শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ মে, ২০১৮ ২৩:০৬

সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে ইসিকে

গোলাম রাব্বানী

সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে ইসিকে
বদিউল আলম মজুমদার

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বশক্তি প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেছেন,  ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ, ভোটাররা যাতে নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, ভোট দিতে পারেন। খুলনা সিটি নির্বাচন নিয়ে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এই নির্বাচন-বিশ্লেষক বলেন, খুলনা সিটির ভোট নিয়ে দুই দল বাকবিতণ্ডায় জড়াচ্ছে। এমনকি ভোটে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছে তারা। তাই নাগরিকরাও ভোট নিয়ে শঙ্কিত। এ জন্য খুলনা সিটির ভোটকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ইসিকে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘খুলনায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কেন অনীহা দেখাল তা আমাদের বুঝে আসছে না। ভোট সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন কেন সর্বশক্তি প্রয়োগ করছে না। কেনই বা সেনা মোতায়নে তাদের এত অনীহা?’ খুলনা সিটি নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং অফিসারের কাজ তদারক করতে ইসির একজন যুগ্ম-সচিব পাঠানোর সমালোচনা করে এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন-বিশ্লেষক বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসারের কাজে আস্থা না থাকলে তাকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তার কাজ মনিটর করতে ইসির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা খুলনায় পাঠানো কোনোভাবেই ঠিক হয়নি। নির্বাচন কমিশন কেন এসব করছে বুঝতে পারছি না।’ এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের পরদিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২২ থেকে ২৪ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া পুলিশ, এপিবিএন, আনসার ব্যাটালিয়ান নিয়ে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ১০টি টিম; র‌্যাবের ৩১টি টিম ও বিজিবি থাকবে ১৬ প্লাটুন।

সেই সঙ্গে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে তিন-চার প্লাটুন অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন রাখা হবে। ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক থাকবেন ১০ নির্বাচন কর্মকর্তা। খুলনা সিটিতে সর্বশেষ ভোট হয় ২০১৩ সালের ১৫ জুন। প্রথম সভা হয় ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। এ সিটির মেয়াদ পূর্ণ হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর। ৩০ মার্চ নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়। ৩১ মার্চ খুলনা তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। খুলনা সিটি করপোরেশন গঠিত ৩১টি সাধারণ এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন।


আপনার মন্তব্য