শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ জুন, ২০২১ ১২:২১
আপডেট : ৯ জুন, ২০২১ ১২:৩৭
প্রিন্ট করুন printer

উইঘুরদের জন্য চীনের তিন সন্তান নীতি প্রযোজ্য নয়!

অনলাইন ডেস্ক

উইঘুরদের জন্য চীনের তিন সন্তান নীতি প্রযোজ্য নয়!
ফাইল ছবি
Google News

বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, তিন সন্তান নীতি থেকে জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিম সংখ্যালঘুদের বঞ্চিত করার জন্য চীন ইচ্ছাকৃতভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার বন্ধ করছে না। এছাড়াও চীনা সরকার এখনো তিন সন্তানের নীতি শিথিল করার ক্ষেত্রে উইঘুরসহ সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করেনি।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংখ্যালঘুদের জন্য নিয়ম শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এদিকে, বেন ওয়েস্টকট সিএনএনে লিখেছেন, 'জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি মনোভাবের কারণে পিতামাতার ওপর একটি সীমা বজায় রেখেছে চীন, বিশেষ করে জিনজিয়াং'র প্রতি।'

ফোরধাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক কার্ল মিনজনার বলেন, চীন যদি সর্বজনীনভাবে জন্ম বিধিনিষেধ তুলে দেয়, তাহলে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নীতি কঠোর করার যৌক্তিকতা হারাবে, যা তারা চায় না।  

২০১৭ সাল থেকে চীনা সরকার সংখ্যালঘুদের ওপর পরিবার পরিকল্পনা নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ শুরু করে। ফলে ২০১৮ সালেই তাদের জন্মহার এক তৃতীয়াংশ কমে যায়। চীন মনে করে, উইঘুর জনসংখ্যা সীমিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা দেশের জন্ম নিয়ন্ত্রণ নীতির মধ্যে পড়ে।

৪০ বছরেরও বেশি সময় আগে এক সন্তান নীতি প্রবর্তনের পর থেকে চীনের জন্মহার দ্রুত কমছে।জনসংখ্যাগত সংকটের সম্মুখীন হয়ে চীনা সরকার ২০১৬ সালে দুটি সন্তানের অনুমতি দেওয়ার নীতি শিথিল করে, কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অনেক দম্পতি একটির বেশি সন্তান ধারণে অনিচ্ছুক ছিল, বিশেষ করে শহরগুলিতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জিনজিয়াং-এর জন্মহারের অনুপাত দেশের বাকি অংশের তুলনায় যথেষ্ট বেশি ছিল। এরপর থেকেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়তে না দেওয়ার অভিযানে নেমে পড়ে চীন সরকার। একই কারণে দেশটি তিন সন্তান নীতির সুযোগ উইঘুরদের দেবে না।  

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

এই বিভাগের আরও খবর