শিরোনাম
রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

ডব্লিউটিওতে সুবিধা পেতে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা লাগবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডব্লিউটিওতে সুবিধা পেতে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা লাগবে

বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিওর সাধারণ কাউন্সিলের সভায় আলোচ্য মেধাস্বত্ব চুক্তির (ট্রিপস) আওতায় বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা পেতে স্বাভাবিক দরকষাকষির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রচেষ্টাও লাগবে। এজন্য বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসকে কাজে লাগাতে হবে। আগামী দুই সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ২৬ ও ২৭ জুলাই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ডব্লিউটিওর সাধারণ কাউন্সিলের সভায় মেধাস্বত্ব চুক্তি (ট্রিপস) নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হলেও একটি দেশ মেধাস্বত্ব চুক্তির আওতায় বাণিজ্য সুবিধা পেতে পারে কি না তা আলোচনা হবে। ওই সভায় মেধাস্বত্ব চুক্তির আওতায় ওষুধশিল্পের সুবিধা নিয়ে বেশি আলোচনা হতে পারে। গতকাল অনলাইনে আয়োজিত ট্রিপস চুক্তির ‘এলডিসি-সংক্রান্ত ধারা সংশোধন ও গ্র্যাজুয়েটিং বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্য’ শীর্ষক আলাপচারিতায় সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ডব্লিউটিওতে বাংলাদেশের সাবেক এই প্রতিনিধি আরও বলেন, ডব্লিউটিওর সাধারণ কাউন্সিলের বৈঠকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে ৩০ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ আছে। কিন্তু বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক মহলের মধ্যে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনীহা আছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকরা। বিশেষ করে তৈরি পোশাকের বাণিজ্য সুবিধার বিষয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সম্প্রতি ডব্লিউটিওতে ওষুধশিল্প ছাড়া মেধাস্বত্ব চুক্তির সাধারণ ধারায় স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে আরও ১৩ বছরের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে পেটেন্ট, কপিরাইট, ভৌগোলিক নির্দেশক, শিল্পের নকশা, বিনিয়োগকারীর তথ্য-উপাত্ত সুরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাধ্যবাধকতার শর্ত শিথিল থাকবে। কিন্তু ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হয়ে গেলে এসব শর্ত মানতে হবে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশে আলোচনা নেই বললেই চলে।

সর্বশেষ খবর