শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ১৭:০৭
প্রিন্ট করুন printer

পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের আপিল নাকচ

অনলাইন ডেস্ক

পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের আপিল নাকচ
ফাইল ছবি

পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। আপিল আবেদনের আগে তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিশেষ আদালতের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গত বৃহস্পতিবার আপিল আবেদন করেন মোশাররফের আইনজীবী। শুক্রবার সেই আবেদন বাতিল করে দেন আদালত। এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর লাহরের একটি বিশেষ আদালত পারভেজ মোশাররফকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেন।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

এবার এভারেস্ট রক্ষার উদ্যোগ নিল নেপাল

অনলাইন ডেস্ক

এবার এভারেস্ট রক্ষার উদ্যোগ নিল নেপাল

লক্ষ্য আর্টওয়ার্ক নয়। লক্ষ্য পরিবেশকে বর্জ্যমুক্ত করা। শিল্পের মধ্যে দিয়ে মাউন্ট এভারেস্টকে বর্জ্যমুক্ত করার প্রকল্প নিল নেপাল।

প্রতি বছর মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে অসংখ্য পর্বতারোহী সেখানে অভিযানে যান। তাদের যাত্রাপথে পড়ে থাকে খাবারের পাত্র, ছেঁড়া দড়ি, ছেঁড়া তাঁবু, অক্সিজেনের বোতল, প্লাস্টিকের বোতল, মই এবং আরও নানা রকম জিনিস। এর ফলে ক্রমশ দূষিত হচ্ছে এভারেস্টের পরিবেশ। নেপাল এবার এভারেস্ট বাঁচানোর উদ্যোগ নিল। 

উদ্যোগটা নিছক জঞ্জাল পরিষ্কার করা নয়। পর্যটকদের ফেলে আসা বিভিন্ন জিনিস দিয়ে শিল্প সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে নেপাল। যে কাজের দায়িত্বে রয়েছেন টমি গুস্তাফসন। 

তিনি জানান, এই কাজে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি শিল্পীদের সাহায্যও নেয়া হবে। রয়েছে একটি সংগ্রহশালা বানানোর ভাবনাও।

তবে বর্জ্য দিয়ে আর্টওয়ার্ক তৈরির প্রকল্পের আগেই অন্য একটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন আগে করতে হবে বলে মনে করছে নেপাল। নেপাল ঠিক করেছে, প্রত্যেক এভারেস্ট অভিযাত্রীকে কম করে এক কেজি বর্জ্য ফেরত আনার অনুরোধ করা হবে। 

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অভিযাত্রীদের এই প্রকল্পে যুক্ত করা গেলে এভারেস্টের পরিবেশ অনেকটাই রক্ষা করা যাবে। সূত্র: জি নিউজ

বি ডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৪০
প্রিন্ট করুন printer

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম অ্যাটর্নি হচ্ছেন সায়মা

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম অ্যাটর্নি হচ্ছেন সায়মা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে মুসলিম অ্যাটর্নি। আর এতে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সায়মা মোহসিন। তিনি মিশিগানের ডেট্রয়েটের বর্তমান অ্যাটর্নি ম্যাথু সিনডারের স্থলাভিষিক্ত হবেন। খবর পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন'র।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডেট্রয়েট ফ্রি প্রেস জানিয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি নিজের দায়িত্ব বুঝে নেবেন ৫২ বছর বয়সী সায়মা মোহসিন। সংবাদমাধ্যমটি তাকে নিয় বলেছে, এশীয় বংশোদ্ভূত একজন অভিবাসী হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি বৈচিত্র্য নিয়ে আসবেন। রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের প্রধান আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হবেন তিনি।

এর আগে মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের সহিংস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ ইউনিট, ড্রাগ টাস্কফোর্স, সাধারণ অপরাধ ইউনিট ও মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন সায়মা। স্থায়ী অ্যাটর্নি হিসেবে মনোনীত হতে সিনিটের অনুমোদন লাগবে সায়মা মোহসিনের।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি জেলার প্রধান কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নিরা।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৪
প্রিন্ট করুন printer

বাইডেনও মনে করেন না সিনেটে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করা সম্ভব হবে

অনলাইন ডেস্ক

বাইডেনও মনে করেন না সিনেটে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করা সম্ভব হবে
জো বাইডেন-ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন জো বাইডেন।

সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি, এটা হতেই হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি এটা অর্থাৎ ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার না হয় তাহলে এর খুব বাজে প্রভাব পড়বে।’

তবে বাইডেন মনে করেন না যে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করার পক্ষে ১৭ রিপাবলিকান ভোট দেবে। তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সিনেটে অনেক পরিবর্তন হয়েছে ঠিকই তবে এতোটা পরিবর্তন হয়নি।’

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে উগ্র ট্রাম্প-সমর্থকদের হামলার পর বিদায়ী প্রেসিডেন্টকে নির্ধারিত সময়ের আগেই পদ থেকে সরাতে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করে।

১৩ জানুয়ারি ২৩২-১৯৭ ভোটে পাস হয় প্রস্তাবটি। চূড়ান্ত অভিশংসনের জন্য প্রস্তাবটি সোমবার সিনেটে পাঠানো হয়েছে। সেখানে বিচারপ্রক্রিয়ার পর দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস করাতে হবে এটি। এর জন্য প্রস্তাবের পক্ষে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি ১৭ জন রিপাবলিকানের ভোটও প্রয়োজন হবে।

বি ডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৭
প্রিন্ট করুন printer

ইসরায়েলের সাহায্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারই লক্ষ্য আমিরাতের

অনলাইন ডেস্ক

ইসরায়েলের সাহায্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারই লক্ষ্য আমিরাতের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাস উদ্বোধন করেছে ইসরায়েল। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে চারটি আরব দেশ অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুদান, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে সমঝোতা পত্রে সই করেছিল। সংযুক্ত আরব আমিরাতই প্রথম দেশ যে কিনা গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে চুক্তিতে সই করেছিল।

সেপ্টেম্বরে সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকেই আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয় এবং দু'পক্ষের বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদের সফর বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত ইসরায়েলের হাজার হাজার পর্যটক সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছে। ইসরায়েল আবুধাবিতে দূতাবাস স্থাপন করা ছাড়াও দুবাইতে কনস্যুলেট স্থাপনের চেষ্টা করছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সর্বাত্মক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিস্তারের এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তারা সম্পর্ক আরও গভীর করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার কারণে ইসরায়েলের সাথে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু সুদান ও মরক্কোর তুলনায় মানামা ও আবুধাবি সরকারের এ ব্যাপারে অতি উৎসাহের পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

যদিও ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের প্রধান শরীক হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের জন্য রিয়াদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতে পরিণত হয়েছে আবুধাবি। প্রকৃতপক্ষে আমিরাত দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মাধ্যমে একদিকে সৌদি আরবের ওপর তাদের নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে অন্যদিকে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন ইস্যুতে ইসরায়েলের সমর্থন নিয়ে এ অঞ্চলে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে আবুধাবি।

আমিরাত এমন সময়ে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা বিস্তারের চেষ্টা করছে যখন দখলদার ইসরায়েল গত দুই বছর ধরে চরম অভ্যন্তরীণ সংকটে জর্জরিত। ৩১ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নাগরিকরা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে বিরতিহীনভাবে বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমেরিকার বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের শুরু থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাত আবুধাবিতে ইসরায়েলি দূতাবাস স্থাপন অন্যদিকে তেল আবিবে আবুধাবির দূতাবাস স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছে যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বলা যায় এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমিরাত প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজর কাড়ার চেষ্টা করছেন এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রকে এ বার্তা দিতে চায় যে ট্রাম্প ক্ষমতায় না থাকলেও আবুধাবি চিন্তিত নয়।

এদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর তুরস্কে বসবাসকারী আমিরাতের রাজনৈতিক কর্মী হামাদ আলে শামস বলেছেন, আমিরাতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে যারাই বিরোধিতা করবে তাদেরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে কেউ প্রতিবাদ করতে না পারে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০০
প্রিন্ট করুন printer

লালকেল্লায় উড়ছে কৃষকদের পতাকা!

অনলাইন ডেস্ক

লালকেল্লায় উড়ছে কৃষকদের পতাকা!

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে কৃষি সংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত কৃষকদের। নতুন আইনের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কৃষক ট্রাক্টর চালিয়ে শহরে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

কয়েকটি জায়গায় কৃষকরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে এবং তাদের জন্য নির্ধারিত রুটে না গিয়ে অন্য দিকে এগিয়ে যায়। ভারতের ইতিহাস অন্যতম দীর্ঘ এই কৃষক আন্দোলন চলছে প্রায় দুই মাস ধরে।

এদিকে কৃষকদের মিছিল লালকেল্লায় পৌঁছে গেছে। শুধু পৌঁছে গেল তাই নয়, লালকেল্লায় পৌঁছে কৃষক আন্দোলনের পতাকা উড়িয়ে দিলেন তারা। সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ। কিছু দিয়েই পুলিশ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারল না প্রতিবাদী কৃষকদের। 

মঙ্গলবার সকাল থেকেই তিন সীমানায় সব ব্যারিকেড ভেঙে চুরমার। পুলিশের ঘোষিত পথে গেল না হাজার হাজার ট্রাক্টর। পথ পাল্টে লালকেল্লায় গিয়ে কৃষকদের মধ্যে থেকে আওয়াজ উঠল ‘অকুপাই দিল্লি’।

পুলিশের ঘোষণা ছিল, মঙ্গলবার সকাল ১২টার দিকে কৃষকদের মিছিল নির্দিষ্ট তিনটি রুটে গিয়ে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটল উল্টো। সকাল ৮টা থেকে লাগামছাড়া গতিতে দিল্লির দিকে ধেয়ে আসতে থাকে মিছিল। পুলিশের বাধা কেউ মানেননি। আর তাই নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে দিল্লির নয়ডা মোড়, আইটিও মোড়, এসবিটি এলাকা।

একাধিক ফুটেজে দেখা গেছে, কৃষকদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। পুলিশ লাঠিচার্জ করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর