শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে আলেমদের ভূমিকা

শায়খ আহমাদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে আলেমদের ভূমিকা

এ দেশে সব সময়ই গুণীজনদের অবহেলা করা হয়। এর মাঝে আলেমদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের অবহেলা সবচেয়ে বেশি। অথচ আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। শৈশব থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের জন্যই আলেমদের নানামুখী কর্মসূচি আছে। আলেমরা কোমলমতি শিশুদের জন্য প্রভাতি মক্তবের ব্যবস্থা রেখেছেন। যেখান থেকে তারা দীন ও নৈতিকতার পাঠ নিয়ে বড় হয়। এভাবে যুগ যুগ ধরে চলে আসা মক্তবের মাধ্যমে এ দেশের আলেমরা জাতির মানস গঠনে বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছেন।

আলেমদের অবদানের কথা বলতে গেলে সবার আগে মসজিদের মিম্বর ও মাহফিলের কথা চলে আসে। মিম্বর এমন একটি জায়গা, যে জায়গাটি সাত দিন পরপর অনিবার্যভাবে কথা বলে ওঠে। বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ জামে মসজিদ রয়েছে। প্রত্যেক জুমার দিনে একযোগে একই সময়ে তিন লাখ খতিব মুসল্লিদের সামনে দীন, নৈতিকতা এবং সমকালীন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। শ্রোতারা নামাজের পাশাপাশি খতিবের আলোচনা শোনার উদ্দেশ্যে অজু-গোসল করে, পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে মিম্বরের সামনে উপস্থিত হন। মিম্বর ও মাহফিল থেকে দীনের মৌলিক শিক্ষা তো দেওয়া হয়-ই, পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয়, সংকট ও অস্থিরতা তৈরি হলে খতিবরা সে বিষয়েও জনগণকে সতর্ক করেন। দেশে যখন ধর্ষণ বেড়ে যায়, আলেমরা ধর্ষণের ভয়াবহতা, শাস্তি এবং এর ইহকালীন-পরকালীন ক্ষতির বিষয়ে যুবকদের সজাগ করেন। দেশে যখন হত্যা, রাহাজানি, যৌতুক, মাদক, দুর্নীতি বেড়ে যায়, আলেমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেসব বিষয় নিয়েও সময়োপযোগী আলোচনা উপস্থাপনা করেন। একসময়ের জঘন্য সামাজিক অপরাধ যৌতুককে আজ সবাই ঘৃণা করে। এটা আলেমদের দীর্ঘদিনের ওয়াজ-নসিহতের ফসল। এ দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। কওমি-আলিয়া মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫০ হাজারের কাছাকাছি। এই মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পেছনে রাষ্ট্রকে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়, মাদ্রাসার পেছনে তার সিকিভাগও, বিশেষত কওমি মাদ্রাসার পেছনে খরচ করতে হয় না। বরং আলেমরা স্ব-উদ্যোগে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে মাদ্রাসার খরচ চালাতেন। এভাবে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি, সহানুভূতি ও সহযোগিতা ছাড়াই আলেমরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে সুনাগরিক উপহার দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছেন। আবার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভিতর অপরাধপ্রবণতা নেই বললেই চলে। এ দেশে প্রতিদিনই নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। কিন্তু মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থী খুন বা ধর্ষণ করেছে, মাদকাসক্ত হয়েছে, চোরা কারবারে জড়িয়েছে- এমন সংবাদ তেমন একটা চোখে পড়ে না। শিক্ষকদের কাছ থেকে পাওয়া দীন ও নৈতিক শিক্ষায় তারা এমনভাবে বেড়ে ওঠে, আলোকিত শিক্ষা তাদের অপরাধকর্ম থেকে বিরত রাখে।

আবার প্রায় সব কওমি মাদ্রাসায় লিল্লাহ বোর্ডিং সিস্টেম চালু রয়েছে। যেখানে কয়েক লাখ এতিম শিশু-কিশোর বিনামূল্যে থাকাখাওয়া ও পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। এই সুযোগ যদি না থাকত, তবে ঝরে পড়া এই এতিম শিশুদের অনেকেরই নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতো। তার মানে, মাদ্রাসায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা তো সুনাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠছেই, পাশাপাশি, এতিম-অসহায় শিশু-কিশোর, যাদের ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চিত, তাদেরও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন আলেমরা। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এতটাই শান্ত ও সুশৃঙ্খল, কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এক ক্যাম্পাসে পড়াশোনা ও রাতযাপন করলেও তাদের মাঝে কখনো সংঘাত-সংঘর্ষ ও আহত-নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে না। থানায় প্রতিদিনই বহু মানুষের নামে মামলা হয়, কিন্তু তাদের মাঝে আলেমদের নাম পাওয়া যায় না বললেই চলে। অর্থাৎ আলেমরা নিজে সৎ থেকে, শিক্ষার্থীদের সৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রতি বছর এ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। বিপরীতে আলেমদের মাধ্যমে বিদেশ থেকে যে পরিমাণ ডোনেশন আসে, তার সঠিক পরিসংখ্যান জানা গেলে রাষ্ট্রের প্রতি তাদের অবদানের সঠিক চিত্র আমরা দেখতে পেতাম। মানবসেবা ও সামাজিক কাজেও আলেমরা অন্য সবার থেকে এগিয়ে থাকেন। এ দেশে যখনই কোনো দুর্যোগ দেখা দেয়, মানবতার সেবায় সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়েন আলেমরা। করোনা মহামারিতে সবাই যখন ঘরবন্দি, তখনও আলেমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বেচ্ছায় লাশ দাফনের মতো মহামানবিক কাজ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ যে কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আলেমদের সামনের সারিতে দেখা যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি আলেমদের এত অবদান থাকা সত্ত্বেও তাদের অবদান সেভাবে স্বীকার করা হয় না।

জুমার মিম্বর থেকে

গ্রন্থনা : সাব্বির জাদিদ

এই বিভাগের আরও খবর
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
হাদির ওপর হামলা
হাদির ওপর হামলা
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
অমর বাণী
অমর বাণী
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন
নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ
প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি
আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী
মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’
‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান
ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু
ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর
বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন
বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের
শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল
ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি
হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?
তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩
নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা
সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী
মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই
বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)
কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা
আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা

দেশগ্রাম

কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

মাঠে ময়দানে

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট
শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট

দেশগ্রাম

ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি
ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ
বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ

মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন

সম্পাদকীয়

বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা
বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

দেশগ্রাম