শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:২৮

২০২২ সালের মধ্যে সব ভোটারের হাতে পৌঁছবে স্মার্টকার্ড

জন্মের পরে শিশু পাবে ইউনিক আইডি নম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম বলেছেন, নতুন প্রকল্পে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের সব ভোটারের হাতে স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। যারা ভোটার নয় এমন ১০ বছর বয়স থেকে ১৭ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে পেপার লেমোনিটিং কার্ড। এ ছাড়া জন্মের পরপরই প্রত্যেক শিশুকে দেওয়া হবে ইউনিক আইডি নম্বর। গতকাল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদনের পরে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮০৫ কোটি ৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, নতুন ভোটার নিবন্ধন, স্থানান্তর, কর্তন, তথ্যের ভুল সংশোধন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং অধিকতর দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নাগরিকদের সেবা  দেওয়া হবে। অনূর্ধ্ব ১৮ এবং ১০ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের নিবন্ধনের জন্য গাইডলাইন প্রস্তুতকরণ করা হবে। এ জন্য ১০টি অঞ্চলে পাইলট প্রজেক্ট নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আইডি কার্ডে ১০ ডিজিট বিশিষ্ট ইউনিক পরিচিতি নম্বর প্রদান করাসহ ইউনিক আইডি নম্বর বিভিন্ন সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জন্ম নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি শিশুর জন্মের পরপরই তাকে এই ১০ ডিজিটের ইউনিক আইডি নম্বর প্রদান করা হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকগণের দ্রুততম সময়ে নিবন্ধন, পরিচয়পত্র প্রদান এবং প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। তিনি বলেন, আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ প্রকল্প) প্রকল্পে যেসব কার্যক্রম চলমান থাকবে। এরমধ্যে প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটি নাগরিকের তথ্য ধারণ এবং ৪টি প্রতিষ্ঠানকে পরিচিতি যাচাই সেবা প্রদানে সক্ষমতা সম্পন্ন ডাটাসেন্টার, ডিজাস্টার রিকভারি সিস্টেম স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারিত থাকলেও বর্তমানে ১১ কোটি নিবন্ধিত নাগরিকের তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে নিরবচ্ছিন্ন পরিচিতি যাচাই সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৭.৭৩ কোটি স্মার্ট কার্ড পারসোনালাইজেশন করে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য