কেঁপে উঠল। আমরা দুজন হাওয়াই মিঠাই কিনে মহা আনন্দে বাড়ি ফিরছি। বাড়ি ফিরছি। কী মিষ্টি গন্ধ রের হচ্ছে। কখন খাব হাওয়াই মিঠাই? কখন মুখে দিব? বাতাসে মিলাবে না তো? হাওয়াই মিঠাইরের মিষ্টি গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে গেছে। হাওয়াই মিঠাইয়ের স্বাদ আমারে শ্যামল গ্রামের সমস্ত বাতাসে ছড়িয়ে গেছে।

 

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
তালের বড়া
তালের বড়া
শরৎ
শরৎ
নজরুল প্রতিভায়
নজরুল প্রতিভায়
কে সেই ছেলে
কে সেই ছেলে
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
প্রাণপ্রিয় নজরুল
প্রাণপ্রিয় নজরুল
দুখু মিয়া
দুখু মিয়া
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
হাতি-পিঁপড়ার বন্ধুত্ব
হাতি-পিঁপড়ার বন্ধুত্ব
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
কাগজের নাও
কাগজের নাও
সর্বশেষ খবর
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’

এই মাত্র | শোবিজ

নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক
নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক

২ মিনিট আগে | শোবিজ

হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার
হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার

৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের
ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ

২৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই
টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই

২৭ মিনিট আগে | শোবিজ

গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস
গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ
গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা
লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি
সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব
ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড
কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল
বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন