শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৮

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন

ভোটের হার না জানানোয় ইসির সমালোচনায় কেজরিওয়াল

ভোটের হার না জানানোয় ইসির সমালোচনায় কেজরিওয়াল

দিল্লির বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণা হবে আগামীকাল। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পেরুলেও গতকাল পর্যন্ত কত ভোট পড়েছে তা জানায়নি দেশটির নির্বাচন কমিশন। এ নিয়েই নির্বাচন কমিশনকে এক হাত নিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ‘নির্বাচন কমিশন করছেটা কী’ প্রশ্ন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর। কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির (আপ) পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে চক্রান্তের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

শনিবার দিল্লি বিধানসভার ৭০টি আসনের ভোট হয়। সাধারণত, ভোট গ্রহণের দিনই সন্ধ্যের পর কত  শতাংশ ভোট পড়েছে তা জানিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু দিল্লির ভোটের পরে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো ঘোষণা দেয়নি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপেও নির্দিষ্ট করে প্রদত্ত ভোটের হার জানানো হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৪৬ শতাংশ, যা ২০১৫ সালের ৬৭.৫ শতাংশের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। আর এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন আপ নেতৃত্ব। খোদ মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের টুইট, ‘পুরোপুরি ধাক্কা। নির্বাচন কমিশন করছেটা কী? ভোটের এত ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেন এখনো তারা ভোটের হার জানাচ্ছে না।’ আবার আপের নেতা সঞ্জয় সিংহ এর মধ্যে চক্রান্তের গন্ধ পেয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে তার বক্তব্য, ‘দিল্লিতে মাত্র ৭০টি বিধানসভা আসনের ভোট। বড় বড় রাজ্যের নির্বাচন, এমনকি, লোকসভা নির্বাচনেও ভোটগ্রহণের দিনই প্রদত্ত ভোটের চ‚ড়ান্ত হার জানিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু দিল্লিতে ভোটের পরের দিনও সেটা জানাতে পারল না কমিশন। এর অর্থ, ভিতরে ভিতরে কোনো কিছু চলছে।’ ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, ভোটের দিন নির্বাচন কমিশন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর প্রদত্ত ভোটের হার সাংবাদিকদের জানিয়ে   দেয়। আবার কমিশনের অ্যাপেও সর্বশেষ আপডেট করা হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, দিল্লির নির্বাচনে কমিশনের দেওয়া তথ্য এবং অ্যাপের প্রদত্ত ভোটের হার অধিকাংশ সময়েই মেলেনি। তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

এদিকে ভোটপর্ব শেষ হতেই বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বুথফেরত ভোট সমীক্ষার ফল আসতে থাকে। সেখানে দেখা যায়, প্রতিটি সমীক্ষাই বলছে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল জিতবেন। রিপাবলিক টিভির সমীক্ষা বলেছে, কেজরিওয়ালের আপ পেতে পারে ৪৮ থেকে ৬১ আসন। বিজেপি ৯ থেকে ২১ এবং কংগ্রেস শূন্য  থেকে একটা আসন পেতে পারে। টাইমস নাও এর সমীক্ষা অনুযায়ী, আপ পেতে পারে ৫৪ আসন, বিজেপি ২৬ এবং কংগ্রেস একটা আসন।


আপনার মন্তব্য