শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০১:০২, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

উত্তাল সারা দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
উত্তাল সারা দেশ

মাগুরায় আট বছরের শিশু ধর্ষণে জড়িত অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে দেশ। ক্ষোভ-প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সচেতন নাগরিক সমাজ। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন। কন্যাশিশু ও নারী নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের ২০৬টি সদস্য সংগঠনের পক্ষে সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার ও সহসভাপতি শাহীন আক্তার ডলি এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন। শিশু ও নারী ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে সংস্থাটি। নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। গতকাল সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। মাগুরা প্রতিনিধি জানান, শিশু ধর্ষণের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে গতকাল বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত আদালত চত্বরে অবস্থান নেয় মাগুরার ছাত্র-জনতা। ধর্ষকের ফাঁসির আদেশ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে সকালে শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা মাগুরা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। পরে তারা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন। সমাবেশে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শায়েদ হাসান টগর বলেন, আমরা কথা দিচ্ছি ধর্ষকদের পক্ষে মাগুরার কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াবে না।

আন্দোলনকারীরা রাস্তার ওপর জোহরের নামাজ আদায় করেন। এ সময় সেনাসদস্যরা সেখানে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। সেনাসদস্যদের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা ওই স্থান থেকে সরে গিয়ে শহরের ভায়না মোড়ে মাগুরা-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী কমিটি এক জরুরি সভা ডেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াবে না। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিক্ষোভ, মিছিল, সমাবেশে উত্তাল ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ধর্ষণ প্রতিরোধ ও ধর্ষকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সমাবেশ করেছেন শিক্ষকরাও। গতকাল প্রথম প্রহর থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধর্ষণবিরোধী মঞ্চ ঘোষণা করেন। হল থেকে নারী শিক্ষার্থীরা বের হয়ে এসে বিক্ষোভ করেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ধর্ষকের বিচারের দাবিতে নিজ নিজ বিভাগের ব্যানারে বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়াও ধর্ষণের প্রতিবাদে ও ধর্ষকের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে শিক্ষার্থীদের লাঠিমিছিলসহ একাধিক বিক্ষোভ হয় ক্যাম্পাসে। গতকাল পর্যন্ত ধর্ষকের বিচার দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা লাসনা কবির বলেন, আমরা দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তি এখন পর্যন্ত দেখতে পাইনি। আমরা যদি ধর্ষকদের উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে ধর্ষকরা ভয় পেয়ে আর অপরাধ করবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ বলেন, সারা দেশে নারীদের ওপর ধর্ষণের নামে যে নারকীয় নির্যাতন চলছে তার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। এ সময় সারা দেশে অব্যাহত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় নারী উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাসনীম মাহবুব সিরাজ।

তিনি বলেন, নারী উপদেষ্টারা কোথায়? তারা তো স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করতে পারেন। নারী বিচারক, আইনজীবীরা এটা করতে পারেন। কিন্তু কজন করছেন। নারী উপদেষ্টারা কী আদৌ আছেন? দেশে কী ঘটছে, ওনারা কী সে ব্যাপারে সচেতন? ওনারা তো এগিয়ে আসতে পারেন, সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে পারেন। কিন্তু সেরকম কোনো উদ্যোগ দেখছি না।

তিনি বলেন, অনেকে এখন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চাচ্ছেন। আমি বারবার লিখছি, আমি ওনার পদচ্যুতি চাই। এ ছাড়াও আইন উপদেষ্টা; ওনার ব্যাপারে যত কম বলা যায়, ততই ভালো। ওনারা কী করছেন? আমরা একটা জবাবদিহিমূলক সরকার কেন পাচ্ছি না? প্রশ্ন তোলেন তিনি। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে জনপরিসরে নারীদের ওপর যে নিপীড়ন, তা হঠাৎ করা হয়েছে বলার সুযোগ নেই। নির্যাতন হচ্ছে একধরনের ক্ষমতার বিস্তার।

উত্তাল সারা দেশ

বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ধর্ষণে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মুখে লাল কাপড় বেঁধে গতকাল বিক্ষোভ কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন তারা। ঢাকা মেডিকেলের মিলন চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আসেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা সেখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

আমাদের প্রতিনিধিরা জানান, সম্প্রতি সংঘটিত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে মধ্যরাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিও জানান। গত শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকসংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা রাত আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কের উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তী সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং নারী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

শিশু ধর্ষণের বিচার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে এ দাবি জানানো হয়। ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে একত্র হয়ে এক ঘণ্টা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। এতে সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ধর্ষক-নিপীড়দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের দাবিতে শনিবার মধ্যরাতে বিক্ষোভ করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় মাগুরায় শিশুর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে তারা মিছিল করে। গত শনিবার রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খান জাহান আলী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হল। বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলের শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বর ও হল প্রদক্ষিণ করে হাদি চত্বরে জড়ো হন। কুমিল্লা নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। এ সময় ধর্ষণবিরোধী স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো নগরী।

ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠনগুলো। গতকাল শহরের মোক্তারপাড়া পুরাতন কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচিতে জমায়েত হয় নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। পরে ডিসি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। বিক্ষোভে বক্তব্য দেন জেলা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক আলপনা বেগম, সাবেক সম্পাদক কোহিনূর বেগম প্রমুখ।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে স্কুলশিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা। উপজেলার মডেল থানার মূল ফটক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে মাওনা-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে থানা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বহাল
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব বহাল
হলান্ড চমকে নরওয়ের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল
হলান্ড চমকে নরওয়ের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল
ইনিংস ব্যবধানে হার নাজমুলদের
ইনিংস ব্যবধানে হার নাজমুলদের
দুই ফেবারিটের বিদায়ে বিস্মিত ফুটবলবিশ্ব
দুই ফেবারিটের বিদায়ে বিস্মিত ফুটবলবিশ্ব
উত্তেজনার তুঙ্গে বিশ্বকাপ
উত্তেজনার তুঙ্গে বিশ্বকাপ
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গুজব নয়
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গুজব নয়
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর
সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস
সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
সর্বশেষ খবর
পোষা কুকুরের হামলায় গৃহপরিচারিকাকে ক্ষতিপূরণ ১৫৯ কোটি টাকা!
পোষা কুকুরের হামলায় গৃহপরিচারিকাকে ক্ষতিপূরণ ১৫৯ কোটি টাকা!

১ সেকেন্ড আগে | পাঁচফোড়ন

ন্যায়সংগত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে : মাহদী আমিন
ন্যায়সংগত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে : মাহদী আমিন

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নরওয়ের বিপক্ষে নেই পাকেতা, বিশ্বকাপ নিয়েও শঙ্কা
নরওয়ের বিপক্ষে নেই পাকেতা, বিশ্বকাপ নিয়েও শঙ্কা

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আহত ১
পাবনায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, আহত ১

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এনডিসির প্রতিনিধি দলের বারি পরিদর্শন
এনডিসির প্রতিনিধি দলের বারি পরিদর্শন

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বাউবির এমসিসিজে প্রোগ্রামের ২৬১ টার্মের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
বাউবির এমসিসিজে প্রোগ্রামের ২৬১ টার্মের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি মওকুফ করল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি মওকুফ করল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচে ছিল না ‘হাইড্রেশন ব্রেক’, জানা গেল আসল কারণ
মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচে ছিল না ‘হাইড্রেশন ব্রেক’, জানা গেল আসল কারণ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নরওয়ের সামনে বারবার থমকে যাওয়া ব্রাজিল, এবার কী হবে?
নরওয়ের সামনে বারবার থমকে যাওয়া ব্রাজিল, এবার কী হবে?

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হজ ফ্লাইট সমাপ্ত, দেশে ফিরেছেন ৭৯১০০ হাজি
হজ ফ্লাইট সমাপ্ত, দেশে ফিরেছেন ৭৯১০০ হাজি

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ রিমান্ড শেষে কারাগারে
সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ রিমান্ড শেষে কারাগারে

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কুরিয়ারে আসা চায়ের প্যাকেটে ১২ হাজার ইয়াবা, একজন আটক
কুরিয়ারে আসা চায়ের প্যাকেটে ১২ হাজার ইয়াবা, একজন আটক

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
রূপগঞ্জে শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
নীলফামারীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

২৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভেনেজুয়েলায় ছয়দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু!
ভেনেজুয়েলায় ছয়দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু!

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নামাজ পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মডেল মসজিদের খতিবের
নামাজ পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মডেল মসজিদের খতিবের

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কবরস্থানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক
কবরস্থানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব
ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ফল উৎসব

৩০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

এনডিসি প্রতিনিধি দলের ব্রি পরিদর্শন
এনডিসি প্রতিনিধি দলের ব্রি পরিদর্শন

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী
চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী

৩৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নরসিংদীতে বাক-প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
নরসিংদীতে বাক-প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৪৪তম বিসিএস: স্থগিত ৬ প্রার্থীর নন-ক্যাডার মনোনয়ন নিশ্চিত, ১ জনের বাতিল
৪৪তম বিসিএস: স্থগিত ৬ প্রার্থীর নন-ক্যাডার মনোনয়ন নিশ্চিত, ১ জনের বাতিল

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

জিম্বাবুয়ের কাছে বড় হারে টাইগারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে অবনতি
জিম্বাবুয়ের কাছে বড় হারে টাইগারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে অবনতি

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে ভাঙন, ঝুঁকিতে সেতু রক্ষা বাঁধ ও সড়ক
তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে ভাঙন, ঝুঁকিতে সেতু রক্ষা বাঁধ ও সড়ক

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন জায়ান্টের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন জায়ান্টের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে বাংলাদেশ
জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে বাংলাদেশ

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে
এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে
হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি
স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি
নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি
প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি

পেছনের পৃষ্ঠা

বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি
বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ
জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক
শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক

পেছনের পৃষ্ঠা

গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক

প্রথম পৃষ্ঠা

ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ
জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পূর্ব-পশ্চিম

দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা
দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান

পেছনের পৃষ্ঠা

মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না
মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

নগর জীবন

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও
চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও

নগর জীবন

গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ
গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ

নগর জীবন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

নগর জীবন

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার

নগর জীবন

কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার
কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি
ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি

নগর জীবন

কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে
কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে

নগর জীবন

রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট

নগর জীবন

বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন

দেশগ্রাম

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার

নগর জীবন

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে

পেছনের পৃষ্ঠা