শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৬

কাশ্মীরে শান্তির আশা জাগছে, প্রাণ ফিরে পাচ্ছে তার পর্যটনশিল্প

প্রতিদিন ডেস্ক

জোরদার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিরাট কর্মযজ্ঞ চলছে জম্মু ও কাশ্মীরে। ফলত ভারতের কেন্দ্র শাসিত ওই অঞ্চলে শান্তির আশা জাগছে আর সেই সঙ্গে প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে তাদের পর্যটনশিল্প।

চলতি মাসে দেখা যায়, কাশ্মীরের জাবারওয়ান পর্বতের পাদদেশে থরে থরে ফুটে আছে টিউলিপ ফুল। টিউলিপ বাগানের মনোহর দৃশ্যটি নিজের টুইটারে ধারণ করে তা দেশবাসীর সামনে পেশ করলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইট করেন, ‘যখনই সুযোগ পান চলে যান কাশ্মীরে। উপভোগ করুন সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মানুষের আতিথেয়তা।’ টিউলিপ বাগানে ৬৪ প্রজাতির ফুল। এখানে হাসছে ১৫ লক্ষাধিক ফুল। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে বাগানটি। ফুলবাগান যেমন পর্যটক টানে, তেমনি টানে নয়নজুড়ানো উপত্যকা, জলবায়ু, বরফাচ্ছাদিত পাহাড়, শীতল আবহাওয়া, স্কি ও ট্রেকিং এবং মাছ শিকার ব্যবস্থা। ঐতিহাসিক ও স্থাপত্য নিদর্শনও মুগ্ধ করে পর্যটকদের। কাশ্মীরে পর্যটনশিল্প বিকাশে ভারতীয় সংসদ ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে ৭৮৬ কোটি রুপি বরাদ্দ অনুমোদন করেছে। আগের বছরের বাজেট বরাদ্দের চেয়ে এই বরাদ্দ ৫০৯ কোটি রুপি বেশি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সংসদে জানান, কাশ্মীরে পর্যটনের বিকাশে সড়ক ও সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৪০৮ কোটি রুপি। আন্তর্জাতিক পর্যটন পর্যায়ে কাশ্মীরের মর্যাদা ‘জায়গাটি দেখতে যাবই’ স্তরের। মজার ব্যাপার হলো, ভারতের দেশি পর্যটকদের কাছে ‘সেরা ১০টি পর্যটনকেন্দ্র’র তালিকায় কাশ্মীর নেই। কাশ্মীরের সবুজ চারণভূমিগুলো ভুবনখ্যাত। তবু অধিবাসীদের আহারের মাংস জোগানোর জন্য কাশ্মীরকে বছরে ৩ হাজার কোটি রুপির ভেড়া আমদানি করতে হয়। পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল বলেন, করোনা মহামারীকালে দেশি পর্যটকরাই ছিল ভরসা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কাশ্মীরে দেশি পর্যটক এসেছে ১৯ হাজার জন। আগের বছর জানুয়ারিতে এসেছিল ৩৭০০ পর্যটক।


আপনার মন্তব্য