শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:৪৬

ইরানের সাথে যুদ্ধে গেলে হেরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র!

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সাথে যুদ্ধে গেলে হেরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র!

সৌদি সরকার নিয়ন্ত্রিত দেশটির দুটি তেল কারখানায় ড্রোন হামলার মদদদাতা হিসেবে ইরানকে দোষী করা হচ্ছে। আর এ ঘটনা নিয়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটন সংঘাতের দিকে ঝুঁকছে। যা পরবর্তী সময়ে যুদ্ধে গড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত বলেছেন, ইরানকে এই হামলার জবাব দেওয়ার সময় চলে যায়নি। আর ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজের এবং মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রস্তুত। ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণে এটা স্পষ্ট যে, তিনি ঝামেলায় জড়াতে চান। অন্যদিকে ইরান রাজনৈতিকভাবে, কূটনৈতিকভাবে, তথ্য নিয়ে এমনকি সামরিক ক্ষেত্রেও এগিয়ে যাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান কিংবা যুক্তরাষ্ট্র কোনো দিনই সেনা সংঘর্ষ চাইবে না। এর আগে ১৯৮৮ সালে ইরানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধে মার্কিন বাহিনীর। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বড় ধরনের সংঘর্ষ। দু'দেশই তার পুনরাবৃত্তি পছন্দ করবে না।

এদিকে, মার্কিন কূনীতিবিদরাও স্বীকার করছেন, ইরান কূটনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে গেছে। তারা এখন যুদ্ধে জেতার জন্য অনেক বেশি প্রস্তুত। তারা আরো বলছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নামলে যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই হেরে যাবে।

এরইমধ্যে সৌদি আরবের আরামকো তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা থেকে সমস্ত বিদেশি নাগরিককে চলে যাওয়ার জন্য সতর্ক করে দিয়েছে ইয়েমেনে সামরিক বাহিনী। তারা বলেছে, আরামকো এখনো তাদের টার্গেটে রয়েছে এবং সেখানে যেকোন মুহূর্তে আবার হামলা হতে পারে। আরামকো কোম্পানির আবকাইক এবং খুরাইশ তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী ১০টি ড্রোনের সাহায্যে ব্যাপক হামলা চালানোর পর নতুন করে এই হুমকি দিল। 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

 

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর