Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:৪২

যে কারণে আবারো ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে আবারো ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো'র অতীতে নানা রকম সাজে নিজের তোলা কিছু ছবি এখন মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো ছবিতে তিনি বাদামি রঙয়ের চামড়ার মানুষের সাজে, আবার কোনো ছবিতে কৃষ্ণাঙ্গের সাজে রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তার তৃতীয় ছবিটি সামনে আসে। যার জেরে দ্বিতীয় বার ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন কানাডার এই উদারপন্থী নেতা।

টুইটারে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে ট্রুডো বলেছেন, যেসব মানুষ প্রতিদিন অসহিষ্ণুতা এবং বৈষম্যের শিকার হন, আমার এই কাজ তাদের দুঃখ দিয়েছে। এই কাজের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী, এর দায়িত্ব সম্পূর্ণ আমার। তিনি আরো লেখেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, মুখে কালো রঙ মেখে এভাবে সাজা একেবারেই উচিত নয়। কারণ, এই কালো মুখের সঙ্গে একটা ইতিহাস জড়িয়ে আছে। আমার এটা আগেই বোঝা উচিত ছিল।

বিতর্কের পর টুইটারে নিজের প্রোফাইলের ছবিও বদলে ফেলেছেন ট্রুডো। নতুন ছবিতে এক কৃষ্ণাঙ্গের সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যাচ্ছে তাকে। প্রথম ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষমা চেয়েছিলেন ট্রুডো। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারো ক্ষমা চাইতে হলো তাকে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্টোবরেই ভোট। এমন সময় এই বিতর্ককে বিরোধীদের অস্ত্রে পরিণত হতে দিতে রাজি নন তিনি। যদিও, এর মধ্যেই আসরে নেমে পড়েছেন তারা। কনজারভেটিভ পার্টির নেতা অ্যান্ড্রু শিয়ারের বক্তব্য, ট্রুডো যা করেছেন তা বর্ণবৈষম্য ছাড়া কিছুই নয়। শাসকের পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন তিনি।

আগের ভোটে বিপুল জয় পেয়ে কানাডায় ক্ষমতায় আসা জাস্টিন ট্রুডো এবার ভোটের আগে একটু চাপে রয়েছেন। দুর্নীতি থেকে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। নতুন এই বিতর্ক তার সমস্যা বাড়ায় কিনা, সেটাই দেখার।

এর আগে একবার পার্লামেন্টে ভোটাভুটির সময় লুকিয়ে চকলেট খাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভেবেছিলেন কারো নজরে পড়বেন না। কিন্তু তার ধারণা ভুল হয়েছে। ট্রুডোর চকলেট খাওয়া প্রথম নজরে আসে কনজার্ভেটিভ সংসদ সদস্য স্কট রিডের। এরপরই তিনি স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভরা পার্লামেন্টে সবার সামনে উঠে দাঁড়িয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমা চান কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কারণ, পার্লামেন্ট হাউসে বসে লুকিয়ে চকলেট বা অন্য কোনও কিছু খাওয়া আইনত নিষিদ্ধ। আর এই নিয়ম লঙ্ঘনের কারণেই তিনি স্পিকারের কাছে ক্ষমা চান। এসময় স্পিকারের উদ্দেশে ট্রুডো বলেন, আসলে আমার কাছে একটা চকলেট বার ছিল। সেটাই খাচ্ছিলাম। এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

 


আপনার মন্তব্য