সিরাজগঞ্জ–৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. এম. এ. মুহিত বলেছেন, রাজনীতি মানে মানুষের শোষক হওয়া নয়, বরং মানুষের সেবক হওয়া। মানুষের সমস্যা সমাধান করা, মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং দেশের উন্নয়ন করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে গালিগালাজ ও ধিক্কার দিয়ে নয়, মানুষের ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই সফল হওয়া যায়। এ কারণেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক রাজনীতির চর্চা তুলে ধরছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের বাদল বাড়ির ঈদগা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এম. এ. মুহিত বলেন, তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন—বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে শাহজাদপুরে আধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ তাঁত শিল্প গড়ে তোলা হবে এবং এখানকার তাঁতপণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি দুগ্ধ শিল্প রক্ষার মাধ্যমে খামারিদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো হবে।
তিনি আরও বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীদের অর্থনৈতিক ভিত শক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তারেক রহমান মা হারানোর বেদনা বোঝেন বলেই মায়েদের সকল সমস্যা দূরীকরণে তিনি বদ্ধপরিকর।
ড. মুহিত বলেন, “আপনাদের মূল্যবান ভোটের ওপরই আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। আপনারা যদি সন্তানদের সুশিক্ষিত ও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চান, তাহলে সবার আগে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। আর একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার সম্মিলিত পরিকল্পনা দিয়েছেন তারেক রহমান।”
এ কারণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শাহজাদপুর–এনায়েতপুর আসন থেকে নির্বাচিত হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাসপাতাল নির্মাণসহ মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবেন। পাশাপাশি প্রতিটি শিশুর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জনসভায় একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়ে তাদের শারীরিক সমস্যার খোঁজখবর নেন এবং বিনামূল্যে চক্ষুসেবা প্রদানের ঘোষণা দেন।
এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
বিডি-প্রতিদিন/মাইনুল