Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:১৫

শীর্ষ ঋণখেলাপিরা সরকারের শীর্ষে

নিজস্ব প্রতিবেদক

শীর্ষ ঋণখেলাপিরা সরকারের শীর্ষে

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, শীর্ষ ঋণখেলাপিরা এখনো সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে রয়ে গেছেন। তিনি বলেন, ‘এই শাসনামলে খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই খেলাপি ঋণের ব্যাপারে আমরা এরশাদ আমলে খুব সোচ্চার ছিলাম। যারা তখন খেলাপি ঋণের শীর্ষে ছিলেন, এখনো এই সরকারে তারা শীর্ষস্থানে রয়েছেন। অনেক বড় বড় কর্তাব্যক্তি তারা।’ রুশ বিপ্লবের নেতা ভøাদিমির ইলিচ লেনিনের ১৪৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আবুল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শফিকুজ্জামান ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য সুশান্ত দাস। ৯ শতাংশ সরল সুদে খেলাপি ঋণ পরিশোধের যে সুযোগ সরকার দিয়েছে, তার সমালোচনা করে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘খেলাপি ঋণের ভারে সব ব্যাংক নুয়ে পড়েছে। আমাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিপূর্ণ নৈরাজ্যের মধ্যে চলে গেছে। তারল্য সংকট রয়েছে। বিনিয়োগের অর্থ ব্যাংকগুলোর নেই। এই যখন অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তখন আমাদের অর্থমন্ত্রী খেলাপি ঋণের রাহু থেকে মুক্তির জন্য ব্যবস্থাপত্র ঘোষণা করলেন। ব্যবস্থাপত্রটি হচ্ছে, বড় বড় ঋণখেলাপি যারা, তাদের ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে এবং ৯ শতাংশ সুদ ধরে ১২ বছরের সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে কতবার রিশিডিউল হবে তা তিনি বলেননি। এই ব্যবস্থাপত্রটা বিশেষ করে যারা বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী, তাদের জন্য। তিনি বলেন, সাধারণ ব্যবসায়ী বা মানুষ যখন ঋণের রিশিডিউল করতে চান, তখন কিন্তু তাকে ১০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হয়। আর এমন ঋণ নিয়ে একজনকে সুদ দিতে হচ্ছে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ। তাহলে সোজা কথা, আমি ব্যাংক থেকে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়ে যাব।

 খেলাপি হয়ে গেলেই তো আমার সুবিধা, ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ১২ বছরে ৯ শতাংশ হারে সুদ দেব। নিয়মিত সুদ দিলে তো ১৩ শতাংশ দিতে হবে।


আপনার মন্তব্য