শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:২২

বাচ্চুর ‘ছায়াশরীরী’

আলী আফতাব

বাচ্চুর ‘ছায়াশরীরী’

হাসতে দেখ গাইতে দেখ, অনেক কথায় মুখর আমায় দেখ, দেখ না কেউ হাসির শেষে নীরবতা। অনেকটা নীরবতা ভেঙেই প্রায় দুই বছর পর বাজারে আসছে জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু নতুন মিউজিক ভিডিও ‘ছায়াশরীরী’। এরই মধ্যে গানটির ভিডিওর প্রোমো সম্প্রতি আপলোড করা হয়েছে ইউটিউবে। শেষ ২০১৪ সালে প্রকাশ হয়েছিল আইয়ুব বাচ্চুর ‘জীবনের গল্প’ গানের ভিডিও। আর এ নিয়ে আইয়ুব বাচ্চু বলেন, ‘অনেক দিন পর হলেও নতুন একটি গানের ভিডিওর

কাজ করলাম।

‘জীবনের গল্প’-এর পর একটু ভিন্ন ধরনের একটা ভিডিওতে কাজ করতে চেয়েছিলাম। আশা করি, ‘ছায়াশরীরী’ গানের ভিডিও ভক্তরা পছন্দ করবেন। সামনে আমার একক গানের পাশাপাশি ব্যান্ড এলআরবির নতুন কিছু ভিডিও দেখতে পাবেন ভক্ত-শ্রোতারা।’ এ গানটির পেছনে রয়েছে একটি মজার তথ্য। আর তা হলো আইয়ুব বাচ্চু বেশির ভাগ সময়ই নিজের সুর ও সংগীতে গান করেন। তবে অন্যের সুর-সংগীতে যে গান করেননি তা কিন্তু নয়। তবে তা অনেক আগের কথা। দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারও অন্যের সুর-সংগীতে গান গাইলেন আইয়ুব বাচ্চু। আর এই গানটি হলো ‘ছায়াশরীরী’। গানটির কথা লিখেছেন এম এস রানা। জিয়া খানের সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন চিরকুট ব্যান্ডের পাভেল।

গানটি প্রসঙ্গে আইয়ুব বাচ্চু বলেন, ‘গানটির কথা ও সুর আমার খুবই ভালো লেগেছে। অ্যালবামটির সুরকার ও সমন্বয়কারী জিয়া খানের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল তার সুরে আমাকে দিয়ে একটি গান করাবেন। ব্যস্ততার কারণে আমি সময় বের করতে পারছিলাম না। অবশেষে জিয়ার ইচ্ছাশক্তি ও চমৎকার সুরের কারণে সময় বের করে গানটি গাইলাম।’

জি সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিতব্য ভিডিওর প্রোমোটি আপলোড করা হয়েছে সংস্থাটির নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। শিগগিরই ভিডিওটিও আপলোড করা হবে ওই চ্যানেলে। চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে জিয়া খানের সুর ও সংগীতায়োজনে প্রকাশিত হয় মিশ্র অ্যালবাম ‘ছায়াশরীরী’। অ্যালবামের মূল গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু।

অডিও-ভিডিও ছাড়াও স্টেজ শো নিয়ে দারুণ ব্যস্ত এই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। অসাধারণ গায়কীর পাশাপাশি রয়েছে তার ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়। তিনি লিড গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার, প্লেব্যাক শিল্পী। তার জন্ম ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের এনায়েতবাজার এলাকায়।

১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ‘এলআরবি’ ব্যান্ড দলের লিড গিটারিস্ট এবং ভোকাল তিনি। এর আগে তিনি প্রায় ১০ বছর সোলস ব্যান্ডের সঙ্গে লিড গিটারিস্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

সংগীত জগতে তার যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে। অত্যন্ত গুণী এই শিল্পী তার শ্রোতা-ভক্তদের কাছে এবি নামেও পরিচিত। 

আইয়ুব বাচ্চু মূলত রক ঘরানার কণ্ঠের অধিকারী হলেও আধুনিক গান, ক্লাসিক্যাল সংগীত এবং

লোকগীতি দিয়েও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।


আপনার মন্তব্য