শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩১, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি শারীরিক যোগ্যতা

ডা. এম শমশের আলী
অনলাইন ভার্সন
সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি শারীরিক যোগ্যতা

হজম না হওয়া খাদ্যবস্তুর অংশ মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ খুবই জরুরি। যদি কেউ সুুষম খাদ্য গ্রহণে ব্যর্থ হয় অথবা সঠিক পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ না করে,  তবে সে পুষ্টিহীনতায় পর্যবসিত হবে

মানব জীবনে শারীরিক যোগ্যতা এমন একটি অবস্থা যা শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। যদি মানব দেহের কোনো একটি অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে না পারে, তবে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে-এটাই স্বাভাবিক। যদি মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ না করে, লিভার সঠিকভাবে কাজ না করে অথবা মাংসপেশি, কিডনি, পরিপাকতন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ সঠিকভাবে কর্মক্ষম না থাকে; তা হলে অবধারিতভাবে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে। 

মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় রসদ (খাদ্যকণা) এবং অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। রসদ বা খাদ্যকণা আসে পরিপাকতন্ত্র থেকে, খাদ্যবস্তু হজমের মাধ্যমে। মানুষ যে সব বস্তু খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে তা হজম হয়ে শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যকণা খাদ্যনালির মাধ্যমে শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে। অপ্রয়োজনীয় খাদ্যাংশ এবং হজম না হওয়া খাদ্যবস্তুর অংশ মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ খুবই জরুরি। 

যদি কেউ সুষম খাদ্য গ্রহণে ব্যর্থ হয় অথবা সঠিক পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ না করে, তবে সে পুষ্টিহীনতায় পর্যবসিত হবে এবং ব্যক্তির শারীরিক যোগ্যতা কমে যাবে। তাই প্রতিটি ব্যক্তিকেই সব ধরনের খাদ্যবস্তু গ্রহণ করতে হবে, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মুখ্য ভূমিকা রাখে। সব ধরনের খাদ্যবস্তু বলতে এমন সব খাদ্যকে বোঝানো হয়, যাতে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রোটিন, কার্বো-হাইড্রেট বা শর্করা, স্নেহ জাতীয় খাদ্য মানে তেল চর্বি, বিভিন্ন ধরনের লবণ বা মিনারেল, সব ধরনের ভিটামিন এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণে পানি এই ছয়টি উপাদানকে বোঝানো হয়। উল্লেখিত উপাদানের কোনো একটির কমতি হলে আপনার স্বাস্থ্যহানি ঘটবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। 

প্রোটিন যুক্ত খাবার হলো- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, মাশরুম। স্নেহ জাতীয় খাদ্য হলো সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, সয়াবিন, পাম, সরিষার তেল ইত্যাদি এবং পশুপাখি, মাছের চর্বি ও ঘি-মাখন। শর্করা জাতীয় খাদ্য মানে চাল, গম, আলু, ভুট্টা থেকে তৈরি করা সমস্ত খাদ্য, এমনকী মিষ্টি জাতীয় বস্তু। ভিটামিন, লবণ বা মিনারেল আমরা শাকসবজি এবং ফলমূল থেকে পেয়ে থাকি। শারীরিক যোগ্যতা বজায় রাখার জন্য এই ছয় ধরনের (প্রোটিন, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, মিনারেল এবং পানি) খাদ্যবস্তু সুষম মাত্রায় বা সঠিক পরিমাণে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিটি অঙ্গের সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে রসদ ছাড়াও অক্সিজেন নামক এক ধরনের জ্বালানির প্রয়োজন যা বাতাসে পাওয়া যায়, তা প্রায় সবারই জানা। মানুষ শ্বাস গ্রহণের ফলে শ্বাসনালির মাধ্যমে বাতাস ফুসফুসে নিয়ে থাকে। ফুসফুসের বাতাস থেকে অক্সিজেন শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে। সুতরাং খাদ্যনালি থেকে রসদ এবং ফুসফুস থেকে অক্সিজেন রক্তে মিশ্রিত হয়ে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে অক্সিজেন ও রসদ প্রতিটি অঙ্গে অঙ্গে পৌঁছে সারা শরীরের কার্যক্রম মানে কর্মক্ষমতা রক্ষা করে, শরীরিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে যার ফলে মানুষের শারীরিক যোগ্যতা বজায় থাকে। 

হার্ট রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ সৃষ্টি করে রক্তে বিদ্যমান থাকা রসদ ও অক্সিজেন সব অঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। হার্ট রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ সৃষ্টি করে সারা শরীরে রক্তপ্রবাহ সঠিক রাখে। ফলশ্রুতিতে আমাদের সারা শরীরে অতি প্রয়োজনীয় রসদ এবং অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। হার্ট মাতৃগর্ভ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অবিরতভাবে রক্ত পাম্প করে রক্তপ্রবাহ বজায় রাখে। যদি কোনো কারণে হার্ট তিন থেকে চার মিনিটের জন্য রক্ত পাম্প করতে অপারগ হয় তবে ব্যক্তির মৃত্যু অবধারিত। বর্তমান সমাজে খাদ্য বা রসদ প্রায় সবারই পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করতে পারে, তবে তা সুষম মাত্রায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

মানব শরীরে প্রতিটি অঙ্গই নির্দিষ্ট কাজে নিয়োজিত, ব্রেন মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা করে, নার্ভ শরীরের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে, কিডনি রক্ত ছাকনির মাধ্যমে বিষাক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় বস্তু শরীর থেকে বের করে দেয়। খাদ্যনালি থেকে খাদ্যকণা রক্তে শোষিত হওয়ার পর খাদ্যনালির সমস্ত রক্ত লিভারের মাধ্যমে খাদ্যনালি থেকে শোষিত রক্তকে যাচাই-বাছাই করে অপ্রয়োজনীয় এবং বিষাক্ত বস্তু পিত্ত রসের সঙ্গে খাদ্যনালি হয়ে মলের সঙ্গে শরীর থেকে বের করে দেয় এবং প্রয়োজনীয় বস্তুকে রক্তের মূলধারায় প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করে। 

মাংস পেশি ও হাড় মানুষের চলাচল করা ও শারীরিক কর্মকান্ড সম্পাদনে সাহায্য করে এবং সব সময়েই নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্ক তা নিয়ন্ত্রণ করে। যার জন্য আমরা মস্তিষ্ক নষ্ট (ব্রেন স্ট্রোক) হওয়া ব্যক্তিকে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হতে দেখে থাকি। তার মানে ব্রেন যে আমাদের গতিপ্রকৃতি পরিচালনা করে, তা স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পা অচল হওয়া দেখে ভালোভাবে বোঝা যায়।

আগেই আলোচনা করেছি, রক্তপ্রবাহ সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ট তার দায়িত্ব পালন করে থাকে। হার্টকে মানব শরীরের ইঞ্জিন বলা যেতে পারে। কারণ সে সব সময় রক্ত পাম্প করে সারা শরীরের সুস্থতা রক্ষার্থে কাজ করে থাকে। অন্যভাবে বলতে গেলে বলা যায়, যদি কোনোভাবে হার্টের কর্মক্ষমতা কমে যায়, মানে হার্ট শারীরিক চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় পরিমাণ রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয়, তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না। যাকে অনেকেই শারীরিক দুর্বলতা বলে মনে করে। এসব দুর্বলতাকে শারীরিক অযোগ্যতা বলা হয়। 

মানুষের শারীরিক যোগ্যতা অনেকাংশেই হার্টের যোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত, তার মানে যদি কারও হার্টের যোগ্যতা বা কর্মক্ষমতা কমে যায়, তবে সে শারীরিক অযোগ্যতায় আক্রান্ত হবেন। শারীরিক যোগ্যতা ঠিক রাখার জন্য অবশ্যই হার্টের যোগ্যতা স্বাভাবিক থাকা খুবই জরুরি। পরিশেষে এ কথা বলা যায়, আপনি যদি শারীরিকভাবে যোগ্য (ফিট) থাকেন তবে আপনার শরীরে বড় ধরনের কোনো অসুস্থতা না থাকাটাই স্বাভাবিক। 

আর যদি আপনার শারীরিক যোগ্যতা কমে যেতে থাকে, তবে আপনি ধরে নিতে পারেন, আপনার শরীরে যে কোনো ধরনের জটিল অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। বয়স যদি ৫০ এর বেশি হয়, তবে সবার আগে জেনে নেবেন যে  হার্ট সুস্থ আছে কিনা। যে কোনো বয়সে যদি কারও শারীরিক যোগ্যতা কমে যায় তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। অসুস্থতা সঠিকভাবে নির্ণয় করে, চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হলে আপনি আবার আপনার শারীরিক যোগ্যতা ফিরে পেতে পারেন।

লেখক : চিফ কনসালট্যান্ট শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

১৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

৩৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

৪৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক