শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০৯

স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি

দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন

সরকারের নীতিনির্ধারকরা স্বাস্থ্য খাতকে যতই সফল বলে দাবি করুন না কেন এর পরতে পরতে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা জেঁকে বসেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের জরিপে বেরিয়ে এসেছিল স্বাস্থ্য খাতে নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতিতে উৎকোচ নেওয়ার তথ্য। দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছিল বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া নিয়েও। গণমাধ্যম বা টিআইবির মতো কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিভাগের দুর্নীতির অভিযোগ তুললে ক্ষমতাসীনরা তা অস্বীকার করার কৌশল নেন, কোনো ব্যবস্থা নেন না। সে সময় টিআইবির জরিপ আমলে নিলে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবাজদের কিছুটা হলেও নিবৃত্ত করা যেত। সংসদের চলতি অধিবেশনে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। ‘খুলনা শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’ বিলের সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় সদস্যরা বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির ডিপোয় পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী আসছেন মন্ত্রী যাচ্ছেন কিন্তু মিঠু সিন্ডিকেট বহাল তবিয়তে রয়েছে। এজন্য সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জবাবদিহি চান তারা। এসব অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তবে মিঠু সিন্ডিকেট নিয়ে একটি কথাও বলেননি। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে তার বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একজন সংসদ সদস্য বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১১২টি মেডিকেল কলেজের তথ্য দিলেন। কিন্তু এগুলোর গুণগত মান কী? সংখ্যা দিয়ে কী করব যদি মান না থাকে! স্বাস্থ্য খাতে অপ্রতুল বরাদ্দ, চরম দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এগুলো কি কমবে? চিকিৎসার খরচ বাংলাদেশে বাড়ছে। স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হলে বিভাগীয় তদন্ত জোরদার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কিছু দুর্নীতিবাজের জন্য

আমাদের স্বাস্থ্য খাতের সব অর্জন ভূলুণ্ঠিত হতে দেওয়া যায় না।


আপনার মন্তব্য