শিরোনাম
শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা

গবেষণার গুরুত্ব

উন্নত জাত উৎপাদনে নজর দিতে হবে

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গবেষণা এবং অঞ্চলভিত্তিক ‘জোন ম্যাপ’ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মাটির উর্বরতা ও পরিবেশ বিবেচনা করে যে ফসল যেখানে ভালো হয় সেখানেই তা চাষাবাদ করতে হবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কৃষি ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি অর্জনে প্রকাশিত ১০০ কৃষিপ্রযুক্তি অ্যাটলাসের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। দেশের কৃষিবিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ধান, পাট, আখ, চা, রেশম, তুলা, বনজ ও মৎস্য সম্পদের থেকে নির্বাচিত প্রযুক্তি অ্যাটলাসে যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে প্রযুক্তিগুলোর প্রয়োগে বেশ কিছু সাফল্যের গল্প, যা হতে পারে কৃষি উন্নয়নে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তবে গবেষণা বাড়ানো গেলে কৃষিপণ্যের গবেষণাকে অধিক মানোন্নয়ন এবং বাজারজাত করা সহজ হবে। সরকার বীজ সংরক্ষণে নরওয়ের সঙ্গে কাজ করছে। আগে ধানের উৎপাদন মূলত আমন মৌসুমের ওপরে নির্ভরশীল ছিল। আশির দশক থেকে বোরো মৌসুমে ধানের উৎপাদন দ্রুত বাড়তে থাকে। পণ্য উৎপাদনের মূলে থাকতে হবে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং দেশ-বিদেশে বাজার সৃষ্টি ও রপ্তানি। বন্যা, খরা, শিলাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, উজানের ঢল, পাহাড়ি ঢল ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং বিশেষ বিশেষ ফসল চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরণে সরকার ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪০২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রণোদনা দিয়েছে। ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ ও পানির সমস্যা সামনের দিনে অনেক বড় আকার ধারণ করবে। সব ধরনের ফসলের উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বাড়ানো যাবে। আমরা আদা, রসুন, পিঁয়াজ, ডাল ও সয়াবিন বিদেশ থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাচ্ছি। এগুলো দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব। আমাদের বিজ্ঞানীদের শুধু চাল ছাড়াও অন্য ফসলগুলোর উন্নত জাত উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।

সর্বশেষ খবর