শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা

রাঙামাটিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে নিহত ১

রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে একজন নিহত হয়েছে। নিহতের নাম সুরেশ কান্তি চাকমা ওরফে দীনেশ (৫৭)। গতকাল সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের জারুলছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুরেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গ্রুপের সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের জারুলছড়ি এলাকায় খুব ভোর বেলা সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপ হানা দেয়। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির গ্রুপের সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সক্রিয় সদস্য সুরেশ কান্তি চাকমা ওরফে দীনেশ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এর আগে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তার বাড়ি ঘেরাও করে। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সুরেশ ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে থাকেন। ঘরের দরজা ভেঙে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করে সুরেশ চাকমাকে ব্রাশ ফায়ার করে পালিয়ে যায়। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল। কিন্তু তার আগেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।  রাঙামাটির বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন খান জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে নিহত সুরেশ চাকমার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনার জন্য এমএন লারমা ওরফে সংস্কারপন্থি সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা ত্রিদিব চাকমা। তবে হত্যাকান্ডের ঘটনার দায় নিতে নারাজ  এমএন লারমা (সংস্কারপন্থি) দলের বাঘাইছড়ি উপজেলা সভাপতি জ্ঞানজীব চাকমা। তিনি বলেন, বাঘাইছড়ির বঙ্গতলীতে আমাদের দলের কোনো লোক নেই। জেএসএস এর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

সর্বশেষ খবর