শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১২ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ মে, ২০১৯ ০১:৫৫

মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনা

ঝাঁকুনি দিয়ে আছড়ে পড়ে বিমানটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝাঁকুনি দিয়ে আছড়ে পড়ে বিমানটি

মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনায় আহত ৩ যাত্রীকে এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১টার দিকে তাদেরকে এ্যাপোলো হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে দুজন কেবিন ক্রু এবং একজন যাত্রী রয়েছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এদের ব্যাপারে কোনো কথা বলতে নারাজ। এ ছাড়া পাইলট শামীম নজরুলকে ভর্তি করা হয়েছে সিএমএইচ হাসপাতালে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত এক চিকিৎসক বলেন, ‘রাত ১টার দিকে তিনজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অর্থোপেডিক সমস্যা আছে। অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন। এই রোগীদের কারও কারও স্পাইনাল কডে ফ্র্যাকচার আছে।’ বুধবার ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে রানওয়ে থেকে পড়ে বিমানের একটি ফ্লাইট। শুক্রবার রাতে দেশে ফিরে পাইলট শামীম নজরুল বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের দুর্ঘটনার বিষয়ে বলেন,  ‘উড়োজাহাজটি নিরাপদেই অবতরণ করেছিল। তবে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে যায়।’ বিমানের ওই ফ্লাইটটিতে থাকা আহত যাত্রীদের একজন বলেন, ‘আমরা তো নরমাল ছিলাম। কারণ এ রকম থান্ডার-স্টর্ম [বজ্রপাত] তো অনেক সময়ই হয়। একটা সময় বিমানটি জোরে একটি ঝাঁকুনি খায় এবং তারপর আছড়ে পড়ে।’ তার আগে আমরা বুঝতেই পারিনি কী ঘটতে যাচ্ছে, বলছিলেন মিয়ানমার থেকে দেশে ফেরত আসা আহত ওই যাত্রী। তিনি বলেন, প্রথমে থান্ডার-স্টর্ম হচ্ছিল, পাইলট আধা-ঘণ্টার বেশি আকাশে চক্কর দিচ্ছিলেন। নামার চেষ্টা করেও নামতে পারছিলেন না, তখন অন্য দিকে ঘুরে যান। একটা সময় পাইলট ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, পাইলট একটা সময় ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন; যে কারণে বিমানে আগুন লাগেনি বলে আমরা মনে করছি। তাদের বারবার বলা হচ্ছিল এক্সিট ডোর খোলার চেষ্টা করতে। তিনি বলেন, ‘আমি বিমানের পেছনের দিকে ছিলাম। আমাদের বলা হচ্ছিল আপনারা এক্সিট ডোর পুল করেন, শুরুতে পারছিলাম না। অনেক চেষ্টার পর ডানদিকেরটা পুল করতে পারলাম।’ তিনি জানান, ‘বিমানটি আছড়ে জোরে একটা ঝাঁকুনি দেয়। এতে আমি মাথায় আঘাত পাই।’ তবে তিনি মনে করেন, পাইলটের দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তায় তারা বেঁচে গেছেন।


আপনার মন্তব্য