শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১২ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ মে, ২০২১ ২২:৪৬

আটকে আছে সংসদের চার আসনে উপনির্বাচন সিদ্ধান্ত ঈদের পর

গোলাম রাব্বানী

Google News

ঈদের পর আটকে থাকা সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব নির্বাচনের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ইসি এক সপ্তাহ পরে সিদ্ধান্ত দেবে। গতকাল নির্বাচন ভবনে আটকে থাকা নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনির্ধারিত আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে বিকালে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ঈদের পর ১৯ মে কমিশন সভা রয়েছে। এ সভায় চারটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন, প্রথম ধাপের ৩৭১ ইউপি  ও ১১ পৌরসভার ভোটের তারিখ নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। সেই সঙ্গে নির্বাচন-উপযোগী আরও কিছু ইউপি যুক্ত হবে এ তালিকায়। এ ক্ষেত্রে এখন করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব। ইসি জানিয়েছে, লক্ষ্মীপুর-২, সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচন করতে হবে সামনে। আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব না হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে গেল ১১ এপ্রিলের সব নির্বাচন স্থগিত করা হয়। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। এ সংক্রমণ শুরুর পর গেল বছর সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে পরবর্তী ৯০ দিনে করে ইসি। মহামারীর এক বছর পার হতেই ফের সংক্রমণ বাড়ায় নতুন করে সিদ্ধান্ত আসে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এপ্রিল থেকে ভোট স্থগিত রেখেছে কমিশন। এ অবস্থায় সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনগুলো জুলাইয়ে শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচন ২৭ এপ্রিলের মধ্যে এবং সিলেট-৩ উপনির্বাচন ৮ জুনের মধ্যে করা সম্ভব হবে না বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পরবর্তী ৯০ দিনে এ নির্বাচন করতেই হবে। কুয়েতের আদালতে দন্ডিত সংসদ সদস্য কাজী শহিদুল ইসলাম পাপুলের লক্ষ্মীপুর-২ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয় ২৮ জানুয়ারি। ১১ এপ্রিল এ উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনকহারে বাড়তে থাকায় নির্বাচনটি স্থগিত করা হয়। এখন এ নির্বাচন ২১ জুলাইয়ের মধ্যে করতে হবে। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় বলা হয়েছে, সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশনারের মতে কোনো দৈবদুর্বিপাকের কারণে এ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব না হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করতে হবে। গেল ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে, ৪ এপ্রিল ঢাকা-১৪-এর আসলামুল হকের মৃত্যুতে এবং ১৪ এপ্রিল কুমিল্লা-৫-এর আবদুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে তিনটি আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।