শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ মার্চ, ২০২১ ২৩:০৭

করোনাভাইরাস চিকিৎসা

আইসিইউর প্রস্তুতি গড়ে তুলুন

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। হতাশার মধ্যে আশার কথা এতটুকুই, বাংলাদেশে করোনার প্রথম থাবার মতো দ্বিতীয় থাবাও ইউরোপ আমেরিকার চেয়ে সীমিত। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দুটি বড় দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়েও নিয়ন্ত্রণে। স্বস্তির আরেকটি দিক হলো দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হয়েছে জোরেশোরে। ফলে করোনার দ্বিতীয় থাবা প্রথম থাবার চেয়ে সীমিতই থাকবে আশা করা যায়। এক বছরের ব্যবধানে আবারও করোনা নামের মহামারীর যে ঢেউ প্রবাহিত হচ্ছে তা থামাতে চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে সবচেয়ে বেশি। ইতিমধ্যে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় ফের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) সংকট দেখা দিয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউর ব্যবস্থা করতে বিপাকে পড়ছেন স্বজনরা। সোমবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে মাত্র পাঁচটি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় ৪৭টি আইসিইউ শয্যা ফাঁকা ছিল। গত বছর আইসিইউ নিয়ে যে হাহাকার দেখা দিয়েছিল এবারও খুব একটা বদলায়নি সে চিত্র। বরং বেশ কিছু হাসপাতালকে নন-কভিড ঘোষণা করায় আইসিইউ শয্যা হ্রাস পেয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে এখনই আইসিইউ শয্যা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সোমবার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটে কোনো আইসিইউ ফাঁকা ছিল না। অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে পাঁচটি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৪৭টি আইসিইউ খালি থাকলেও পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে এমন আশঙ্কার কথা মনে রেখে আরও বেশি আইসিইউর প্রস্তুতি থাকা উচিত। পাশাপাশি করোনা রোধে মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারেও সচেতন থাকতে হবে।

এ ব্যাপারে কোনো হেলাফেলাই কাম্য হওয়া উচিত নয়।


আপনার মন্তব্য