Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৭

বন্দুকযুদ্ধে নিহত মাদক ব্যবসায়ী

প্রতিদিন ডেস্ক

বন্দুকযুদ্ধে নিহত মাদক ব্যবসায়ী

সিদ্ধিরগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৮ মামলার আসামি ফেন্সি ফরিদ নিহত এবং লালমনিরহাটে মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ ও দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন সংশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—সিদ্ধিরগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৮ মামলার আসামি ফরিদ মিয়া ওরফে ফেন্সি ফরিদ নিহত হয়েছেন। ফরিদ রূপগঞ্জ থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১১ সিনিয়র এএসপি আলেপ উদ্দিন পিপিএম। এ ঘটনায় দুই র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার ভোর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল এলাকায় তাঁত জুট মিলের সামনে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‌্যাবের সিনিয়র এএসপি আলেপ উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল মাদক উদ্ধারের জন্য সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় তাঁত জুট মিলের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ফেন্সি ফরিদ গুলিবিদ্ধ হলে তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলির সময়ে আহত হন র‌্যাবের সৈনিক মোরছালিম ও কনস্টেবল আশরাফুল হক। পরে গুলিবিদ্ধ ফরিদকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। র‌্যাবের আহত দুই সদস্যকে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নিহত ফরিদ রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার হাটিপাড়ার মৃত বালাই মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় মাদক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১৮টি মামলা রয়েছে। ফরিদ রূপগঞ্জ থানা ও র‌্যাব-১১-এর তালিকার এক নম্বর মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে ফেনসিডিল ব্যবসার একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে। পরে ইয়াবার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ কারণে সে জেলার মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের কাছে ফেন্সি ফরিদ নামে পরিচিত। লালমনিরহাট : জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সিরাজুল ইসলাম (৪৫) নামে এক মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। গতকাল দুপুরে উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের শালবন এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। সিরাজুল উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি গ্রামের জহর উদ্দিনের ছেলে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক জানান, সিরাজুল ও তার সহযোগীরা মাদকের চালান নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে— এমন খবরে টংভাঙ্গা ইউপির গেন্দুগুড়ি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ৬ কেজি গাঁজাসহ সিরাজুলকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে শালবন এলাকায় অন্য মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশের ওপর হামলা করলে পুলিশ শটগান দিয়ে গুলি ছোড়ে। এতে সিরাজুলের দুই পায়ে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে আরও ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় থানার পরিদর্শক (এসআই) আবু বক্কর সিদ্দিক ও কনেস্টবল এরশাদ আহত হয়। সিরাজুলের বিরুদ্ধে ছয়টি মাদক মামলা আছে। এ ঘটনায় মাদক বিক্রেতা সিরাজুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর