শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৪৫

করোনা রুখতে পারে সর্দি-কাশির ভাইরাস

করোনা রুখতে পারে সর্দি-কাশির ভাইরাস

যাদের সব সময় সর্দি ও কাশির সমস্যা আছে তাদের জন্য সুখবর দিল একটি গবেষণা। সব সময় সর্দি হাঁচি থাকলে তার জন্য দায়ী করা হয় ‘রাইনোভাইরাস’ নামে একটি ভাইরাসকে। মানব দেহকোষে এই ভাইরাস থাকলে সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে জব্দ ও অকেজো করে দিতে পারে এটি। ‘রাইনোভাইরাস’ থাকলে মানুষের সামান্য জ্বরজ্বালা, সর্দি, কাশি, গলা খুসখুস, গলাব্যথা হয়। ব্রিটেনের গাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণা এই খবর দিয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, এর ফলে আমাদের সামান্য জ্বরজ্বালা, সর্দি, কাশি, গলা খুসখুস, গলাব্যথা যতদিন থাকে ততদিন আমাদের করোনা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। গবেষণা জানিয়েছে, একই সময় দুটি ভাইরাস মানব দেহকোষে ঢুকলে প্রাথমিকভাবে সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে এক রকম জব্দই করে রাখে রাইনোভাইরাস। খুব দ্রুত নিজেকে বহু করার কাজ শুরু করে দেয় রাইনোভাইরাস। আর তখন সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে সে বহু হয়ে ওঠার সুযোগটাই দেয় না। ফলে, মানব দেহকোষে ঢুকেও কিছু দিনের জন্য কার্যত নিষ্ক্রিয়ই হয়ে থাকতে বাধ্য হয় সার্স-কভ-২। রাইনোভাইরাসের ভূমিকা বুঝতে গবেষকরা কৃত্রিমভাবে মানুষের একটি শ্বাসনালি বানিয়েছিলেন। তার মধ্যে একই সময় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন রাইনোভাইরাস ও সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে। তারপর দুটি ভাইরাসই যাতে মানব দেহকোষে অবাধে বংশবৃদ্ধি করতে পারে তার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। গবেষকরা দেখেন, মানব দেহকোষে দুটি ভাইরাস ঢোকানোর পর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় শুধুই বংশবৃদ্ধি ঘটাচ্ছে রাইনোভাইরাস। সেই সময় সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে সে বংশবৃদ্ধি ঘটাতেই দিচ্ছে না।