শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

বিদেশপন্থি রাজনীতির বিপদ

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
বিদেশপন্থি রাজনীতির বিপদ

গ্লোবাল সাউথ তথা পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি প্রায়শ অন্য কোনো দেশের নীতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। দেশগুলোর স্বাধীন-সার্বভৌম অস্তিত্ব সর্বস্বীকৃত হলেও রাজনীতি পুরোপুরি স্বাধীন হতে পারে না বা হতে চায় না। আর্থসামাজিক পরিস্থিতি, ভৌগোলিক আয়তন ও অবস্থান এবং ক্ষেত্রবিশেষে ঐতিহাসিক কারণে তুলনামূলকভাবে ছোট দেশগুলোতে দানা পাকিয়ে ওঠে প্রক্সি পলিটিক্স। এই শ্রেণির রাজনীতিবিদরা কিছুটা জেনে, কিছুটা না জেনে অন্য কোনো দেশের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে সহায়তা করে। ১৯৯০ দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার আগপর্যন্ত দ্বিমেরু বিশ্বে দুই ভাগে বিভক্ত ছিল দুনিয়ার দেশগুলো। পাকিস্তান বরাবরই ছিল আমেরিকার ছাতার নিচে। ইন্ডিয়া সমাজতান্ত্রিক দেশ না হলেও মস্কোর দিকে হেলেছিল। বাংলাদেশ পাকিস্তান আমলে আমেরিকানপন্থি, স্বাধীনতার পর মস্কোপন্থি ভায়া দিল্লি। পঁচাত্তর-পরবর্তী খোন্দকার মোশতাক আমলে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে পড়ে বাংলাদেশের সরকার। তখন কিছু দিনের জন্য হলেও পাকিস্তানি ঝোঁক তৈরি হয়েছিল। বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে তখন পাকিস্তানপন্থি চিন্তার প্রকাশ দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল। পরে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজনীতির এই বিপজ্জনক প্রবণতা অনেকটাই রূখে দেন। ভারত ও পাকিস্তান- উভয় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করার নীতি গ্রহণ করে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এরূপ হলেও রাজনীতির মাঠে পন্থি রাজনীতি বা প্রক্সি পলিটিক্স ছিল।

নিজ দেশে বিদেশপন্থি রাজনীতির বিপদ কতটা ভয়ানক হতে পারে সমকালীন বিশ্বে তার বহু জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে। সিরিয়া, লিবিয়া ও ইরাকে মানবিক সংকট তীব্ররূপ পরিগ্রহ করেছে। গৃহযুদ্ধে ইয়েমেন বিভক্ত ও ক্ষতবিক্ষত। ইউক্রেন পরিস্থিতি সম্পর্কেও কমবেশি ধারণা আমাদের রয়েছে। ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করলেও রাশিয়ার খবরদারি থেকে বের হতে পারেনি। রাশিয়া ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের মতো নেতা ও তাঁর অনুসারীদের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত তথাকথিত গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের মানচিত্র থেকে ক্রিমিয়াকে ছেঁটে দখল করে নিতে সক্ষম হয়। ইয়ানুকোভিচ ২০১০ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইউক্রেনের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর সরকার ইউক্রেনের জনগণের পরিবর্তে মস্কোর স্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে শুরু করেছিল। আর স্বশাসিত ক্রিমিয়ায় ছিলেন সের্গেই আকসেনভের মতো মস্কোর দালাল প্রক্সি পলিটিশিয়ানের দল। এরা তথাকথিত গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়াকে ক্রিমিয়া ভূখণ্ডটি উপহার দেওয়ার পক্ষপাতী ছিল। এরাই গোপনে ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীকে ডেকে নিয়ে এসেছিল। সের্গেই আকসনভের রাজ্য সরকার ও রাশিয়ার সৈন্যদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত তথাকথিত গণভোটে দেখানো হয়েছিল, ক্রিমিয়ার ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটার ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায় এবং তারা রুশ ফেডারেশনে যোগ দেওয়ার পক্ষপাতী। ফলে ক্রিমিয়া রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক সমাজ ক্রিমিয়ার এই গণভোটের বৈধতা স্বীকার করে না।

প্রক্সি পলিটিক্স শেষ বিচারে কখনো কোনো জাতির ভালো করতে পারে না। এই শ্রেণির রাজনীতিবিদের হাতে পড়ে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল কত দেশে যে অশান্তির আগুন জ্বলছে তার ইয়ত্তা নেই। এরা সব সময় মুখে বড় বড় কথা বলে। হাজির করে নানান তত্ত্ব। নতুন নতুন কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করে। রুদ্ধ করে দেয় জাতীয় ঐক্য ও অগ্রসরতার পথ

বিদেশপন্থি রাজনীতির বিপদবস্তুত ইউক্রেনের আজকের যে সংকটজনক পরিস্থিতি তার মূলে রয়েছে প্রক্সি পলিটিক্সের অভিশাপ। মার্কিন-সোভিয়েত শীতল যুদ্ধের সময়কার তৃতীয় বিশ্ব তথা বর্তমান গ্লোবাল সাউথের অনেক দেশের জনগণের ভাগ্য বিড়ম্বনার দায় পন্থি বা প্রক্সি পলিটিক্সের সর্বাধিক। এই ধারার রাজনীতি যারা করেন, তারা নিজের দেশকে অন্য কোনো দেশের ক্লায়েন্ট স্টেটে পরিণত করতে চায়। কখনো কখনো ক্রিমিয়ার নেতাদের মতো নগ্ন দালালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে এরা কুণ্ঠা বোধ করে না। এরা জনগণকে বিভ্রান্ত করে। সেটা করতে ব্যর্থ হলে বিভক্ত করে।

এই জায়গাটায় আফগানিস্তান প্রসঙ্গে খানিকটা আলোকপাত করা বাঞ্ছনীয় মনে করি। আফগানিস্তানে সংকটের শুরু ১৯৭৮ সালে বহিঃশক্তি প্রভাবিত কমিউনিস্ট অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নূর মোহাম্মদ তারাকির ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে। আফগানিস্তানে এই বিপ্লবের নাম দেওয়া হয়েছিল সাউর (Saur revolution) বিপ্লব নামে। পশতু বর্ষপঞ্জিকায় সাউর একটি মাসের নাম, যেটা ইংরেজি মে মাসে এসে থাকে। সহজভাবে বললে সেটা ছিল মে বিপ্লব। সেই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেয় সমমনা দুটি দল। নূর মোহাম্মদ তারাকি ও হাফিজুল্লাহ আমিনের নেতৃত্বাধীন খালক্ব পার্টি ও বাবরাক কারমালের পরচম পার্টি। আফগানিস্তানের তখনকার প্রেসিডেন্ট দাউদ খানকে সপরিবার হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেন নূর মোহাম্মদ তারাকি। তারাকির খালক্ব পার্টি ও বাবরাক কারমালের পরচম পার্টি মিলে গঠন করা হয় আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি। যার ইংরেজি নাম দেওয়া হয়েছিল পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আফগানিস্তান (পিডিএ)। ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মাথায় তারাকিকে হত্যা করে ক্ষমতা কেড়ে নেন তারই সহচর হাফিজুল্লাহ আমিন।

হাফিজুল্লাহ আমিনের ওপর সোভিয়েত নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হয়ে আসার উপক্রম হলে দৃশ্যপটে আসেন বাবরাক কারমাল। তার আগেই সোভিয়েত সৈন্য আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায়। মস্কোর শতভাগ পুতুল বাবরাক কারমাল। তা সত্ত্বেও মিখাইল গর্বাচেভ মস্কোর ক্ষমতায় বসে বাবরাক কারমালকে সরিয়ে ১৯৮৬ সালে কাবুলের ক্ষমতায় বসায় ড. নজিবুল্লাহকে। এরই মধ্যে গর্বাচেভ শুরু করেন পেরোস্ত্রইকা (পুনর্গঠন) ও গ্লাসনস্ত (সংস্কার) কর্মসূচি। ফলে ড. নজিবুল্লাহর পুতুল সরকারের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে যায়। কাবুলে সোভিয়েত সাহায্য হ্রাস পায়। ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে তুলে নেওয়া হয়। ড. নজিবুল্লাহর পাপেট সরকার এতিম সরকারে রূপ লাভ করে।

সোভিয়েত আগ্রাসন ও কাবুলের ক্রীড়নক সরকারগুলোর সঙ্গে যুদ্ধরত তালেবান (ছাত্র) মুজাহিদরা খুব সহজেই কাবুল দখল করে নেয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটার পরও নজিবুল্লাহ তালেবানদের সঙ্গে সমঝোতা করে টিকে থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কুলিয়ে উঠতে পারেননি। তালেবান মুজাহিদরা কাবুলের ক্ষমতা দখল করে নিলে ড. নজিবুল্লাহ পালিয়ে জাতিসংঘ দপ্তরে আশ্রয় নেন। জাতিসংঘ দপ্তরের কম্পাউন্ডে তিনি ও তাঁর ভাই প্রায় চার বছর গৃহবন্দি ছিলেন। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। ১৯৯৬ সালে মোল্লা ওমর তালেবান সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করলে ২৭ সেপ্টেম্বর তালেবান বাহিনী জাতিসংঘ কম্পাউন্ডের ভিতর থেকে ড. নজিবুল্লাহ ও তাঁর ভাই আহমদকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনে এবং নির্দয়ভাবে হত্যা করে। হত্যার পর শহরের মাঝখানে একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ড. নজিবুল্লাহর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। তালেবানদের দাবি, সেটা ছিল গণ আদালতের বিচার। কিন্তু বিশ্বসমাজ এহেন তালেবানি বর্বরতা সমর্থন করেনি।

তালেবানরা ক্ষমতায় এসে আফগানিস্তানের খোলনলচে পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযোগ রয়েছে, তালেবান সরকারের আশ্রয়ে থেকেই আল-কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ট্রেড সেন্টার টুইন টাওয়ারে হামলা পরিচালনা করে। টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডি বদলে দেয় ভূরাজনীতির চালচিত্র। আবারও ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে আফগানিস্তানের। পাশ্চাত্য জোট কাবুলে হামলা চালায়। কাবুলে মোল্লা ওমরের তালেবান সরকারের পতন ঘটে। মোল্লা ওমরের কী পরিণতি হয়েছিল, তা আজও জানা যায়নি। কাবুলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ বাহিনী ঘাঁটি স্থাপন করে। তাদেরই তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সে অনেক ইতিহাস।

অবশেষে মসনদে বসে আশরাফ ঘানির তথাকথিত নির্বাচিত সরকার। ২০২১ সালে আবার তালেবান। আমেরিকার পরোক্ষ সমর্থনে তালেবান বাহিনী পুনরায় কাবুল দখল করে নিল। পালিয়ে গেলেন আশরাফ ঘানি। স¥রণযোগ্য নব্বই দশকে তালেবান মুজাহিদরা সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ওয়াশিংটনের ভরপুর সাহায্য পেয়েছে। মোটকথা তালেবানের জন্মদাতা আমেরিকা। আমেরিকাই তাদের ধ্বংস করেছিল। আবার এই আমেরিকাই তালেবানকে ফিরিয়ে এনেছে। মাঝখান থেকে ভাগ্যবিপর্যয় ঘটেছে কিছুসংখ্যক প্রক্সি পলিটিশিয়ানের, যারা আফগানিস্তানকে বানিয়েছিল, কখনো আমেরিকার, কখনো সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্লায়েন্ট স্টেট। কাবুলে প্রতিষ্ঠা করেছিল আমেরিকা কিংবা সোভিয়েতের পুতুল সরকার।

প্রক্সি পলিটিক্স শেষ বিচারে কখনো কোনো জাতির ভালো করতে পারে না। এই শ্রেণির রাজনীতিবিদের হাতে পড়ে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল কত দেশে যে অশান্তির আগুন জ্বলছে তার ইয়ত্তা নেই। এরা সব সময় মুখে বড় বড় কথা বলে। হাজির করে নানান তত্ত্ব। নতুন নতুন কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করে। রুদ্ধ করে দেয় জাতীয় ঐক্য ও অগ্রসরতার পথ। এদের বিষয়ে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, অবলম্বন করা দরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
সর্বশেষ খবর
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

শ্রীনগরে সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেফতার
শ্রীনগরে সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেফতার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি ক্র্যাবের শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি ক্র্যাবের শ্রদ্ধা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি
বিজয় দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজায় স্থিতিশীলতা বাহিনীতে আরও দেশ যুক্ত হচ্ছে: ট্রাম্প
গাজায় স্থিতিশীলতা বাহিনীতে আরও দেশ যুক্ত হচ্ছে: ট্রাম্প

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ডি সৈকতের বীর আহমেদকে দেখতে হাসপাতালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
বন্ডি সৈকতের বীর আহমেদকে দেখতে হাসপাতালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদদের মাগফিরাত ও ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় দোয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদদের মাগফিরাত ও ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় দোয়া

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাল্টা উপকূলে নৌকাডুবি: ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, নিহত ১
মাল্টা উপকূলে নৌকাডুবি: ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, নিহত ১

১৫ মিনিট আগে | পরবাস

অ্যাডিলেড টেস্টে ফিরলেন অধিনায়ক কামিন্স
অ্যাডিলেড টেস্টে ফিরলেন অধিনায়ক কামিন্স

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহান বিজয় দিবসে সেনাবাহিনীর ৩১ বার তোপধ্বনিতে বীর শহীদদের প্রতি গান স্যালুট
মহান বিজয় দিবসে সেনাবাহিনীর ৩১ বার তোপধ্বনিতে বীর শহীদদের প্রতি গান স্যালুট

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

শীতে কেন বাড়ে রক্তচাপ, কীভাবে সতর্ক থাকবেন
শীতে কেন বাড়ে রক্তচাপ, কীভাবে সতর্ক থাকবেন

২৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

গাজায় ভবনের ধ্বংস্তূপ থেকে ৪৫ মরদেহ উদ্ধার
গাজায় ভবনের ধ্বংস্তূপ থেকে ৪৫ মরদেহ উদ্ধার

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধান বোঝাই ট্রাকে আগুন, চালক-সহকারী দগ্ধ
ধান বোঝাই ট্রাকে আগুন, চালক-সহকারী দগ্ধ

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মানিকগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
মানিকগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীনে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে নৈশভোজ সংবর্ধনা
চীনে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে নৈশভোজ সংবর্ধনা

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নোয়াখালীতে বিজয় দিবসে ব্যাংকারদের মিলনমেলা
নোয়াখালীতে বিজয় দিবসে ব্যাংকারদের মিলনমেলা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জ–বানিয়াচং সড়কে সিএনজি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
হবিগঞ্জ–বানিয়াচং সড়কে সিএনজি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে রিশাদের অভিষেক, বোলিংয়ে হোবার্ট
বিগ ব্যাশে রিশাদের অভিষেক, বোলিংয়ে হোবার্ট

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
বিজয় দিবসে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন

৫৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নানা আয়োজনে গোপালগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
নানা আয়োজনে গোপালগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৬ মাসে দেখেছি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন করা হয়েছে: রাশেদ খান
১৬ মাসে দেখেছি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন করা হয়েছে: রাশেদ খান

৫৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভেনেজুয়েলা থেকে নরওয়ে যাওয়ার পথে ‘মেরুদণ্ড ভেঙেছে’ মাচাদোর
ভেনেজুয়েলা থেকে নরওয়ে যাওয়ার পথে ‘মেরুদণ্ড ভেঙেছে’ মাচাদোর

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সোনারগাঁয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
সোনারগাঁয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা বাবুলের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা বাবুলের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার
ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?
অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর
আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম
আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে
হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা
'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল
রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম
১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড
সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হবেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রানাতুঙ্গা
দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হবেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রানাতুঙ্গা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন
১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস
গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর
হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীর দক্ষিণখানে একজনকে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর দক্ষিণখানে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আফগানিস্তানে বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেয়া হবে না, তেহরান সম্মেলনের ঘোষণা
আফগানিস্তানে বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেয়া হবে না, তেহরান সম্মেলনের ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ
আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজনৈতিক ব্যক্তি ও এমপি প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের নীতিমালা প্রকাশ
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও এমপি প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের নীতিমালা প্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি
বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের নতুন ট্যাঙ্ক যাচ্ছে ভারত সীমান্তে?
চীনের নতুন ট্যাঙ্ক যাচ্ছে ভারত সীমান্তে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’

প্রথম পৃষ্ঠা

আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ
সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

সম্পাদকীয়

স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে

নগর জীবন

জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান
জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান

নগর জীবন

বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই
হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে

সম্পাদকীয়

মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস

সম্পাদকীয়

‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন
‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন

নগর জীবন

নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার
গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার

খবর

বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম
বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম

মাঠে ময়দানে

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

নগর জীবন

সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার
সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

খবর

বই ও নারী
বই ও নারী

সম্পাদকীয়

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর

খবর

আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল
আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল

নগর জীবন

যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ
যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

খবর