শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২৩:৪৩

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ছয় নদীর পানি বণ্টন চুক্তি চূড়ান্ত হবে

গৌতম লাহিড়ী, নয়াদিল্লি

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অভিন্ন ছয় নদ-নদীর পানি বণ্টন চুক্তির খসড়া অনুমোদন করতে পারেন। এই সঙ্গে চূড়ান্ত হবে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধ হয়ে যাওয়া যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকের দিনক্ষণ। যে নদ-নদীগুলোর পানি বণ্টন চূড়ান্ত হতে পারে সেগুলো হচ্ছে মনু, মুহুরী, খোওয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার। ওইদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের আমন্ত্রণে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ষষ্ঠ যৌথ পরামর্শ কমিশনের বৈঠকে ভিডিওর মাধ্যমে যোগ দেবেন। গত বছর অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আসেন, তখন দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি কমিটিকে নির্দেশ দেন ওই ছয়টি নদ-নদীর পানিপ্রবাহ বিষয়ে তথ্য বিনিময় করে খসড়া পানি বণ্টন চুক্তি চূড়ান্ত এবং একই সঙ্গে ফেনী নদীরও পানি বণ্টন চুক্তি তৈরি করতে। এবারের বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এই নদ-নদীর পানি বণ্টন প্রাধান্য পাবে বলে সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে। সর্বশেষ যৌথ নদী কমিশন বৈঠক হয়েছে ২০১০ সালে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে অসমাপ্ত তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন এবং ভারত সরকারের সাম্প্রতিক পিঁয়াজ রপ্তানির প্রসঙ্গ উঠবে বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। পিঁয়াজ রপ্তানির বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী সচিব পর্যায়ের আলোচনার জন্য তোলা হবে। সে সময় উভয় দেশের মধ্যে সুসংহত বাণিজ্য চুক্তি মুক্ত বাণিজ্য ধাঁচে করার জন্য আলোচনা হবে। আগামী বছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ও ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি। এ সময় উভয় দেশ যৌথ কর্মসূচি নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা যখন ঢাকা যান, সে সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।.

এ বৈঠকে ভারতের লাইন অব ক্রেডিট ভিত্তিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চলছে তা এ সময়ের মধ্যে সম্পন্নের লক্ষ্য স্থির করা হবে। বিশেষ করে আগরতলা-আখাউড়া ও অন্য রেলসংযোগ দুই প্রধানমন্ত্রী যাতে যৌথভাবে উদ্বোধন করতে পারেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। অন্য বিষয়ের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমন ও চরমপন্থা প্রসারের প্রতিরোধ পরিকল্পনা নেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে ভারতের সহযোগিতা চাইবে। এতে যত দেরি হবে ততই উগ্রপন্থিরা এখানে অনুপ্রবেশ করতে পারে।


আপনার মন্তব্য