শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৫৪

রাষ্ট্র ও সেনাপ্রধান হলেন কিম

রাষ্ট্র ও সেনাপ্রধান হলেন কিম

এতদিন তিনি ছিলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা। প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। ২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতা নেওয়ার পর হাতের তুড়িতে দেশটি শাসন করছেন। তবে এবার কিম জং উন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান এবং সেনাপ্রধান হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেছেন। এ জন্য তিনি দেশটির সংবিধানও পরিবর্তন করেছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নতুন সংবিধানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিচুক্তির জন্য আহহ্বান জানাচ্ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫০ থেকে ৫৩ সাল পর্যন্ত দুই কোরিয়ার মধ্যে ব্যাপক যুদ্ধ হয়। কিন্তু তার শেষ আজও হয়নি। কোনো শান্তিচুক্তি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সময় পার হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থার ইতি টানতে চাইছে উত্তর কোরিয়া। গত পরশু দেশটির সরকারি গণমাধ্যম নায়িনারায় নতুন সংবিধান প্রকাশ করা হয়। সংবিধানে ২০১৬ সালে গঠিত শীর্ষ পরিচালনা পর্ষদ স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের (এসএসি) চেয়ারম্যান কিম জং উনকে ‘কোরিয়ার নাগরিকদের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি’ বলা হয়। এর মধ্য দিয়ে তাকে রাষ্ট্রপ্রধান ও সেনাপ্রধানের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পূর্বের সংবিধানে কিম জং উনকে সাধারণভাবে ‘শীর্ষনেতা’ বলা হয়। এই পদবি দেশের সামগ্রিক সামরিক বাহিনীর কমান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সিউলের ক্যুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার ইস্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক কিম ডং ইয়াপ বলেন, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কিম। সেই স্বপ্ন তিনি সত্যি করেই ছেড়েছেন।


আপনার মন্তব্য